গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কোনাবাড়ীতে ফারিয়া আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১২টার দিকে আমবাগ পশ্চিম পাড়া এলাকা থেকে লাশ উদ্ধার করে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ।নিহত ফারিয়া আক্তার ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার জোড়বাড়িয়া বাটিপাড়া এলাকার নাহীদ হাসানের স্ত্রী। তারা কোনাবাড়ীর আমবাগ পশ্চিম পাড়া হানিওয়েল গার্মেন্টস সংলগ্ন উল্লাসের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত কোরবানির ঈদের সময় জীবিকার তাগিদে ময়মনসিংহ থেকে কোনাবাড়ীতে আসেন এই দম্পতি। তারা উভয়েই স্থানীয়,আমবাগ এইচ এন আর ক্লোথিং অ্যান্ড প্রিন্টিং নামের একটি মিনি গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। মঙ্গলবার সকালে ফারিয়া অসুস্থ বোধ করায় কারখানায় যাননি। তার স্বামী নাহীদ হাসান সকালে একাই কর্মস্থলে চলে যান এবং ফারিয়া ঘরেই শুয়ে ছিলেন।সকাল ১১টার দিকে ফারিয়ার ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখে পাশের বাসার একজন তাকে ডাকাডাকি করেন। ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পাওয়ায় তিনি আশপাশের লোকজনকে জানান। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে কোনাবাড়ী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। ঘরের দরজা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে পুলিশ ফ্যানের সাথে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় ফারিয়ার নিথর দেহ দেখতে পায়।কোনাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাদিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,খবর পেয়ে ওইগৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সুরতহাল রিপোর্ট শেষে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
১ দিন আগে
খুলনা- মোংলা রেলপথ উদ্বোধনের পর প্রায় দুই বছর অতিবাহিত হলেও আলোর মূল দেখেনি ভাগা রেল স্টেশনটি। ফলে এই অঞ্চলের মানুষের বিড়ম্বনার শেষ নেই। দীর্ঘদিন বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপিসহ দেওয়া হয়েছে লিখিত আবেদনও। তবু প্রতিকার না মেলায় রামপালের ভাগা রেলস্টেশনটি জনস্বার্থে অবিলম্বে চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এসময় তারা জানান, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে স্টেশনটি চালু না করা হলে নেওয়া হবে বৃহৎ কর্মসূচি।বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় ভাগা রেলস্টেশন এলাকায় এ মানববন্ধনের আয়োজন করে স্থানীয় সচেতন নাগরিকবৃন্দ।মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দক্ষিনাঞ্চলের অর্থনৈতিক সচল ও সহজ করতে ভাগা রেল স্টেশনের বিকল্প নেই। স্টেশনটি চালু হলে সহজ ও সাশ্রয়ী রেল যোগাযোগের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সময় ও যাতায়াত ব্যয় কমার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন ও জনসাধারণের ভোগান্তি লাঘবে ভাগা রেলস্টেশন চালু একান্ত প্রয়োজন। স্টেশনটি চালু না হওয়ায় উপজেলার ঝনঝনিয়ায় নির্মিত বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা আমাদের গ্রাম ক্যান্সার কেয়ার এন্ড রিসার্চ সেন্টারে স্বাস্থ্যসেবা নিতে আসা দেশের বিভিন্ন এলাকা হতে সেবাগ্রহীতাদের পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন কষ্ট। এছাড়াও বাগেরহাট সদর, রামপাল, ফকিরহাট, চিতলমারী, কচুয়া ও শরণখোলা উপজেলার মানুষের যোগাযোগের চরম বিড়ম্বনার সৃষ্টি হয়েছে। রেল যোগাযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহনব্যবস্থা। অথচ দীর্ঘদিন ধরে ভাগা রেলস্টেশনটি চালু না থাকায় এ অঞ্চলের মানুষ সম্ভাব্য রেলসেবার সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। স্থানীয়দের দাবি জনগুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশনটি দ্রুত চালু করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, রামপাল উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ফিরোজ কবির ও মোস্তফা কামাল পাটোয়ারী হালিম, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মল্লিক জিয়াউল হক জিয়া, সদস্যসচিব আলমগীর কবির বাচ্চু এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব মাজাহারুল ইসলাম ইয়ামিনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
১০ ঘন্টা আগে
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন দাম অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা।মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন দাম ঘোষণা করে বাজুস। সকাল ১০টা থেকে এ দাম কার্যকর হয়েছে।বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমেছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।নতুন দর অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা। এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় ক্রেতার কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট নেওয়া যাবে না। মজুরি ও পাথরের দাম বাদ দিয়ে অলঙ্কার বিনিময়ের ক্ষেত্রে ১২ শতাংশ এবং কেনার ক্ষেত্রে ১৮ শতাংশ বাদ দিতে হবে। তবে বিনিময় ও কেনার ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ভ্যাট বাদ দেওয়া যাবে না। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে।এর আগে গত ৯ অক্টোবর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। তখন ২১ ক্যারেটের দাম ছিল ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা। ওই দামও সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১২৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে, ৬২ দফা কমানো হয়েছে এবং এক দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে বছর ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, কমানো হয় ২৯ বার।
১ দিন আগে
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি কমে ৩ দশমিক ২ শতাংশে নামতে পারে বলে আশঙ্কার কথা জানিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সময়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে ১০ দশমিক ৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে সংস্থাটি পূর্বাভাস দিয়েছে। এতে দেশের স্বল্প আয়ের মানুষের ওপর জীবনযাত্রার চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অনুষ্ঠিত আইএমএফ-বিশ্বব্যাংকের বার্ষিক সভার দ্বিতীয় দিনে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে এমন চিত্র উঠে এসেছে।প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিশ্ব অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি ছাড়াও বাংলাদেশের স্থানীয় ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা এবং ব্যবসা পরিচালনার ব্যয় (কস্ট অব ডুইং বিজনেস) বৃদ্ধির মতো চ্যালেঞ্জগুলো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতি শ্লথ করে দিচ্ছে। সংস্থাটির ইঙ্গিত, নিকট ভবিষ্যতে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বা মূল্যস্ফীতি কমার সুযোগ কম।এদিকে সম্মেলনে দ্বিতীয় দিনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সাথে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। আইএমএফের প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস প্রসঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক এ সংস্থার দেওয়া প্রাক্কলন বা তথ্য নিয়ে সরকার নতুন করে কোনো বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায় না।এ ছাড়া অর্থমন্ত্রী নিশ্চিত করেছেন যে, আইএমএফের চলমান ও সম্ভাব্য ঋণ সহায়তার বিষয়ে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সংস্থাটির ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। অর্থনীতি পুনর্গঠনে ও সংস্কার ত্বরান্বিত করতে দুপক্ষের মধ্যস্থতা সঠিক পথেই এগোচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
২০ ঘন্টা আগে