স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, মেয়াদ অনুযায়ী সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।তিনি বলেন,‘রাজনৈতিক প্রশাসকেরা ভালোভাবে কাজ করবে আমলাদের চেয়ে। মেয়াদ যেখানে শেষ হবে সেখানে আগে সিটি নির্বাচন হবে।’ঢাকা উত্তর, দক্ষিণসহ ৬ সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগঢাকা উত্তর, দক্ষিণসহ ৬ সিটিতে নতুন প্রশাসক নিয়োগ২৪ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ঢাকার দুই সিটিসহ ৬টি সিটি করপোরেশনের প্রশাসকেরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদানের পর এসব বলেন এলজিআরডি বিষয়ক মন্ত্রী।মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও জানান, পৌরসভায় রাজনৈতিক প্রশাসক নিয়োগের কোনো পরিকল্পনা এখনো সরকারের নেই।ভবিষ্যতে দলীয় প্রতীকে সিটি নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন,‘দলীয় প্রতীকে সিটি ভবিষ্যতে হবে কিনা সেটা সংসদে নির্ধারিত হবে।’এ সময় এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের চেয়ে রাজনৈতিক নেতারা ভালোভাবে কাজ করতে পারবেন বলেই তাদেরকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন প্রশাসকেরা জানান, মশা, যানজট, রাস্তাঘাট মেরামতসহ দুর্নীতি রোধে কাজ করবেন তাঁরা। দীর্ঘদিন অকার্যকর থাকা সিটি করপোরেশনে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করে জনগণের সেবা নিশ্চিত করা হবে।
৫৯ মিনিট আগে
তিন সচিবকে তাদের দফতর থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব পাওয়া ৯ সচিবের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে তাদের চুক্তি বাতিলের কথা জানানো হয়েছে।চুক্তি বাতিল হওয়া কর্মকর্তারা হলেন— পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ড. মো. মোখলেস উর রহমান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য এম এ আকমল হোসেন আজাদ, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মমতাজ আহমেদ, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির (এনএপিডি) মহাপরিচালক সিদ্দিক জোবায়ের, ভূমি আপীল বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউসুফ, বিকল্প নির্বাহী পরিচালক বেগম শরিফা খান, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, পরিকল্পনা কমিশনের সচিব ড. কাইয়ুম আরা বেগম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী।জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নূর-এ-আলম স্বাক্ষরিত এসব প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এসব কর্মকর্তার সাথে সরকারের সম্পাদিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী তাঁর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এতদ্বারা বাতিল করা হলো। জনস্বার্থে এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
১৫ ঘন্টা আগে
বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের দুজন মন্ত্রীর একান্ত সচিব (পিএস) এবং পাঁচজন প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) নিয়োগ দেয়া হয়েছে।সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের একান্ত সচিব নিয়োগ পেয়েছেন ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) উপসচিব মো. মনিরুজ্জামান। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর একান্ত সচিব হয়েছেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব (উপ-সচিব) রবীন্দ্র চাকমা। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. ইব্রাহিম খলিল। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী হিসেবে রয়েছেন মো. আমিনুল হক।বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্প প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. জুনাইদ। এ মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন মো. শরীফুল আলম।স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. আল মামুন। এম এ মুহিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন।ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব হয়েছেন মো. শরীফুল ইসলাম। এ দুই মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন ফকির মাহবুব আনাম।প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায় মাহাদী আমিনের একান্ত সচিব নিয়োগ পেয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারহান লাবীব জিশান।সহকারী একান্ত সচিবদের প্রতিমন্ত্রীদের অভিপ্রায় অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫’ অনুযায়ী (৯ম গ্রেড) ২২০০০-৫৩০৬০/-টাকা বেতন স্কেলে এ নিয়োগ পেয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীরা যতদিন এ পদ অলংকৃত করবেন বা এদের সহকারী একান্ত সচিব পদে বহাল রাখার অভিপ্রায় পোষণ করবেন ততদিন এ নিয়োগ আদেশ কার্যকর থাকবে।
১৫ ঘন্টা আগে
চট্টগ্রামের হালিশহরের ভাড়া বাসায় বিস্ফোরণের ঘটনায় এক পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হয়েছে। তাদের উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাওন বিন রহমান। আহতরা হলেন- মোটরপার্টস ব্যবসায়ী শাখাওয়াত হোসেন (৪৭), তার স্ত্রী নুর জাহান আক্তার রানী (৪০), ছেলে শাওন (১৭), মেয়ে আয়মন (৮), ভাই, পর্তুগালপ্রবাসী সামির আহামেদ সুমন (৪০), তার স্ত্রী পাখি আক্তার (৩৫), তার ছেলে আনাছ (৮), মেয়ে আয়েশা (৪) ও ব্যবসায়ীর আরেক ভাই শিপন (২৫)।তাদের মধ্যে নুর জাহান আক্তার রানীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।দগ্ধ ব্যবসায়ী শাখাওয়াত হোসেনের চাচাতো ভাই মো. মিলন বলেন, ‘চট্টগ্রামের হালিশহর এইচ ব্লকের একটি ৮ তলা ভবনের তৃতীয় তলায় পরিবার নিয়ে থাকতেন শাখাওয়াত হোসেন। এর মধ্যে তার পর্তুগালপ্রবাসী ভাই গত ৪ ফেব্রুয়ারি দেশে আসেন এবং গত বুধবার চট্টগ্রামের বাসায় তার পরিবার নিয়ে বেড়াতে যান।’তিনি জানান, গতকাল রবিবার রাতে পরিবারের সবাই সাহরি খাওয়া শেষ করেন। পরে ডাইনিং টেবিলে বসা থাকা অবস্থায় হঠাৎ বিকট শব্দের মুহূর্তে তারা সবাই দগ্ধ হন। তবে সেটি কিসের বিস্ফোরণ ছিল, তা জানেন না তিনি।বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন শাসন বিন রহমান জানিয়েছেন, দগ্ধ আটজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। তাদের মধ্যে ব্যাবসায়ী শাখাওয়াত হোসেনের শতভাগ, তার ছেলে শাওনের ৫০ শতাংশ, মেয়ে আয়মনের ৩৮ শতাংশ, ভাই সামির আহামেদ সুমনের ৪৫ শতাংশ, তার স্ত্রী পাখি আক্তারের শতভাগ, তার ছেলে আনাছের ৩০ শতাংশ, মেয়ে আয়েশার ৪৫ শতাংশ ও ছোট ভাই শিপন হোসাইনের ৮০ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে।
১৫ ঘন্টা আগে