সারাদেশে হামের প্রকোপ কমার লক্ষণ নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৭০ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন, যার মধ্যে ১১৪ জনের শরীরে পরীক্ষায় হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে।মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে ৮৬৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ সময় নিশ্চিত হামরোগী পাওয়া গেছে ১১৪ জন। সব মিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত সন্দেহে রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৭৭ জন। একই সময়ে পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৬৫।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত সন্দেহে ৮৪ হাজার ৬২৭ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৮০ হাজার ৯৭৪ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত সন্দেহে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬২৫ জনে দাঁড়িয়েছে।তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাবে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ৯৩ জন।
৬ ঘন্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ সময়ে নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭১৬।সোমবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়। এই হিসাব রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, হামে নিশ্চিত মৃত্যুর সংখ্যা ৯৩। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬২৩ জন। হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগে দুইজন এবং ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগে একজন করে মারা গেছে।গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪১ নিশ্চিত হামের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১১ হাজার ৮৫১ জন। একই সময়ে ১ হাজার ৪ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এতে করে মোট সন্দেহভাজন সংক্রমণের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২১১ জনে।
১ দিন আগে
ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি মাসে ডেঙ্গুতে ১৩ জনের মৃত্যু হলো। আর চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ১৮ জনে। সোমবার (২৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সবশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকাল আটটা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় যে পাঁচ ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে দুজন চট্টগ্রাম বিভাগের, একজন ঢাকা উত্তর সিটি কপোরেশন এলাকার, একজন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার এবং একজন ময়মনসিংহ বিভাগের বাসিন্দা। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ১২৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৫ হাজার ৯২৪ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০০ জনসহ এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫ হাজার ৪৫৫ জন।চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে মাসের শেষ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। জানুয়ারিতে দুইজন, ফেব্রুয়ারিতে দুইজন, মে মাসে একজনের মৃত্যু হয়।ডেঙ্গুতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মারা যাওয়া ১৮ জনের মধ্যে ১০ জন পুরুষ ও ৮ জন নারী। এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হওয়া ৫ হাজার ৯২৪ জনের মধ্যে ৩ হাজার ৬৭৯ জন পুরুষ ও ২ হাজার ২৪৪ জন নারী।
১ দিন আগে
সারাদেশে ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কর্মসূচি কয়েক দিন ধরে চলবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি জানান, প্রথম দিনে কোনো শিশু বাদ পড়লে পরবর্তী দিনগুলোতে তাকে এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে, যাতে কোনো শিশুই এই কর্মসূচির বাইরে না থাকে।সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেন, সারাদেশে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। প্রথম দিন কোনো শিশু বাদ পড়লে দ্বিতীয় দিন খাবে, দ্বিতীয় দিন বাদ পড়লে তৃতীয় দিন, তৃতীয় দিন বাদ পড়লে চতুর্থ দিন-এভাবে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম চলবে।রোববার (২৮ জুন) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন হলে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শিশুদের শুধু ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ালেই হবে না, মায়ের দুধও খাওয়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধে জন্মের পরপরই শিশুকে মায়ের শাল দুধ খাওয়াতে হবে। শালদুধের চেয়ে বড় ভিটামিন আর কিছু হতে পারে না। এছাড়া শিশুদের পানি, মধু, চিনি ও সুষম খাবার খাওয়াতে হবে। এতে শিশুদের শরীরে পুষ্টি তৈরি হবে।তিনি বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়। সেই সঙ্গে হামসহ নানা রোগ প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন।সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিগত সরকারের কাছ থেকে পর্যাপ্ত টিকার মজুত না পাওয়ায় হাম শিশুদের মারাত্মকভাবে আক্রমণ করেছিল। ক্ষমতা গ্রহণের পর আমাদের হাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুলও ছিল না। ইউনিসেফের মাধ্যমে আমরা পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সংগ্রহ করেছি। বর্তমানে আমাদের হাতে লাল ও নীল রঙের ২ কোটি ৬০ লাখ ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল রয়েছে। এই ক্যাম্পেইনে ২ কোটি ৫৫ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।টিকার মান কেমন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, টিকার মান অত্যন্ত ভালো। একটি কনফারেন্সে অংশ নিয়েছি, সেখানে ইউনিসেফের সঙ্গে টিকার মান নিয়ে আলোচনা হয়েছে। অত্যন্ত উন্নত মানের টিকা সংগ্রহ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক পরীক্ষাগারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আমরা দেশে টিকা এনেছি।এ সময় স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান ও অধ্যাপক ডা. ফোয়ারা তাসমীম এবং জনস্বাস্থ্য পুষ্টি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইউসুফ আলীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
২ দিন আগে