নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ০২:৫৫:০৪
তারেক রহমান শুক্রবার বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ৬ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার বিকাল সাড়ে তিনটায় হোটেল সোনারগাঁওয়ে বলরুমে এই ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে দলের মিডিয়া সেল।
দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সভায় সভাপতিত্ব করবেন। কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সভাটি পরিচালনা করবেন। তারেক রহমানের দলের প্রধান হিসেবে প্রথম নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন।
এর আগে পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম সংসদ নির্বাচনে
দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন তারেক রহমানের মা দলের চেয়ারপার্সন দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়া। তখন খালেদা জিয়াই নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন।
২০১৮ সালের একাদশ নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট
অংশ নিলেও সেসময়ে বিএনপি চেয়ারপারসন কারাবন্দি ছিলেন। ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর গুলশানের
লেকশোরে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ইশতেহার ঘোষণা করেছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীর।
নির্বাচনি ইশতেহার প্রসঙ্গে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা
কমিটির মূখপাত্র মাহদী আমীন বলেছেন, ‘বিএনপি গণমানুষের দল, তৃণমূলের ক্ষমতায়নের দল।
আমাদের চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় সব শ্রেণীপেশার মানুষের সাথে আমরা
কাজ করেছি। প্রাথমিকভাবে ৩১ দফা নিয়ে আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা-উপজেলা,
ইউনিয়ন, ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত কর্মসূচি নিয়েছি। সেই জনসম্পৃক্ততার আলোকে দল, অঙ্গ
এবং সহযোগী সংগঠন সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মতামত তার উপর ভিত্তি করে কিন্তু সংযোজন
বিয়োজন পরিবর্তন পরিবর্তনের আলোকে যুগের চাহিদা মিলিয়ে জনমান মানুষের সমস্যার সমাধানের
জন্য, তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য বিএনপি নির্বাচনী নিয়ে আসছে।’
তিনি বলেন, ‘এখানে আমাদের দলের শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে উনাদের
যে ভিশন রয়েছে, যে রূপকল্প রয়েছে সেটিকে যেমন প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। একই সাথে
সেখানে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে একদম সাধারণ মানুষের যে সমস্যাগুলো রয়েছে তারা কি চাচ্ছে?
আমাদের মূল লক্ষ্য এমনভাবে পরিকল্পনাগুলো সাজানো যেটি বাস্তবভিত্তিক হয়, যেটা টেকসই
হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান যখন বাংলাদেশে
প্রত্যাবর্তন করলেন সে ঐতিহাসিক তিনি বলেছিলেন, হি হ্যাজ এ প্ল্যান। এই প্রত্যেকটা
প্ল্যান মানুষের এমপাওয়ারমেন্টের জন্য, এই প্রত্যেকটা প্ল্যান মানুষের স্বাধীনতা এবং
স্বনির্ভরতার জন্য, এই প্রত্যেকটা প্ল্যান মানুষের স্বনির্ভরতার পাশাপাশি সুরক্ষা এবং
সার্বিক নিরাপত্তার জন্য।’