বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে রাজধানীর পান্থপথে মাদল শস্যভাণ্ডারে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনের প্রতিপাদ্য ছিল— “আমি তোমাদেরই লোক”।বিকেল ৫টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বহুমাত্রিক ফাউন্ডেশনের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি সাইদুজ্জামান রওশন, সাধারণ সম্পাদক শাকিল মাহবুব, নাটোর লালপুর বহুমাত্রিকের সভাপতি আরিফসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।অনুষ্ঠানের সূচনায় কবিতা আবৃত্তি করেন বহুমাত্রিকের সদস্য সুমিত পাল। এছাড়া আবৃত্তি পরিবেশন করেন লায়লা নারগিস পলি, শামিমা আক্তার মলি, আল নোমান ও ফৌজিয়া হিয়া।সংগীত পরিবেশন করেন শিশু শিল্পী বাংলা। আবৃত্তি করে যমজ দুই বোন আয়রা ও আয়জা। এছাড়াও গান পরিবেশন করেন ঢাকা কমিটির সভাপতি রোকেয়া ইয়াসমিন বর্ণা এবং প্রশিক্ষণ সম্পাদক অসীম রায়।রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গানের সঙ্গে একক নৃত্য পরিবেশন করেন সংগঠনের সহ-সভাপতি রওনক ফেরদৌস রাকা। অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে অতিথিদের সামনে কবিগুরুর গৌরবময় জীবন, সাহিত্যকর্ম ও দর্শন নিয়ে আলোচনা তুলে ধরেন শামিমা আক্তার মলি, আসমা সাদিয়া ও উর্বশী।অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “শেষের কবিতা” থেকে অংশবিশেষ পাঠ করেন সংগঠনের সদস্য সুইটি। এছাড়া “গীতাঞ্জলি” থেকে “আবার এসেছে আষাঢ়” আবৃত্তি করেন মোহতারিমা রহমান।আগত অতিথিদের উদ্দেশ্যে সাইদুজ্জামান রওশন বলেন, “রবীন্দ্রনাথ যেমন বলতে পেরেছেন— ‘আমি তোমাদেরই লোক’, বহুমাত্রিকের সদস্য হিসেবে আমরাও যেন সমাজের নানা কল্যাণমূলক কাজের মাধ্যমে বলতে পারি— ‘আমি তোমাদেরই লোক’।”এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জুহি, মনিরা মনি, রাকা, উর্বশী, আলিসা, সহাগ বাবু, সাদিয়া, আকাশ, রিয়া, কাজল, মুকিত, নাওমি, মৌরি, বেলাল, রামিম, সুবিমল চাকমা, আশিক, আনন্দময়ী, দোলন ও সাথী।
১ সপ্তাহ আগে
আমি এক নষ্ট কবি - কলমে বিষাক্ত পাপ।আমার সাদা শার্টে কফির কালচে দাগ।রাত গভীর হলে আমার শব্দরা মেলে দেয় ডানা।পুরনো স্মৃতিরা দেয় হানা। আমি যা লিখি তা গল্প নয় - আমার স্বীকারোক্তি।সভ্যতার মুখে ছুঁড়ে মারি আমি অবজ্ঞার মার্জিত বিরক্তি।আমার এক পকেটে ভাঙা স্বপ্ন আর আঙুলে নিকোটিনের ঘ্রাণ।বাতাসে লিখে রাখি বিষাক্ত পিছুটান।আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকিয়ে হাসি। ভাবি - কতটা নষ্ট আমি!মানুষগুলো বড্ড বেশি পবিত্র হতে চায়আমি না হয় নষ্টই রয়ে গেলাম, নিজের অন্ধকারকে লিখে রাখব বলে।
১ মাস আগে
অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২৬-এ প্রকাশ পেয়েছে সাংবাদিক, কবি তৌহিদুর রহমানের কাব্যগ্রন্থ "হৃদয় পোড়া গন্ধ"। মেলার বাংলা একাডেমী প্রাঙ্গনে ৫৫৭ নম্বর স্টলে কাব্যগ্রন্থটি পাওয়া যাচ্ছে। প্রায় ৮০টি কবিতা সংবলিত গ্রন্থটি পাঠকদের আকৃষ্ট করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এছাড়া বইটি পাওয়া যাবে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি ও বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন কার্যালয়ে।
২ মাস আগে
সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল বই কেনাবেচার স্থান নয়, এটি আমাদের ভাষা, সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার চর্চার এক গুরুত্বপূর্ণ মিলনমেলা।শনিবার (৭ মার্চ) অমর একুশে বইমেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মও উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে তারা মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশক, লেখক ও পাঠকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।পরিদর্শনের অংশ হিসেবে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী বেশ কয়েকটি নতুন বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন। এর মধ্যে রয়েছে সোনিয়া হোসেন রচিত ‘টিনএজদের বলছি’ এবং সৈয়দ দিদার বখত রচিত ‘দাদুর মুখে ভাষা আন্দোলন’ সহ আরও কয়েকটি নতুন প্রকাশনা।সংস্কৃতি মন্ত্রী বলেন, একটি অন্ধকার সময়ের অবসান ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার সাংস্কৃতিক বিকাশ, সৃজনশীলতা এবং মুক্তচিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনাকে ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের বই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বইমেলাকে কেন্দ্র করে প্রকাশনা শিল্পের প্রসার এবং নতুন লেখকদের সৃষ্টিশীল উদ্যোগকে স্বাগত জানান।মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী, সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকসহ দেশের বিশিষ্ট কবি, সাহিত্যিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।এ সময় প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বইমেলার মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে লেখক, প্রকাশক ও পাঠকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। শেষে সংস্কৃতি মন্ত্রী বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকাশে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।
২ মাস আগে