ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদীন দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেছেন, "আজকের বাংলাদেশের যে নানাবিধ সংকট, তা মূলত অযোগ্যতা ও অদক্ষতার ফসল। আমরা দৃঢ়ভাবে মনে করি, বাংলাদেশের মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমেই নৈতিক, সৎ ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করে এই সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব।" মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল ৯ টায় মাদ্রাসা মিলনায়তনে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানীর সভাপতিত্বে মাদ্রাসার ফকীহ মুফতী মাওলানা শরিফুল ইসলাম সুলতানী এবং ছাত্র সংসদের জিএস আব্দুল কাইয়ুমের যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সব কথা বলেন তিনি।Islamপ্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যথাক্রমে, শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, গভর্নিং বডির সভাপতি প্রফেসর নুর নবী মানিক, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম'র পেশ ইমাম মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম, বাংলাদেশ ইসলামী ইউনিভার্সিটির ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মাওলানা রফিকুল রহমান মাদানী, স্কলার্স ফোরাম ঢাকার পরিচালক হাফেজ দেলাওয়ার হোসাইন ও ছাত্র সংসদের ভিপি তোফায়েল আহমাদ।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মাদরাসার মুফাসসির মাওলানা জাকির হোসাইন শেখ, মুফাসসির মাওলানা আবুল কাসেম গাজী প্রমুখ।অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ফকীহ মাওলানা মহিউদ্দীন, সহকারী অধ্যাপক মিজানুর রশীদ, মাওলানা আব্দুস সামাদ, আব্দুস সামাদ আযাদ প্রমূখ।পরীক্ষার্থীদের সময়ের সঠিক মূল্যায়নের তাগিদ দিয়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ড. মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান মাদানী বলেন, "তোমাদের হাতে সময় আর বেশি নেই। যে কদিন আছে, তার সর্বোচ্চ সঠিক ব্যবহার করতে হবে। তোমরা দেশসেরা ফলাফল উপহার দিয়ে তোমাদের পরিবার, সমাজ ও দেশ গঠনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রাখবে।" বক্তব্য শেষে তিনি উপস্থিত সকল মেহমানদের আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।Mapsঅনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম পরীক্ষার্থীদের নৈতিকতা ও যোগ্যতার সমন্বয়ে আদর্শ নাগরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "তামিরুল মিল্লাত সব সময়ই মেধার স্বাক্ষর রেখে এসেছে। আজকের সংকটময় বিশ্বে ইসলামি মূল্যবোধের ভিত্তিতে সমাজ পুনর্গঠনে তোমাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তোমরা কেবল নিজেদের ক্যারিয়ার নয়, বরং উম্মাহ ও দেশের কল্যাণে নিজেদের নিয়োজিত করবে।"বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "ভালো ফলাফল করার জন্য সর্বাগ্রে নিজেকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারো, তবে ভালো রেজাল্ট হবেই ইনশাআল্লাহ। তোমরা যে সিদ্ধান্ত নিবে সেটির ওপর অটুট থাকো, তাহলে তোমরা চূড়ান্ত লক্ষ্যে সফল হতে পারবো।"Islamমাদ্রাসার গভর্নিং বডির সভাপতি নুর নবী মানিক বলেন,"তামিরুল মিল্লাত শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়,এটি সৎ ও দেশপ্রেমিক নাগরিক গড়ার কারিগর। আমাদের শিক্ষার্থীরা বরাবরের মতোই এবারও মেধার শীর্ষস্থান ধরে রাখবে এবং দেশ ও জাতির ক্রান্তিলগ্নে আলো ছড়াবে বলে আমার বিশ্বাস।"ছাত্রসংসদের ভিপি তোফায়েল আহমেদ বলেন, "পড়াশোনার পাশাপাশি আল্লাহ তাআলার সাথে আমাদের সবার সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে হবে। আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মজবুত হলে আমরা জীবনের সকল কাজে সফলতা অর্জন করতে পারবো।"আলোচনা সভা শেষে ড. মাওলানা রফিকুল ইসলাম মাদানী সমাপনী বক্তব্য ও পরীক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য, সুস্বাস্থ্য এবং দেশ ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ মোনাজাতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান সমাপ্ত হয়।
১ সপ্তাহ আগে
