মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন করে রোগটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৭ জন।রোববার (৩০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।এ নিয়ে চলতি বছরে রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩ জনে। একই সময়ে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ৩৪ হাজার ৬৮৩ জন।প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া তিনজনের মধ্যে একজন ঢাকা বিভাগের, একজন চট্টগ্রামের এবং অন্যজন খুলনা বিভাগের। প্রতিবেদন আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১০৯৭ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৪৪৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৮১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১১৬ জন, খুলনা বিভাগের ২৪৩ জন, রাজশাহী বিভাগের ৭৬ জন, রংপুর বিভাগের ৬ জন, বরিশাল বিভাগের ১২৩ জন এবং সিলেট বিভাগের ৩ জন রোগী রয়েছেন।অন্যদিকে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩৪ হাজার ৬৮৩ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৩ হাজার ৭২০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ১ হাজার ৮২২ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ হাজার ৩১৮ জন, খুলনা বিভাগের ৫ হাজার ২৮৭ জন, রাজশাহী বিভাগের ১ হাজার ৭৭৯ জন, রংপুর বিভাগের ৮৮৬ জন, বরিশাল বিভাগের ৫ হাজার ৭০৬ জন এবং সিলেট বিভাগের ১৬৫ জন রোগী রয়েছেন।এছাড়া চলতি বছরে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩২ হাজার ১৮৯ জন। বর্তমানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ২ হাজার ৪০২ জন।
১৯ ঘন্টা আগে
দেশে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ৫১৬ জন।আজ রোববার (৩০ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮৬৮ শিশুর। আর নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯ শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯৬৭ শিশু মারা গেছে।এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় ৩৬৫ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ১৫১। এই সময়ে ১ হাজার ৯০ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ১ হাজার ২৮ শিশু।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮২৯, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৯ হাজার ২১৮। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ৩৭ হাজার ৩৪৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার ২৯২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
২১ ঘন্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরো দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৯৬ জন।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৯০ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে আগস্ট মাসে মারা গেছেন ৩৬ জন। এ ছাড়া জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দুজন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।শনিবার (২৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৯৯৪ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৩ হাজার ৫৮৬ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড় পেয়েছেন ৯৭৫ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১ হাজার ৩৯৭ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিভাগে, ৩৯১ জন। এ ছাড়া খুলনা বিভাগে ২৬৩ জন, বরিশালে ১৩৪, চট্টগ্রামে ১০৩, ময়মনসিংহে ৪৫ এবং রাজশাহীতে ৩৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
১ দিন আগে
সংক্রামক ও তীব্র ভাইরাসজনিত রোগ হামের উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও তিনজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ৯৪৩ জন।শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।প্রতিবেদন বলছে, গত ১৫ মার্চ থেকে শনিবার পর্যন্ত সারাদেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৯৬৩ জনের প্রাণহানি হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে মারা গেছে ৯৯ জন এবং হামের উপসর্গে ৮৬১ জন।প্রতিবেদন আরও বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মাঝে নিশ্চিত ৫৭ জন এবং হামের উপসর্গ রয়েছে ৮৮৬ জনের শরীরে।এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৮ হাজার ৮৫৩ জনে এবং মোট হামের উপসর্গ মিলেছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৭৮ জনের শরীরে।এছাড়া চলতি বছরে সারাদেশের হাসপাতালে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৭ জন রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ জন।
১ দিন আগে