সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন।সোমবার (২৩ মার্চ) সংবাদিকাদের তিনি বলেন, ‘আমি চিকিৎসকদের সাথে কথা বলেছি। তারা জানিয়েছেন, বিভিন্ন প্যারামিটার পজিটিভ সাইন দিচ্ছে। উনার অবস্থা উন্নতির দিকে, আলহামদুলিল্লাহ।ব্রেইনের বিষয় তো, একটু সময় নেবে। উনার জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই।’গত ১১ মার্চ ইফতারের সময় অসুস্থ হয়ে জ্ঞান হারালে বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মির্জা আব্বাস। এরপর নিউরো বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। ১৩ মার্চ মির্জা আব্বাসের মস্তিস্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। পৌনে চার ঘণ্টার অস্ত্রোপচার শেষে রাতে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয় তাকে। পরে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ১৫ মার্চ বিএনপি নেতা মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়।সিঙ্গাপুরে অবস্থানকারী মির্জা আব্বাসের একান্ত সহকারী সচিব মিজানুর রহমান সোহেল বলেন, সোমবার সকাল ১০টার দিকে উনাকে বেড থেকে চেয়ার বসিয়েছেন চিকিৎসকরা। এটা পজিটিভ সাইন। আস্তে আস্তে কথা বলতে পারেন। ডাক্তারদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে উনার চিকিৎসা চলছে। দোয়া করবেন উনার জন্য, দেশবাসীর কাছে উনার পরিবার দোয়া চেয়েছেন।হাসপাতালে মির্জা আব্বাসের সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস এবং ছেলে ইয়াসীর আব্বাস সার্বক্ষণিক পাশে থাকছেন বলে জানান সোহেল।
১৬ ঘন্টা আগে
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোসহ তিন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (২৩ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগামী ২৫ ও ২৬ মার্চ দুই দিনব্যাপী এসব কর্মসূচি পালন করা হবে।ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ২৫ মার্চ বিকাল ৩টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলটির আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এছাড়া কেন্দ্রীয় ও মহানগরী নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দেবেন।এছাড়া ২৬ মার্চ দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, সর্বস্তরে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।একই দিন সকালে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ডা. শফিকুর রহমান সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করবেন।
১ দিন আগে
জুলাই যোদ্ধারা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান ও জাতীয় বীর; তাই এসব বীরদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও প্রয়োজনীয় রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিয়েই আগামী দিনের করণীয় নির্ধারণ করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি ২৩ মার্চ সোমবার রাজধানীর একটি মিলনায়তনে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের সাথে মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের নায়েবে আমীর আব্দুর রহমান মূসা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নায়েবে আমীর ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের কর্মপরিষদ সদস্য জামাল উদ্দিন, উত্তরা পশ্চিম অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলম, তুরাগ মধ্য থানা নায়েবে আমীর কামরুল হাসান, উত্তরা পশ্চিম থানা সেক্রেটারি ফিরোজ আলম, উত্তরা পশ্চিম থানার কর্মপরিষদ সদস্য ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ঢাকা মহানগরী উত্তরের সাবেক সভাপতি তারিক হাসান প্রমূখ।