সারাদেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মারা গেছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৫ শিশু এবং নিশ্চিত হামে এক শিশু মারা গেছে।রোববার (১৭ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামের উপসর্গে ৫ শিশু এবং নিশ্চিত হামে ১ শিশু মারা গেছে। এ সময় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ২৪৩ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২৭৪ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৫৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৭৫ শিশুর এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৮৪ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৭ হাজার ৭৬৭ শিশু। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৭ হাজার ৮৪৬ শিশু।
১২ ঘন্টা আগে
দেশে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৯ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে। ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫৩ জনে।শনিবার (১৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত এক দিনে সিলেট বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৫৩ জনে।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ১০৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে আরও ৯৬১ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে ৫৬ হাজার ৫৭২ জনের মধ্যে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭ হাজার ৫২৪ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে মোট ৪১ হাজার ২৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৩৬ হাজার ৬৪৫ জন।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের নিয়মিত টিকাদান নিশ্চিত করা এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা না গেলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
১ দিন আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চারজনের হাম রোগ নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিরা সন্দেহজনক হাম রোগে মারা গেছে, অর্থাৎ তাদের শরীরে হামের উপসর্গ ছিল। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (১৫ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এই ১২ জনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হামে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪ জনে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৭৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ১১১ জন নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ৪১৬ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় ১ হাজার ১৯২ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে এ পর্যন্ত মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ৬১১ জনে।মারা যাওয়া ১২ জনের মধ্যে পাঁচজনই ঢাকা বিভাগের। এর মধ্যে ২ জনের হাম রোগ ধরা পড়েছে, ৩ জনের সন্দেহজনক হাম বা হামের উপসর্গ ছিল। এছাড়া মৃত বাকিদের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে চারজন, বরিশালে একজন, ময়মনসিংহে একজন এবং সিলেট বিভাগের একজন রয়েছে।
২ দিন আগে
হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৬ শিশু এবং নিশ্চিত হামে এক মিশু মারা গেছে।বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে ৬ শিশু এবং নিশ্চিত হামে এক মিশু মারা গেছে। এ সময় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১৫৫ শিশু এবং সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৩৬৩ শিশু। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন র্পন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৪৩৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মৃত্যু হয়েছে ৭০ শিশুর এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৩৬৯ শিশু। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে (পরীক্ষায় প্রমাণিত) ৭ হাজার ৩০৫ শিশু। আর সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৪ হাজার ৪১৯ শিশু।
৩ দিন আগে