ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ে তদন্তের আবেদন

গণপূর্তের আলমগীর খানের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, মন্ত্রণালয়ে তদন্তের আবেদন


গণপূর্ত অধিদপ্তরের ই/ এম পি এন্ড ডি জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান ক্ষমতার অপব্যবহার করে, অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি প্রকল্পে প্রভাব খাটিয়ে তিনি শত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। আত্মীয়ের মাধ্যমে নিজ দপ্তরে পরোক্ষভাবে ঠিকাদারী করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। অর্জিত কালো টাকার বলে দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশ বন্ধ করার জন্যে সাংবাদিকদের হামলা-মামলার হুমকি প্রদান করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।২৭ এপ্রিল-২০২৬ তারিখে ধানমন্ডি নিবাসী এলাহী নেওয়াজ খান কর্তৃক গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বরাবর দায়েরকৃত এক অভিযোগ পত্রে এমনই দাবি করা হয়েছে। অভিযোগ পত্রের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশন, বাংলাদেশ ফিনানসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এবং আয়কর গোয়েন্দা ও তদন্ত ইউনিটে প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।উত্থাপিত অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে,অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান এর ঢাকা শহরে রয়েছে একাধিক প্লট ও ফ্ল্যাট। রয়েছে প্রাইভেট গাড়ি। গ্রামের বাড়িতে রয়েছে বিলাশবহুল বাংলো ও খামারবাড়ি। নিজের ও পরিবারের সদ্যস্যদের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে রয়েছে কয়েক কোটি টাকার এফডিআর। তার সম্পদ জ্ঞাত আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। মো. আলমগীর খান ও তার পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে ব্যাংক ব্যালেন্স ও সম্পদের অনুসন্ধান করলে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যাবে।অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়েছে, অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত কালো টাকা মানিলন্ডারিং প্রক্রিয়ায় কানাডায় পাচার করে; সেখানে বাড়ি ক্রয় করেছেন এবং ব্যবসায় বিনিয়োগ করেছেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।এছাড়া, গণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খান ও তার পরিবারের সদস্যরা অর্জিত বৈধ-অবৈধ স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের প্রকৃত তথ্য আয়কর ফাইলে গোপন করে নিয়মিত আয়কর ফাঁকি দিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, গণপূর্ত অধিদপ্তরের ঢাকা জোনের ই/এম ডিভিশন দুর্নীতি, অনিয়মের আখড়ায় পরিণত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়েছেন ঢাকা জোনের সদ্য সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর খান। সিসি ক্যামেরা না লাগিয়ে কোটি টাকা আত্মসাৎ, গাড়ি চালকের বেতন বাবদ ৮৭ লক্ষ টাকা অপচয়, জনবল থাকা সত্ত্বেও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেখিয়ে অর্থ লুটপাট এবং অনিয়ম, দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন মোঃ আলমগীর খান। সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় কোনো সিসি ক্যামেরা স্থাপন না করেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা বিল পরিশোধ করেছে ই/ত্রম বিভাগ-৬। অপরদিকে ই/এম বিভাগ-৮ দুটি গাড়ির বিপরীতে ৩১ জন চালকের পেছনে বছরে অতিরিক্ত ব্যয় করেছে ৮৭ লাখ টাকা। ২০১৬-১৭ সালের অডিট রিপোর্টে এই অনিয়ম কর্তৃপক্ষের নজরে এলেও গণপূর্ত অধিদপ্তর কোন এক অজানা কারণে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।অডিট রিপোর্ট অনুযায়ী, ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড মেকানিক্যাল (ই/এম) বিভাগ-৬ ঢাকার নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয় ৩টি ১৬ চ্যানেল বিশিষ্ট ডিডিআর, ১২টি পিটিডোর ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, ৩টি ডিসপ্লে মনিটর, ১০টি ডে নাইট ভিশন ক্যামেরাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মালামাল চুক্তি অনুযায়ী সরবরাহ ও স্থাপনের জন্য মাত্র দুদিনে একজন ঠিকাদারকে তিনটি কার্যাদেশ দেয়। উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলীর পত্র স্মারক নং- ৩৫০২ (তারিখ; ১৪-০৬-২০১৬) এবং স্মারক নং-৩৫০৭ ও ৩৫০৮ (তারিখ:১৫- ০৬-২০১৬)- এর মাধ্যমে চুক্তি মোতাবেক ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি ১৮ লাখ ৮১ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করে। চূড়ান্ত বিল পরিশোধ করা হলেও কাজ গুলো আজও সমাপ্ত হয়নি। একই বছরের ২০ অক্টোবর অডিট বিভাগের কর্মকর্তারা সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে সরেজমিন গিয়ে দেখতে পান, সিসি ক্যামেরাগুলো ব্যবহার অযোগ্য হয়ে যাচ্ছে। পর্যাপ্ত কারিগরি লোক থাকার পরও যন্ত্রগুলো কাজে আসছে না অথচ বিদ্যুৎ বিল অস্বাভাবিক বলে অডিট রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। নথি, মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা ও অডিট রিপোর্ট বিশ্লেষণে যে চিত্র উঠে এসেছে, তা কেবল অনিয়ম নয়, বরং একটি সুসংগঠিত, পরিকল্পিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রাষ্ট্রীয় অর্থ লুটপাটের ভয়াবহ নজির। আর লুটপাটের নেতৃত্বে রয়েছেন মোঃ আলমগীর খান।ই/এম বিভাগ-৮ এ সরকারি মালিকানাধীন মাত্র দুটি গাড়ি কার্যকর অবস্থায় রয়েছে। অথচ সরকারি নথিতে নিয়মিতভাবে ৩১ জন চালকের বেতন-ভাতা উত্তোলন করা হচ্ছে। শুধু এই একটি খাতেই বছরে প্রায় ৮৭ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয়েছে। মাঠপর্যায়ে অনুসন্ধানে এসব তথাকথিত চালকের কোনো বাস্তব উপস্থিতি পাওয়া যায়নি। অধিকাংশ নামই কাগজে-কলমে সৃষ্টি করা। অর্থাৎ, ভুয়া নিয়োগ দেখিয়ে নিয়মিতভাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খানের পকেটে যাচ্ছে। বিভাগের অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী পর্যাপ্ত স্থায়ী জনবল থাকার পরও নিয়ম বহির্ভূতভাবে দৈনিক মজুরি, চুক্তিভিত্তিক ও অস্থায়ী জনবল দেখিয়ে অতিরিক্ত বিল তোলা হয়েছে। এটি কোনো প্রশাসনিক ভুল নয়; বরং দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা একটি সংঘবদ্ধ দুর্নীতির চক্র। এখানে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. আলমগীর খানের নেতৃত্বে কর্মকর্তা-কর্মচারী, হিসাব শাখা এবং অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ ম্যানেজ করেই এই লুটপাট চলছে। অভ্যন্তরীণ ও বহিরাগত একাধিক অডিট রিপোর্টে এসব আর্থিক অসঙ্গতি, অযৌক্তিক ব্যয় ও নথিভিত্তিক গরমিল স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবুও রহস্যজনক কারণে এসব প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো কার্যকর তদন্ত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্যে মো. আলমগীর খান এর হোয়াটসএ্যাপে অভিযোগপত্র সম্বলিত বার্তা প্রদান করা হলেও তিনি কোন রেসপন্স করেন নি। অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরীর হোয়াটসএ্যাপে অভিযোগপত্র পাঠিয়ে তার মতামত জানতে চাওয়া হলে;তিনিও কোন মন্তব্য করেন নি।