মতবিনিময়কালে মহানগরী আমীর শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধাদের সাথে একান্তে কথা বলেন। তিনি তাদের সমস্যার কথা অত্যন্ত আন্তরিকতা ও মনোযোগ সহকারে শোনেন এবং সেসব সমস্যা সাধ্যমত সমাধানের আশ^াস দেন। পরি তিনি আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন। সেলিম উদ্দিন বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদীরা দীর্ঘ পরিসরে দেশ ও জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসেছিলো। ২০০৮ সালে মাফিয়াতন্ত্রীরা সাজানো ও সমঝোতার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধ্বংস করার জন্য জাতীয় ঐক্যমতের ভিত্তিতে কেয়ারটেকার সরকার পদ্ধতি বাতিল দেশকে ভয়াবহ নৈরাজ্যের দিকে ঠেলে দিয়েছিলো। রাষ্ট্রের সকল সেক্টরকে দলীয়করণ ও আত্মীয়করণ করে প্রায় ১৬ বছর চালানো হয়েছিলো অপশাসন-দুঃশাসন। তবে জুলাই যোদ্ধারা সে অবস্থা থেকে জাতিকে উদ্ধার করে দ্বিতীয়বারের মত স্বাধীনতা এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু এতে ঝরে গিয়েছিলো প্রায় ২ হাজার তরতাজা প্রাণ। হাজার হাজার তরুণরা আহত হয়ে পঙ্গুত্ব ও অন্ধত্ব বরণ করেছিলেন। তিনি জুলাই শহীদদের গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন ও স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। একই সাথে আহতদের প্রতিও সহানুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, জামায়াত জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে এসেছে। আমরা প্রত্যেক শহীদ পরিবারকে কমপক্ষে ২ লাখ টাকা আর্থিক দিয়েছি। ক্ষেত্র বিশেষে আরও বেশীও দেওয়া হয়েছে। আহতদের সুচিকিৎসার জন্য সাধ্যমত সহযোগিতা করা হয়েছে এবং এখনো তা অব্যাহত রয়েছে। আমরাই প্রথম শহীদদের তালিকা তাদের সংক্ষিপ্ত জীবনী সহ গ্রন্থাকারে বিভিন্ন ভাষায় প্রকাশ করে তাদের আত্মত্যাগ ও বীরত্মগাঁথার কথা বিশে^র নানা ভাষাভাষীর কাছে তুলে ধরেছি। জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি আমাদের এমন ইতিবাচক পদক্ষেপ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে-ইনশাআল্লাহ। তিনি জুলাই যোদ্ধাদের প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করে অবিলম্বে জুলাই সনদের পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সরকার সহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান।
১ দিন আগে
বিএনপি যে কথা বলে সেটা কাজ করে দেখায় মন্তব্য করে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু পাম্পে আমরা দেখেছি ভাঙচুর হয়েছে। আমরা বলতে চাই কোনো মব তৈরি করতে দিব না, মবকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। গায়ের জোড়ে আইনের বাইরে গিয়ে কেউ কোনো কাজ করবেন না।২৩ মার্চ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের নেহা নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।মির্জা ফখরুল আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আমাদের জন্য বড় ক্ষতি করবে। সামনের দিনগুলো খুব একটা ভালো হবে না, সব কিছু দাম বাড়বে। এটাকে মোকাবিলা করেই সরকার কাজ করতেছে। কিন্তু কিছু পাম্পে আমরা দেখেছি ভাঙচুর হয়েছে। আমরা সরাসরি বলতে চাই কোনো মব তৈরি করতে দিব না, কঠোরভাবে দমন করা হবে মবকে। গায়ের জোড়ে আইনের বাইরে গিয়ে কেউ কোনো কাজ করবেন না।মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু সংখ্যক নেতা বের হয়েছে যারা বেহেশতে যাওয়ার টিকিট দিচ্ছে, কিন্তু বেহেশত তো দিতে পারল না এবার। আমরা আমাদের কাজ দিয়ে ইনশাআল্লাহ বেহেশতে যাব। একটা জিনিস মনে রাখবেন, ধর্মকে বিক্রি করে কিছু করা যায় না।স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, বিএনপি যে কথা বলে সেটা করে দেখায়, আমরা আমাদের কাজ করে ইবাদত করে বেহেস্তে যাব। ধর্মকে ব্যবহার করে কেউ বেহেস্তে যেতে পারে না।প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, সৎভাবে কাজ করবেন, কেউ যাতে অভিযোগ করতে না পারে যে খাল খনন হয়নি।উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁওয়ের নেহা নদী পুনঃখনন কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে এক কোটি ৪২ লাখ টাকা। কাজটির বাস্তবায়ন করবে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
১ দিন আগে