দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৭৩৩ জন।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৯১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯১ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) ৩৮৮ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৭০ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৪৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩০২ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১১০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪৫ জন, রংপুর বিভাগে ৮৬ জন এবং সিলেট বিভাগে ৭ জন রয়েছেন।এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৭০ জন।
২০ ঘন্টা আগে
সেভ দ্য চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে এবং ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব সাব্সটেন্স ইউজ প্রোফেশনালস (আইস্যাপ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সহযোগিতায় বাংলাদেশে এইচআইভি প্রতিরোধ কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের জন্য দুই দিনব্যাপী মানবাধিকারভিত্তিক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণে মানবাধিকার, এইচআইভি প্রতিরোধ, জনস্বাস্থ্য, লিঙ্গ-সংবেদনশীল আইন প্রয়োগ, মানসিক স্বাস্থ্য এবং অধিকারভিত্তিক সেবা প্রদানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও অংশগ্রহণমূলক সেশন অনুষ্ঠিত হয়।প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোহাম্মদ গোলাম আজম। স্বাগত বক্তব্য দেন সেভ দ্য চিলড্রেন-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত।প্রশিক্ষণে সেশন পরিচালনা করেন সেভ দ্য চিলড্রেন-এর এজাজুল ইসলাম চৌধুরী, আইসিডিডিআর,বি-এর ড. মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম খান, সাবেক ইউএনএইডস বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. সাইমা খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় এইডস/এসটিডি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির পরিচালক ড. খাইরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।আইএসএসইউপি ও আইএসএসইউপি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কার্যক্রম, লক্ষ্য ও ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করেন ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সেক্টরের সিনিয়র সাইকোলজিস্ট ও অ্যাডিকশন প্রফেশনাল এবং আইএসএসইউপি বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের কমিউনিকেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ার রাখী গাঙ্গুলী।দ্বিতীয় দিনে কে. এস. এম. তারিক, এজাজুল ইসলাম চৌধুরী, পিএসটিСি-এর তাজুল ইসলাম, ইউএনওডিসি বাংলাদেশ অফিসের এইচআইভি কো-অর্ডিনেটর মোঃ আবুতাহের এবং রাখী গাঙ্গুলী বিভিন্ন বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন। রাখী গাঙ্গুলী মানসিক স্বাস্থ্য ও মানবাধিকারের সম্পর্ক এবং কাউন্সেলিং কেস স্টাডি নিয়ে অংশগ্রহণমূলক সেশন পরিচালনা করেন।প্রশিক্ষণে বক্তারা বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষিত হলে জনস্বাস্থ্য আরও শক্তিশালী হয়। এইচআইভি প্রতিরোধ ও সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে বৈষম্যহীন, মানবিক, নিরাপদ ও অধিকারভিত্তিক পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি।মানবাধিকার ও জনস্বাস্থ্যের সমন্বিত দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে আরও মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর এইচআইভি প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে দুই দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
২১ ঘন্টা আগে
দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৩০ জনে।সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ হাজার ১৭৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭২ হাজার ৭২০ জনে।এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৫৫ জন। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ১২৪ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৫২ হাজার ১১৭ জন। একই সময়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৪০০ জন।বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম আক্রান্ত কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি। তবে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হাম আক্রান্ত হয়ে ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে।অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম সন্দেহে আট শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩০ জনে।সব মিলিয়ে দেশে নিশ্চিত হাম ও হাম উপসর্গে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৩০ জনে পৌঁছেছে।
২১ ঘন্টা আগে
মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে নতুন করে ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও এক ৫৬১ জন। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত) ডেঙ্গু আক্রান্তদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৩০৭ জন ঢাকার বিভাগের (মহানগর বাদে) হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ১৭৬ জন (সিটি করপোরেশন বাদে), ঢাকা বিভাগে ১৪৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০৮ জন, খুলনা বিভাগের ২৭৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৮১ জন, সিলেট বিভাগে ৬ জন, রংপুর বিভাগে ১০৪ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৩ জন ভর্তি হয়েছেন।এদিকে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪৮ দশমিক ৬ শতাংশ পুরুষ ও ৫১ দশমিক ৪ শতাংশ নারী। এই সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৫১ হাজার ৮৩৭ জন।
১ দিন আগে