নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ০২:৩৭:৩৩
যমুনার সামনে থেকে আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ
দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে নবম পে-স্কেল ঘোষণার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান নেওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।
৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার দুপুর ১টার পর আন্দোলনকারীরা যমুনা
এলাকা ছেড়ে শাহবাগের দিকে সরে যেতে বাধ্য হন। এ সময় কয়েকজন আন্দোলনকারীকে আটকও করা
হয়েছে।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে তারা ঘোষণা দিয়ে যমুনার অভিমুখে
মিছিল নিয়ে রওনা হন। শাহবাগ মোড়ে পৌঁছালে সেখানে প্রথম পুলিশি বাধার মুখে পড়েন আন্দোলনকারীরা।
বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকলেও সেখানে লাঠিচার্জ করা হয়নি। তবে জলকামান ব্যবহার
করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়।
এরপর পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে আন্দোলনকারীরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল
মোড় হয়ে যমুনার সামনে পৌঁছান। সেখানে তারা সড়কে বসে পড়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
বেলা সাড়ে ১১টার পর সেখানে আরও বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। একই সঙ্গে
বিজিবি সদস্যরাও ঘটনাস্থলে আসেন।
প্রথমে আন্দোলনকারীদের শান্তিপূর্ণভাবে সরে যাওয়ার অনুরোধ
জানায় পুলিশ। তবে তারা সরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ অ্যাকশনে যায়। আন্দোলনকারীদের
সরিয়ে দিতে বারবার জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়।
পুলিশি অভিযানের মুখে আন্দোলনকারীরা রমনা পার্কের ভেতরে
ঢুকে পড়েন। সেখানেও পুলিশ তাদের ধাওয়া দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। প্রায় এক ঘণ্টা
ধরে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
দুপুর ১২টার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ
ব্যাপকভাবে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় একাধিক সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ
করা হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হন বলে জানা গেছে।