বিএনপি নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বেছে নিচ্ছে- এমন খবর গণমাধ্যমে চাউর হয়েছে। তবে এ বিষয়ে নিজে কিছু জানেন না বলে গণমাধ্যমকে বলেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার (৯ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমে তার রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়ে খবর প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মির্জা ফখরুল একথা বলেন।বিএনপি সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মির্জা ফখরুল দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বলে সন্ধ্যার দিকে খবর প্রকাশিত হয়। আগামী ২০ আগস্টের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে দুপুরে বিএনপির পক্ষ থেকে দুটি মনোনয়ন সংগ্রহের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে।খবরটি এমন সময় ছড়িয়েছে যখন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ স্থায়ী কমিটির একাধিক সদস্য চট্টগ্রাম সফরে।এ বিষয়ে জানত চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই বিষয়ে কিছু জানি না। দলের পক্ষ থেকে কিছু বলা হয়নি।'এর আগে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাষ্ট্রপতি দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছে বিএনপি। নির্বাচন কমিশন থেকে একটি মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী আহমেদ। আরেকটি সংগ্রহ করেছেন বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান ও সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।এখন দলের পক্ষ থেকে যাকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা হবে, তার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে। বিএনপি ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষমতা দলীয় প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দিয়েছে।এদিকে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যও কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীরবিক্রমকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দিয়েছে। ফলে ১৯৯১ সালের পর আবারও রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। যদিও বিএনপির বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের মনোনীত রাষ্ট্রপতিই বঙ্গভবনে যাওয়ার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত।ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ আগস্ট। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) এই নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়।গত ২৪ জুলাই রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।
১৩ ঘন্টা আগে
হাইকোর্টে মামলা তালিকাভুক্ত করে প্রতারণার আশ্রয়ে জামিন নেওয়ার চেষ্টা—এমন অভিযোগে এক আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ।রোববার (৯ আগস্ট) বিচারপতি শেখ জাকির হোসেন ও বিচারপতি মোঃ জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে ১৫ নম্বর সিরিয়ালে (টেন্ডার নং–৫০৮১১) আসামি সাকিব ওরফে সাকিব হাসান লিটনের জামিনের আবেদন শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত ছিল।শুনানির সময় আদালতের দায়িত্বে থাকা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সুলতান মাহমুদ বান্না আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানান যে, একই মামলাটি এর আগে হাইকোর্টের ভিন্ন একটি বেঞ্চে শুনানি হয়েছে। কিন্তু পূর্ববর্তী শুনানির বিষয়টি গোপন করে মামলাটি পুনরায় তালিকাভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।বিষয়টি আদালতের নজরে আসার পর সংশ্লিষ্ট আইনজীবী মোহাম্মদ আজিজুর রহমানকে আদালত এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলেন। কিন্তু তিনি সন্তোষজনক কোনো জবাব দিতে পারেননি।পরবর্তীতে আদালত মামলাটি সরাসরি খারিজ করে দেন এবং আদালতের সঙ্গে প্রতারণার আশ্রয় নেওয়ার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন।এ বিষয়ে অ্যাটর্নি-জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আদালতের প্রতি পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন করা একজন আইনজীবীর মৌলিক পেশাগত দায়িত্ব। একই বিষয়ে একাধিক বেঞ্চে শুনানির সুযোগ তৈরি করা কিংবা পূর্ববর্তী কার্যক্রম গোপন করে আদালতের আদেশ প্রভাবিত করার চেষ্টা শুধু পেশাগত নৈতিকতার পরিপন্থী নয়—এটি বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি আস্থাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।”
