দেশে হাম পরিস্থিতির অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ৩১৮ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। একই সময়ে হাম উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ৬ জন। এ ছাড়া পরীক্ষায় ৮২ জনের হাম সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ২ লাখ ৩২ হাজার ৮২৩ জন। এ সময় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৭৩ জন।বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৫৪৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন ঢাকা বিভাগে। একই সময়ে এই বিভাগে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন আরও একজন।সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৮ জনে। এর মধ্যে ১০৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিতভাবে হামজনিত বলে শনাক্ত হয়েছে।এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৩১৮ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ হাজার ২০৪ জন। গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন মোট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ জন।
৩ ঘন্টা আগে
মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারাদেশে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৭০ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৩৩ জনে। অন্যদিকে একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ১ লাখ ৩ হাজার ৯৩৪ জন।সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।এদিকে মাস হিসেবে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে অক্টোবরে। সদ্য বিদায়ী এ মাসে এডিস মশাবাহিত রোগটিতে প্রাণ গেছে ১৭৪ জনের। গত সেপ্টেম্বরে সর্বোচ্চ ১৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল।এর আগে গত বছর সারাদেশে ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। মারা যান ৪১৩ জন। তার আগে ২০২৪ সালে আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ জন এবং মারা যান ৫৭৫ জন।
১ দিন আগে
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও হাম উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৫৪৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে।সোমবার (২ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে জানানো হয় এ তথ্য।এতে বলা হয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গ নিয়ে বরিশাল, রংপুর ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৫ জন এবং উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৫৭ জনে।বিভাগভিত্তিক হিসাবে, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে ৬২৫ জন, রাজশাহীতে ৪৬ জন, সিলেটে ১৪৫ জন, চট্টগ্রামে ৩১১ জন, বরিশালে ১৫০ জন, ময়মনসিংহে ১০২ জন, খুলনায় ১২৫ জন এবং রংপুরে ৩৯ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ২ লাখ ৬ হাজার ১৬৮ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪৮ জন চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে।এদিকে, গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ৫০৫ জনে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৯৯১ জন।
১ দিন আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯২৯ জন।রোববার (১ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৪২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে অক্টোবরেই মারা গেছেন ১৭৪ জন। এছাড়া সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জন, আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।বুলেটিনে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৮৩১ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২৫৭ জন, খুলনায় ২৫৯ জন, বরিশালে ২২৯ জন, রাজশাহীতে ১৮৫ জন, ময়মনসিংহে ৯২ জন, রংপুরে ৭৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ১ হাজার ১৯২৯ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯২৯ জনে এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ৩০ হাজার ৩৮৮ জন।
২ দিন আগে