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) বিভিন্ন বিভাগে কর্মরত খণ্ডকালীন শিক্ষকরা দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে বেতন না পেয়ে চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটাচ্ছেন। নিয়মিত ক্লাস, পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে দায়িত্ব পালন করলেও বেতন না পাওয়ায় মানবেতর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন তারা। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থাকলেও স্থায়ী নিয়োগের বিষয়ে কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় হতাশা বাড়ছে এসব শিক্ষকের মধ্যে।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক সংকট মোকাবেলায় খণ্ডকালীন ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা নেওয়া ক্লাসের সংখ্যার ভিত্তিতে সম্মানী পেয়ে থাকেন। এসব শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে ক্লাস গ্রহণ, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন, মৌখিক পরীক্ষা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। তবে ২০২৫ সালের মার্চ মাস থেকে, আবার অনেকের ক্ষেত্রে ২০২৪ সালের শেষ দিক থেকেই তাদের বেতন পরিশোধ বন্ধ রয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক খণ্ডকালীন শিক্ষক জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত নিয়োগ প্রক্রিয়া ও ভাইভা পরীক্ষার মাধ্যমে তারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছেন। শুরুতে নিয়মিত বেতন পেলেও ২০২৫ সালের শুরু থেকে হঠাৎ করেই বেতন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে বিকল্প চাকরির সন্ধান করছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে তারা মনে করেন।বেতন ছাড়া ইতোমধ্যে চারটি ঈদ পার করা এক খণ্ডকালীন শিক্ষক বলেন, "বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজনে আমরা নিষ্ঠার সঙ্গে ক্লাস নিচ্ছি। কিন্তু দেড় বছর ধরে বেতন না পাওয়ায় চরম সংকটে আছি। বারবার সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো সুনির্দিষ্ট আশ্বাস পাইনি। কখনো বলা হয় ইউজিসি থেকে বাজেট এলে বেতন দেওয়া হবে। এভাবে দীর্ঘদিন ধরে আমরা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছি।"এদিকে শিক্ষার্থীদের একাংশও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক বিভাগের একাডেমিক কার্যক্রম খণ্ডকালীন শিক্ষকদের ওপর নির্ভরশীল। বেতন বন্ধ থাকলে শিক্ষকরা নিরুৎসাহিত হবেন, যা শিক্ষার পরিবেশ ও মানের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তরের উপ-পরিচালক শেখ মোশিকুর রহমান বলেন, "ইউজিসি থেকে অর্থ বরাদ্দ এসেছে। আশা করছি আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে খণ্ডকালীন শিক্ষকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হবে।"বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, "এখানে অধিকাংশ খণ্ডকালীন শিক্ষক ইউজিসির অনুমোদিত পদের বিপরীতে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন। এছাড়া ইউজিসি থেকে প্রয়োজনের তুলনায় কম অর্থ বরাদ্দ পাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তাদের বেতন পরিশোধ করা সম্ভব হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ইউজিসির সঙ্গে একাধিক বৈঠক হয়েছে। আশা করছি, চলতি মাসের মধ্যেই অন্তত বকেয়া অর্থের একটি বড় অংশ পরিশোধ করা যাবে।"
১ সপ্তাহ আগে
সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ এবং ‘ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানীর খোঁজে বিজ্ঞান মেলা’ শীর্ষক কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের সম্মানিত ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও কার্ডিওলজিস্ট ডা. জুবাইদা রহমান।১০ জুন বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের উদ্ভিদবিজ্ঞান ভবনের সেন্ট্রাল গ্যালারিতে তিনি এ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এর আগে কার্জন হল এলাকায় একটি বৃক্ষরোপণ করে তিনি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।এ সময় সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীসহ একাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
