বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ও শিল্প খাতের জন্য উন্নত এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম সিরিজ নিয়ে এসেছে হুয়াওয়ে। সিরিজটির উন্মোচন উপলক্ষে আজ ঢাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শিল্পখাতের বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ, শিল্পপতি, শিল্পকারখানার স্বত্বাধিকারী এবং ইঞ্জিনিয়ারিং, প্রোকিউরমেন্ট ও কনস্ট্রাকশন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শীর্ষ শিল্প সংগঠনের প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।বর্তমানে শিল্পখাত পরিচালন ব্যয় ও জ্বালানি ব্যবহারের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে গিয়ে চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে হুয়াওয়ের নতুন LUNA2000 সিরিজ একটি কার্যকর সমাধান হতে পারে। দেশীয় বাজারের চাহিদা অনুযায়ী প্রস্তুত করা এই সিস্টেমটি স্থানীয় শিল্পখাতে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় একটি শক্তিশালী, উচ্চ দক্ষতা সম্পন্ন এবং নিরাপদ সমাধান প্রদান করবে।হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও জেসন উ; হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ার বিভাগের এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের কমার্শিয়াল, ইন্ডাস্ট্রিজ এন্ড রেসিডেনশিয়াল বিজনেস ডিপার্টমেন্ট-এর প্রেসিডেন্ট হে লেই; হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউ জিয়ানলং এবং ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চ-এর পরিচালক মো. শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী সিরিজটি উদ্বোধন করেন।হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া রিজিয়নের প্রেসিডেন্ট ও হুয়াওয়ে বাংলাদেশের সিইও জেসন উ বলেন, “বিদ্যুৎ ব্যবহারের দক্ষতা, টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সৌরশক্তির ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি করছে। এখন পর্যন্ত আমাদের ডিজিটাল পাওয়ার সল্যুশনের মাধ্যমে বাংলাদেশে ৪৩০ মিলিয়ন কিলোওয়াট-ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদনে সহায়তা করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এর পাশাপাশি আমাদের প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব হওয়ায় এ পর্যন্ত দেশে দুই লাখ টনেরও বেশি কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে যেমন আমরা এই খাতে উন্নত সমাধান দিয়ে সহায়তা করে আসছি, ভবিষ্যতেও তেমনি সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে চাই।”হুয়াওয়ে সাউথ এশিয়া ডিজিটাল পাওয়ারের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ইউ জিয়ানলং বলেন, “হুয়াওয়ের পিভি ও ইএসএস সমাধান ইতোমধ্যেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আমরা আরও উন্নত এনার্জি স্টোরেজ এনেছি। আমাদের নতুন সল্যুশনে উন্নত নিরাপত্তার জন্য সেল-টু-কনজাম্পশন ডুয়াল-লিংক সেফটি আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে এবং আধুনিক হাইব্রিড কুলিং প্রযুক্তির মাধ্যমে ৯১.৩% রাউন্ড-ট্রিপ দক্ষতা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। এটি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করা এবং শিল্প সক্ষমতা দ্রুত বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”এই নতুন বিইএসএস (ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম)-এ একটি বিশেষ ‘প্যাক অপ্টিমাইজার’ ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাটারির শতভাগ শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করে। এর ফলে ব্যাটারির পূর্ণ সক্ষমতা কাজে লাগানো সম্ভব। পাশাপাশি, একটি 'অ্যাক্টিভ ব্যালেন্সিং মডিউল' ব্যাটারির সক্ষমতা বাড়িয়ে স্টেট অব হেলথ (SOH) উন্নত রাখতে সহায়তা করে। এছাড়া এর স্মার্ট ব্যবস্থাপনা ও পরিচালন ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাটারির চার্জের মাত্রা (SOC) নিয়ন্ত্রণ করে।এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের শিল্পক্ষেত্রে টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা করা হয়। ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর এনার্জি রিসার্চ (CER)-এর পরিচালক মো. শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরী এবং হুয়াওয়ে ডিজিটাল পাওয়ারের হে লেই বর্তমানে শিল্পখাতের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।শাহরিয়ার আহমেদ “বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ: চ্যালেঞ্জ, প্রবণতা ও উদ্ভাবন” নিয়ে তাঁর মতামত তুলে ধরেন। হে লেই “মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা কীভাবে এপ্যাক অঞ্চলের বাণিজ্যিক ও শিল্প ফোটোভোলটাইক (C&I PV) এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (BESS)-এর সুযোগ ও চ্যালেঞ্জকে প্রভাবিত করছে” তা তুলে ধরেন।এছাড়া হুয়াওয়ে ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারাও গ্রাহক পর্যায়ের বেশ কিছু বাস্তব উদাহরণ উপস্থাপন করেন।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ (পেনফিল) স্থানীয়ভাবে উৎপাদনের ঘোষণা দিয়েছে এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ও নভো নরডিস্ক বাংলাদেশ। ডেনমার্ক থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে এই চুক্তিভিত্তিক উৎপাদন বাস্তবায়িত হয়েছে।এই উপলক্ষে সম্প্রতি আয়োজিত “সাবাশ বাংলাদেশ: ডেনমার্ক থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে আধুনিক ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি” শীর্ষক অনুষ্ঠানটি দেশের উচ্চমানের ডায়াবেটিস চিকিৎসা সহজলভ্য করা এবং বায়োলজিক ওষুধ উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশে ইনসুলিন সরবরাহে অগ্রণী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নভো নরডিস্ক নভোমিক্স ও নভোর্যাপিডসহ আধুনিক ইনসুলিন ডেনমার্ক থেকে আমদানি করে আসছে। নতুন এই ব্যবস্থার আওতায় এখন একই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এসব ইনসুলিন কার্ট্রিজ বাংলাদেশেই উৎপাদন করা হবে। এতে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বাড়বে এবং তুলনামূলকভাবে কম খরচে পাওয়া যাবে। প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে প্রিমিক্স ও দ্রুত কার্যকর আধুনিক ইনসুলিন কার্ট্রিজ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রযুক্তি ও উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তৈরি করা হবে। দেশে উৎপাদিত প্রতিটি ব্যাচের গুণগত মান ডেনমার্কে যাচাই করা হবে, যাতে নভো নরডিস্কের বৈশ্বিক মান বজায় থাকে।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, “এই উদ্যোগ আমাদের উন্নত বায়োফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর অগ্রগতিকে তুলে ধরে। এটি জীবনরক্ষাকারী ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত করবে, উচ্চমানের ইনসুলিন সরবরাহ সহজ করবে এবং স্বাস্থ্যখাতে স্বনির্ভরতা অর্জনে সহায়তা করবে।”ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. শামীম হায়দার বলেন, “এই অংশীদারিত্ব স্বাস্থ্যখাতে আমাদের অঙ্গীকারকে আরও দৃঢ় করে- জীবনরক্ষাকারী ওষুধের ক্ষেত্রে গুণমান, নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে ইনসুলিনের মতো জটিল বায়োলজিক ওষুধের ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক মান বজায় রেখে জনস্বাস্থ্যের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেয়, এমন উদ্যোগকে আমরা স্বাগত জানাই।”