শিক্ষার্থীদের টানা আন্দোলনের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি নিজেই এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন।কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ককরোচ জনতা পার্টির তৃতীয় দফার আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে শিক্ষামন্ত্রী এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন।নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা ছাত্র আন্দোলনের মূল এবং প্রথম দাবিই ছিল শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের অপসারণ। অবশেষে তাঁর এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিটি বাস্তবায়নের পথে এগোল।
৪ ঘন্টা আগে
ভারতের বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী ককরোচ জনতা পার্টির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা করে শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্ত করার জোরালো দাবি জানিয়েছেন। শনিবার (২৫ জুলাই) এনডিটিভিতে প্রকাশিত এক সংবাদে এই তথ্য জানানো হয়েছে।শিক্ষার্থীদের পাশে রেখে রাহুল গান্ধী জানান যে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে সরিয়ে দেওয়া আন্দোলনকারীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না, তাকে সরকার থেকেই বের করে দিতে হবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গভীর রাতে দেওয়া ভিডিও বার্তার সমালোচনা করে তিনি বলেন যে শিক্ষার্থীরা ভিডিও বার্তা বা আশ্বাস নয়, শিক্ষামন্ত্রীকে বরখাস্তের মতো সরাসরি পদক্ষেপ দেখতে চায়।আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর হওয়া হামলার দায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। এ সময় জন্তর মন্তরে অনশনে বসা আইসা নেত্রী নেহা বোরা উপস্থিত থেকে ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার নানা সংকট নিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হওয়ার কথা জানান এবং শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে পুনরায় অনড় থাকার বার্তা দেন।সূত্র: এনডিটিভি
৪ ঘন্টা আগে
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বেশ কিছুটা স্থবির হয়ে পড়েছে। তবে নির্বাচনের পর পরিস্থিতির কিছুটা পরিবর্তন হতে শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে ভারত।শুক্রবার (২৪ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। এ সময় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ প্রত্যাশার কথা জানান।ব্রিফিংয়ে জানতে চাওয়া হয়, বাংলাদেশ ভারতে দুজন প্রেস কর্মকর্তা পাঠিয়েছে। অতীতে তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভারতবিদ্বেষী অবস্থান দেখা গিয়েছে। এ বিষয়ে ভারতের অবস্থান কী?জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘নতুন কর্মকর্তাদের নিয়োগের বিষয়ে আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা আমাদের সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নিতে চাই। দুই দেশের সম্পর্ক জোরদারে এখানকার বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমরা উন্মুখ।’ব্রিফিংয়ে গৌতম লাহিড়ী নামের এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত শিগগিরই ঢাকা সফরে আসছেন। তিনি কি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে জানিয়েছেন? তার সফরের উদ্দেশ্য কী হবে, সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অবগত রয়েছে কিনা?’জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সফর প্রসঙ্গে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই।’
৫ ঘন্টা আগে
ভারতে ‘নিট’ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে তৃতীয় দফার বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে নিজেদের অবস্থানে আরও কঠোর হয়েছে আন্দোলনকারী দল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে বরখাস্ত না করা হলে নতুন করে আলোচনার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে সংগঠনটি। খবর এনডিটিভির।শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা জানান, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি অনমনীয় এবং এটি নিয়ে কোনো আপস হবে না। সরকার যদি এই প্রস্তাবে রাজি না হয়, তবে পরবর্তী আলোচনার কোনো অর্থই হয় না।এর আগে শুক্রবার কনস্টিটিউশন ক্লাবে সিজেপির প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠক করেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং।আন্দোলনকারীদের তিনটি মূল দাবির মধ্যে দুটি দাবির বিষয়ে কেন্দ্র নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছিল। এগুলো হলো– আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং প্রশ্ন ফাঁসের কারণে হতাশায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া। তবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের বিষয়েই এসে আলোচনা থমকে যায়।সরকারি উচ্চপদস্থ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের প্রশ্নই ওঠে না। সরকার তার পক্ষে শক্ত অবস্থানে রয়েছে। তবে সংকট সামাল দিতে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির (এনটিএ) ৪৭ জন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছে কেন্দ্র এবং দ্রুতগতির আদালত গঠনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নতুন নির্দেশনার কথাও জানানো হয়েছে। যদিও আন্দোলনকারীরা বলছেন, কেবল কর্মকর্তা ছাঁটাই যথেষ্ট নয়, শীর্ষ পদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে শিক্ষামন্ত্রীকেই পদত্যাগ করতে হবে।
৫ ঘন্টা আগে