নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ রাত ০৯:৪৮:৪৫
প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রে ইসি বিএনপির সুপারিশে কাজ করেছে: আসিফ মাহমুদ
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সাম্প্রতিক কিছু সিদ্ধান্ত বিএনপির সুপারিশের ভিত্তিতে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে ১১ দলীয় জোটের প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘প্রশাসনিক রদবদল ও ভোটকেন্দ্রে বিএনসিসির দায়িত্ব সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিএনপির দাবির পর ইসির অবস্থানে ‘ইনফ্লুয়েন্স’-এর ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘ইসি আজকে বলেছেন তারা এটা পুনর্বিবেচনা বিবেচনা করছেন এবং আমাদের এটা স্পষ্ট দাবি থাকবে যে বিএনপি যেন করে তারা কেন্দ্রে থাকে। যেহেতু এবারের নির্বাচনটা একটু ভিন্ন নির্বাচন হতে যাচ্ছে, সেক্ষেত্রে এক্সট্রা ফোর্স থাকলে সেটা আমরা মনে করি যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে কাজে দিবে।’
প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রে ইসি বিএনপির সুপারিশ অনুযায়ী কাজ করেছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘প্রশাসনিক রদবদলের ক্ষেত্রে যেটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হওয়ার কথা ছিল, সবার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষভাবে হওয়ার কথা ছিল, সেটা আমরা দেখছি যে একটি দলকে হয়তো একটু বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। এবং সেটা আপনারা আমার এমন পর্যায়েও দেখেছেন যে একটি নির্দিষ্ট দলের প্রার্থী প্রোপোজ করলে সাথে সাথে ওইদিন বা পরের দিনের মধ্যেই অফিসার সেখান থেকে উইথড্র হয়ে যাচ্ছেন।’
এনসিপির এই মুখপাত্র আরও অভিযোগ করেন, ‘আমাদের আরেকটা অভিজ্ঞতা হয়েছে সেটা হচ্ছে যখন আমাদের প্রার্থীরা বিভিন্ন অফিসারদের বিষয়ে অভিযোগ করেছেন লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনে, সেটার আর কোনো রিপ্লাই আসলে পাওয়া যাচ্ছে না।’
প্রশাসন বিএনপির পক্ষে কাজ করছে ইঙ্গিত দিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আমরা কিছু জায়গায় দেখেছি কিছু কর্মকর্তারা নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট-সেটা পুলিশে আছেন, জনপ্রশাসনের কর্মকর্তারা আছেন- মাঠ পর্যায়ে তারা কিছু অস্বাভাবিক আচরণ করছেন এবং তারা অনেক ক্ষেত্রে ভোটারদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন বা নির্দিষ্ট কোনো দলে ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে চাপ প্রয়োগ করছেন। বিভিন্ন ব্যবসায়ী গ্রুপকে তারা কল দিচ্ছেন, তারা কল দিয়ে বিস্তার করার চেষ্টা করছেন। তার প্রেক্ষিতে আমরা নির্বাচন কমিশনকে ইতোমধ্যে কিছু স্পেসিফিক অফিসারদের অপসারণ এবং পরিবর্তনের বিষয়ে বলেছি।’