হৃদরোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হার্টের রিং বা করোনারি স্টেন্টের (স্টেন্ট) পুনঃনির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নের নির্দেশনা দিয়ে দেশের হাসপাতালগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর (ডিজিডিএ)।মঙ্গলবার (৯ জুন) অধিদফতর থেকে এই চিঠি পাঠানো হয়। এতে সই করেন মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. আলমগীর হোসেন।চিঠিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানিকৃত বিভিন্ন ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে। ঔষধ প্রশাসন অধিদফতরের স্মারক অনুযায়ী, ট্যাক্স, ভ্যাট, বিভিন্ন চার্জ-কমিশন এবং আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের যৌক্তিক মুনাফা বিবেচনায় নিয়ে স্টেন্টগুলোর নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য এর আগে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছিল। পরে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মূল্য পুনর্বিবেচনার আবেদন বিশেষজ্ঞ কমিটির সপ্তম সভায় পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের গঠিত বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির পঞ্চম ও ষষ্ঠ সভার সুপারিশের আলোকে স্টেন্টের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়। এরপর গত ১৩ মে অনুষ্ঠিত কমিটির সপ্তম সভায় মূল্য সংক্রান্ত আপত্তি ও আবেদনগুলো পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চিঠিতে হাসপাতালগুলোর জন্য চারটি জরুরি নির্দেশনা দেয়া হয়। এগুলো হলো- হার্টের রিংয়ের নতুন মূল্য তালিকা সংশ্লিষ্ট সকল হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রদর্শন করতে হবে। রিংয়ের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য বা এমআরপি অনুসরণ করে ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে এবং এটিকে কোনোভাবেই চিকিৎসা প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না । দামের বিষয়ে চিঠিতে জানানো হয়, আমদানিকারকরা বিভিন্ন মডেলের হার্টের রিংয়ের দাম সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। সিলিন কাভার্ড স্টেন্ট বা রিংয়ে দাম ১ লাখ ৯ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার টাকা। এছাড়া ম্যাগমা র্যাপামাইসিন রিংয়ের দাম ৩৭ হাজার থেকে কমিয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
৯ ঘন্টা আগে
হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যু এবং সংক্রমণ। সংক্রমণ ও মৃত্যুর এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা জনস্বাস্থ্যে নতুন করে দুশ্চিন্তা তৈরি করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে চেষ্টা করছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৯৮০ জন আক্রান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে মোট ৬৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যু হয়েছে ৯২ জন শিশুর, আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৫৩৯ জন।এছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে পরীক্ষায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ হাজার ৮৩৩ জনে। একই সময়ে উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬৬ হাজার ১৭০ জন।স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
১২ ঘন্টা আগে
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম এবং উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৮৫ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে।সোমবার (৮ জুন) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হাম বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৩৬টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯২টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬২৮টি শিশু মারা গেছে।
১ দিন আগে
রাজধানীর আদ্-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলায় ৬ শিশুর মৃত্যু ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটিকে করা শোকজের জবাব দিতে প্রতিষ্ঠানটিকে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়েছে সরকার।রোববার (৭ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস।স্বাস্থ্য অধিদফতরের ডিজি বলেন, আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে ৭২ ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছিল শোকজের জবাব দেয়ার জন্য। সময় হওয়ার আগেই তারা ৪৮ ঘণ্টা সময় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করেছে। প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক অধিদফতরে এসেছিল।অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, আমরা আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় দিয়েছি, এরমধ্যে তাদেরকে শোকজের জবাব দিতে হবে।এর আগে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতর ৪ জুন কারণ দর্শানোর নোটিশ দেন। এর জবাব দিতে আজ বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। নতুন করে ৪৮ ঘণ্টা বৃদ্ধির ফলে শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য ৯ জুন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সময় পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল।
২ দিন আগে