১৫ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান কিশোরী ও তরুণীদের অদম্য সাহসিকতা ও অর্জনের প্রশংসা করে বলেন, "যখন তরুণ নারীরা নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ ও ক্ষমতায়ন পায়, তখন তারা কেবল তাদের নিজ সমাজকেই নয়, বরং পুরো দেশের ভবিষ্যৎকে শক্তিশালী করে তোলে। একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সংগত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তাদের কণ্ঠস্বর, উদ্ভাবনী চিন্তা এবং নেতৃত্ব অপরিহার্য।"রোববার (৯ আগস্ট) রাজধানীর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ‘শি লিডস টুমরো’ শীর্ষক জাতীয় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান। নতুন প্রজন্মের নারী নেতৃত্ব, দৃঢ়তা ও ভবিষ্যতের আকাঙ্ক্ষাকে উদযাপন করতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয়, ইউএন উইমেন এবং ইউএনওপিএস বাংলাদেশ যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।‘জয়েন্ট এসডিজি ফান্ড’-এর সহায়তায় এবং "এসডিজি ৫ ও এসডিজি ১৬ স্থানীয়করণের মাধ্যমে বাংলাদেশে নারীদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব বৃদ্ধি" শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রমটি পরিচালিত হয়। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের ১,০০০-এরও বেশি কিশোরী ও তরুণীকে নেতৃত্ব প্রদান এবং নিজ নিজ সম্প্রদায়ে ইতিবাচক পরিবর্তনের কারিগর হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এমপি এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আউয়াল।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেন, "বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে নারীদের অর্থবহ অংশগ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আজকের তরুণ নারীদের নেতৃত্বের আসনে বসানোর অর্থ হলো আগামী দিনের জন্য শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান ও একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা।"প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আউয়াল বলেন, "এসডিজি স্থানীয়করণের মূল উদ্দেশ্য হলো জাতীয় প্রতিশ্রুতিগুলোকে তৃণমূল মানুষের জীবনে বাস্তবায়ন করা। বাংলাদেশের আগামীর সিদ্ধান্ত ও সমাধান তৈরিতে তরুণ নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।"অনুষ্ঠানে ইউএনওপিএস বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরন এবং ইউএন উইমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং নারীদের নেতৃত্ব ও অধিকার সুরক্ষায় কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী ক্যারোল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক এসডিজি বাস্তবায়নে সমন্বিত অংশীদারিত্বের ওপর জোর দেন।অনুষ্ঠানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল প্রধান অতিথি কর্তৃক ‘শি লিডস টুমরো’ বিশেষ কফি টেবিল বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধন, যেখানে অংশগ্রহণকারী তরুণীদের জীবন পরিবর্তনের গল্প তুলে ধরা হয়। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে কূটনীতি, রাজনীতি এবং লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে তিনটি পৃথক উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ১২ মাসব্যাপী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে এই প্রকল্প পরিচালিত হয়। সরকারি স্কুল, মাদরাসা ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর তরুণীদের দক্ষতা বৃদ্ধি, নাগরিক শিক্ষা এবং নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ দেওয়ার পাশাপাশি এটি 'এসডিজি স্থানীয়করণের জন্য বাংলাদেশ মডেল' গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
১৬ ঘন্টা আগে
গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৪ জন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। গত ১৪ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত দেশে ভোটার বেড়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫ জন।আজ রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসি সচিব।অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন ধরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছে ইসি। সে হিসেবে গত ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটার নিবন্ধন হওয়ার সুযোগ রাখা হয়। বিষয়টির দিকে ইঙ্গিত করে আখতার আহমেদ বলেন, ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটারের সংখ্যা হচ্ছে ১২ কোটি ৮৬ লাখ ৩২ হাজার ৫৫৫ জন। ১৪ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে ৩ লাখ ৯ হাজার ৩১৫। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন হলে, কমিশন অন্য কোন সিদ্ধান্ত নিলে, সেটা সম্পূরক তালিকা হিসেবে আসবে।এর আগে মে মাসে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে ইসি। সে সময় ভোটার ছিল ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন।৩১ জুলাই পর্যন্ত নিবন্ধিতরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার হতে পারার বিষয়টি উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচারণ বিধিমালাগুলো (সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ) আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। আইন সংশোধনের সুপারিশ এখনো পাঠানো হয়নি। নথিটা প্রক্রিয়াজাত আছে, এটা শেষ হলে সেটাও পাঠিয়ে দেব।রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিতরণ শুরু কথা উল্লেখ করে আখতার আহমেদ বলেন, বিএনপির প্রতিনিধিদল এসে আজকে দুটি মনোনয়ন ফরম নিয়ে গেছেন। এখন পর্যন্ত আর কোনো দল আমাদের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম নেন নাই।
১৮ ঘন্টা আগে