রৌমারী প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬ রাত ১০:৪৪:২৪
রৌমারীতে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অনুমতি ইউএনও’র
সভায় সীমান্ত পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলার সার্বিক অবস্থা, বিভিন্ন হাট-বাজারে অতিরিক্ত টোল আদায়ের অভিযোগ, অবৈধ দোকানপাট স্থাপন, ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধ বালু উত্তোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সরকার, আব্দুর রাজ্জাক, এসএম রেজাউল করিম, নজরুল ইসলাম, একেএম সাইদুর রহমান দুলাল ও সরবেশ আলী, রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ কাওসার আলী, বিজিবি রৌমারী সদর কোম্পানি কমান্ডার, এমপির প্রতিনিধি, উপজেলা জামায়াতের আমির হায়দার আলী, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জুসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা।
সভায় ইউএনও আলাউদ্দিন জানান, ১৪৩২ সালের টোল আদায়ের তালিকা অনুযায়ী প্রতি গরু, মহিষ ও ঘোড়ার টোল ৫০০ টাকা এবং প্রতি ছাগল ও ভেড়ার টোল ২৫০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
তবে সাংবাদিকদের তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে এবং রৌমারী হাট-বাজারের ইজারাদার শাকিল আহমেদ সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে প্রতি গরু, মহিষ ও ঘোড়ার ক্রেতা-বিক্রেতার কাছ থেকে ৮০০ টাকা এবং প্রতি ছাগল ও ভেড়ার জন্য ৩০০ টাকা করে টোল আদায় করছেন।
পরে সভায় অভিযোগগুলো আমলে না নিয়ে ইউএনও আলাউদ্দিন নিজ সিদ্ধান্তে প্রতি গরু, মহিষ ও ঘোড়ার টোল ৭০০ টাকা এবং ছাগল-ভেড়ার টোল ৩০০ টাকা নির্ধারণ করে দেন। তার এ সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রৌমারী হাট-বাজারের ইজারাদার শাকিল আহমেদের পিতা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক বলেন, “হাটের ইজারামূল্য অনেক বেশি হয়েছে। এছাড়া ২৫ শতাংশ ভ্যাট-ট্যাক্স ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে হাটে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই শুধুমাত্র গরুর টোলের ক্ষেত্রে ২০০ টাকা বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছিল।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলাউদ্দিন বলেন, “ইজারাদার পক্ষের দাবির প্রেক্ষিতে ২০০ টাকার পরিবর্তে ১০০ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র পবিত্র ঈদুল আজহা পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।”