২ সপ্তাহ আগে
ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকা (আইএসডি) থেকে এ বছর গ্র্যাজুয়েট সম্পন্ন করা ব্যাচের শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা অর্জনে বিদেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে মোট সতেরো লাখ মার্কিন ডলার সমমূল্যের বৃত্তি পেয়েছেন। সম্প্রতি, রাজধানীর রেডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ ব্যাচের ৩৮ জন শিক্ষার্থী তাদের গ্র্যাজুয়েশন ডিপ্লোমা গ্রহণ করেন। এখন তারা শিক্ষাজীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য প্রস্তুত। ইতোমধ্যেই এ ব্যাচের অনেক শিক্ষার্থী সিডনি ইউনিভার্সিটি, কিংস কলেজ লন্ডন, ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটি, মোনাশ ইউনিভার্সিটি, আমস্টারডাম ইউনিভার্সিটি সহ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ও হংকং – এর শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। আইএসডি থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা শিক্ষার্থী এবং ভ্যালেডিক্টোরিয়ান নিয়াহরাহ মাহবুব নিউরোবায়োলজিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটি, সান ডিয়েগোতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করবেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আমি পর্যবেক্ষণপ্রবণ। প্লেগ্রুপ থেকে আইএসডিতে পড়াশোনার অভিজ্ঞতা আমাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। সময়ের সঙ্গে স্কুল ও আশপাশের পরিবেশের পরিবর্তন দেখে বুঝেছি, আমাদের ছোট ছোট উদ্যোগও অন্যের জীবনে বড় ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।” নিউরোবায়োলজির প্রতি আগ্রহের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, “মানুষকে সাহায্য করার ইচ্ছা থেকেই এ বিষয়ে আমার আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিষয়টি যেমন কঠিন, তেমনি অত্যন্ত আকর্ষণীয়। মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে কাজ করে, তা জানার কৌতূহল এবং অন্যের উপকারে আসার আকাঙ্ক্ষা—এই দুই বিষয় আমাকে এ ক্ষেত্রের প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছে।” ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, “দশ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখব, তা এখনই নিশ্চিত করে বলতে পারি না। তবে নিজের আগ্রহ ও স্বপ্নের প্রতি অটল থাকতে চাই। এমন একটি পেশা বেছে নিতে চাই, যা আমি সত্যিই ভালোবাসি।” অনুষ্ঠানে আইএসডির পরিচালক স্টিভ ক্যালান্ড-স্কোবল বলেন, “আজ শিক্ষার্থীদের হাতে ডিপ্লোমা তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে তাদের কঠোর পরিশ্রম, শিক্ষকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং পরিবারের নিরন্তর সহযোগিতা।” বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন (আইএলও), বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ম্যাক্স টুনন বলেন, “একটি অর্থবহ ক্যারিয়ার এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেতৃত্বের বিকাশের প্রধান ভিত্তি হলো শিক্ষা। আজকের বিশ্বে এমন তরুণদের প্রয়োজন যারা বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা করতে পারে, দ্রুত পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে এবং বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি ধারণ করে। আজ এই কক্ষে শিক্ষার্থীদের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও প্রতিভার বৈচিত্র্য দেখে আমি ভবিষ্যৎ নিয়ে ভীষণ আশাবাদী।” গত ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে আইএসডি বাংলাদেশে একটি শীর্ষস্থানীয় আইবি (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাকালোরিয়েট) স্কুল হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। স্কুলটির অ্যালামনাই নেটওয়ার্কে রয়েছে ৪৫টি ভিন্ন জাতীয়তার ৭০০ জনেরও বেশি প্রাক্তন শিক্ষার্থী, যারা এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১৫টি দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
৩ সপ্তাহ আগে