বাংলাদেশে নিযুক্ত ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার বলেন, “স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং দক্ষতা বৃদ্ধিতে ডেনমার্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব রয়েছে। এসকেএফ-এর সঙ্গে নভো নরডিস্কের প্রযুক্তি হস্তান্তর ও স্থানীয় উৎপাদনের এই উদ্যোগ দেখায়, কীভাবে ডেনিশ উদ্ভাবন মানসম্মত ডায়াবেটিস চিকিৎসা সহজলভ্য করতে পারে, পাশাপাশি দেশের বায়োম্যানুফ্যাকচারিং সক্ষমতাও বাড়াতে সহায়তা করে।”নোভো নরডিস্ক বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. রিয়াদ মামুন প্রধানি বলেন, “এই স্থানীয় উৎপাদন অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশে আধুনিক ইনসুলিনের প্রাপ্যতা বাড়াতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছি। এ উপলক্ষে নভোমিক্স ও নভোর্যাপিড ইনসুলিনের দাম ১৮% কমানো হচ্ছে, তবে গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না।”ট্রান্সকম লিমিটেডের গ্রুপ প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সিমিন রহমান বলেন, “আজ আমরা একটি গর্বের মুহূর্তের সাক্ষী। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে ডেনমার্ক থেকে প্রযুক্তি হস্তান্তরের ভিত্তিতে বাংলাদেশে নভো নরডিস্কের প্রথম আধুনিক পেনফিল ইনসুলিন কার্ট্রিজ উৎপাদন শুরু হলো। এই অর্জন প্রমাণ করে, বাংলাদেশ উন্নত প্রযুক্তি গ্রহণে প্রস্তুত এবং উচ্চমানের বায়োফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদনের একটি নির্ভরযোগ্য কেন্দ্র হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে।” বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখের বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। ধারণা করা হচ্ছে, ২০৪৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা প্রায় ২ কোটি ২০ লাখে পৌঁছাবে। ফলে নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত চিকিৎসার প্রয়োজন আরও বাড়ছে। নভো নরডিস্ক ১৯৫৭ সাল থেকে বাংলাদেশে ইনসুলিন সরবরাহ করছে। প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্যসেবা অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে ডায়াবেটিস চিকিৎসার উন্নয়ন এবং জীবনরক্ষাকারী ওষুধের প্রাপ্যতা বাড়াতে ভূমিকা রাখছে। ২০১২ সাল থেকে তারা দেশে হিউম্যান ইনসুলিন ভায়াল উৎপাদন করছে, যা বৈশ্বিক উৎপাদন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিদেশেও রপ্তানি করা হয়। ট্রান্সকম গ্রুপের মালিকানাধীন এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড ১৯৯০ সাল থেকে উচ্চমানের ওষুধ উৎপাদন করে আসছে।
৩ দিন আগে
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত ডিজিটাল শিক্ষা আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার লক্ষ্যে একসাথে কাজ শুরু করলো দেশের শীর্ষস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন এবং বাংলাদেশের অন্যতম আধুনিক শিক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান শিখো।সম্প্রতি জিপিহাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম এবং শিখোর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শাহীর চৌধুরী এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান; হেড অব ডিজিটাল বিজনেস জাহিদুজ জামান; হেড অব ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেট কমিউনিকেশনস ও স্কিট্টো নাফিস আনোয়ার চৌধুরী; হেড অব কনটেন্ট বিজনেস শোমাইল আতাহার; এবং হেড অব প্ল্যাটফর্ম বিজনেস কাজী রাশেদ আব্দাল্লাহ। শিখোর পক্ষ থেকে চিফ অপারেটিং অফিসার ইশমাম চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন।এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে গ্রামীণফোন তাদের ডিজিটাল সেবার আওতায় শিখোর প্রিমিয়াম গণিত কোর্সটি মাইজিপি অ্যাপে অন্তর্ভূক্ত করবে। মাইজিপি অ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা মূল্যছাড়ে এই সুবিধাটি গ্রহণ করতে পারবে। এই উদ্যোগটি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের, বিশেষ করে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হবে। পাশাপাশি এটি অভিভাবকদের জন্য সাশ্রয়ী ও নির্ভরযোগ্য শিক্ষার একটি নিশ্চয়তা প্রদান করবে। ফলে শিক্ষার্থীরা এক জায়গাতেই গোছানো এবং মানসম্মত সব শিক্ষামূলক কন্টেন্ট পাবে।অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের চিফ প্রোডাক্ট অফিসার সোলায়মান আলম বলেন, “ডিজিটাল শিক্ষার চাহিদা বাড়তে থাকায় প্রযুক্তির মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গ্রামীণফোনের অঙ্গীকারকে আরও সংহত করবে এই পার্টনারশিপ। শিখোর সঙ্গে পার্টনারশিপের মাধ্যমে গ্রাহককেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছি আমরা। মাইজিপি প্ল্যাটফর্মে নিশ্চিত করা হয়েছে উচ্চমানের শিক্ষা-সংক্রান্ত কনটেন্ট, সংযোগ সুবিধা, এবং সহজ পেমেন্টের সুবিধা। এর ফলে আমাদের ২ কোটি ২৩ লাখ মাসিক সক্রিয় মাইজিপি অ্যাপ ব্যবহারকারী সহজেই শিখোর প্রিমিয়াম কোর্সটি গ্রহণ করতে পারবে। এই উদ্যোগ মানসম্মত শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী করার পাশাপাশি গ্রাহক উপযোগিতা এবং শিক্ষার সুফলকে আরো বাড়িয়ে তুলবে।”শিখোর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও শাহীর চৌধুরী বলেন, “প্রযুক্তি তখনই অর্থবহ হয়ে ওঠে, যখন তা অভিজ্ঞতার সাথে মিশে যায়। গ্রামীণফোনের সাথে আমরা এমন এক অভিজ্ঞতা গড়ে তুলছি, যা লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য কোনো বাধা ছাড়াই পড়াশোনার এক সহজ সল্যুশন। কোনোকিছুর অ্যাকসেস তখনই কার্যকর হয়ে ওঠে, যখন তা খুঁজে পাওয়া, তার পেমেন্ট করা এবং শেখা সবকিছু- একসাথে একই জায়গায় পাওয়া যায়। আর এভাবেই আসে বড় বড় সব পরিবর্তন।”
৩ দিন আগে
ব্রাজিলিয়ান ফুটবল তারকা রাফিনহাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করেছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ ঘিরে বিশ্বজুড়ে যখন ফুটবল উন্মাদনা বাড়ছে, ঠিক সেই সময় এই ঘোষণা দিলো ব্র্যান্ডটি। তরুণ দর্শকদের সাথে রিয়েলমির সংযোগ আরও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এটি।গতি, সৃজনশীলতা ও ম্যাচ জেতানোর দক্ষতার জন্য পরিচিত রাফিনহা আধুনিক ফুটবলের অন্যতম গতিশীল খেলোয়াড় হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে তিনি এফসি বার্সেলোনা ও ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে খেলছেন। আভাই ফুটবল ক্লাবে তার পেশাদার ফুটবলের যাত্রা শুরু হয়েছিল।মাঠের পারফরম্যান্সের বাইরেও, রাফিনহা কমিউনিটির উন্নয়ন ও তরুণদের জন্য বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগে সহায়তা করার জন্য পরিচিত। যা তরুণদের ক্ষমতায়ন ও সীমানা অতিক্রম করার অনুপ্রেরণা দেওয়ার ক্ষেত্রে রিয়েলমির ভিশনের সঙ্গে দারুণভাবে মিলে যায়। আর এর মধ্য দিয়ে আবেগপ্রবণ ও উচ্চাকাঙ্ক্ষী তরুণ ব্যবহারকারীদের সাথে আরও গভীরভাবে কাজ করতে চায় রিয়েলমি।এ বিষয়ে রাফিনহা বলেন, “ফুটবলের জন্য এমন একটি বিশেষ সময়ে রিয়েলমির সাথে যুক্ত হতে পেরে আমি অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। আমাদের শক্তি একই, নতুন প্রজন্মের সাথে সংযুক্ত হওয়া; যারা এই খেলাটিকে আবেগ ও সীমাহীন উদ্দীপনা নিয়ে যাপন করে। সামনে ফ্যানদের জন্য আরও অনেক অনুপ্রেরণাদায়ক বিষয় আসছে। এই যাত্রার অংশ হতে পেরে আমি গর্বিত।”এই সহযোগিতার অংশ হিসেবে রাফিনহা ‘দ্য আর প্রফেসি’ ধারণা থেকে অনুপ্রাণিত ‘মেক ইট রাফিনহা, মেক ইট রিয়েলমি’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনের নেতৃত্ব দেবেন। ক্যাম্পেইনটি প্রতিভা ও দৃঢ় সংকল্প কীভাবে রোনালদো, রোমারিও ও পেলের মতো কিংবদন্তি ফুটবল তারকাদের ধারাবাহিকতায় নতুন প্রজন্মের জন্য অসাধারণ সাফল্যের পথ তৈরি করতে পারে তা তুলে ধরবে।
৪ দিন আগে