১ দিন আগে

সদরঘাটে চাঁদার ভাগ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১

সদরঘাটে চাঁদার ভাগ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ১


পুরান ঢাকার সদরঘাটে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে মিতুল নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার রাত ১১টার দিকে সূত্রাপুর থানার ইস্ট বেঙ্গল সুপার মার্কেটে এ ঘটনা ঘটে।নিহত মিতুল কোতোয়ালি থানার ৩৭ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য বলে জানা গেছে। তিনি ঝালকাঠির সাহাবাঙ্গল গ্রামের মো. রাসেল সরদারের ছেলে।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সাবেক যুবদল নেতা সোবহান ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কিরণ—দুজনই মহানগর দক্ষিণ শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. সুমন ভূঁইয়ার অনুসারী হিসেবে পরিচিত। দুজনই কোতোয়ালি থানা যুবদলের পদপ্রত্যাশী। দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। শনিবার রাতে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে সেই বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নেয়।স্থানীয় সূত্র জানায়, সংঘর্ষে কিরণ গ্রুপের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। কাপড় কাটার কাচি দিয়ে বুকে আঘাতের পর গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।এদিকে নিহত মিতুলের স্বজনসহ প্রায় ৮০ থেকে ১০০ জন মিটফোর্ড হাসপাতালে অবস্থান করছেন। সেখানে তারা বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন।ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে মো. সুমন ভূঁইয়া বলেন, ‘এরা আমার সমর্থক নয়। তবে মাঝে মাঝে বিভিন্ন মিছিল-মিটিংয়ে থাকে। আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ। বিস্তারিত জানতে পারিনি।’সূত্রাপুর থানার ওসি মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘নিহত মিতুল কোন দলের সঙ্গে যুক্ত, তা পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পূর্বশত্রুতার জেরে কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে আঘাতের ঘটনায় মিতুলের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন। আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।’ওসি আরও বলেন, ‘ময়নাতদন্তের জন্য মিতুলের মরদেহ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।’

১ দিন আগে

ফায়ার সার্ভিসের মহিউদ্দীন: নিয়োগ বাণিজ্য থেকে শুরু করে হত্যা মামলার আসামি

ফায়ার সার্ভিসের মহিউদ্দীন: নিয়োগ বাণিজ্য থেকে শুরু করে হত্যা মামলার আসামি


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মহিউদ্দীন খন্দকার মিজানকে ঘিরে অবৈধ নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্য এবং প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ২০২২ সালে বগুড়ার শিবগঞ্জে তার মা দুলালী বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায়ও তাকে আসামি করা হয়েছে। সর্বশেষ অসদাচরণের অভিযোগে চলতি বছরের ২ জুলাই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। সরকারি নথি অনুযায়ী, গত ১ জুলাই অধিদপ্তরের বারাক ভবনের চতুর্থ তলার একটি অতিথি কক্ষে সিলেট বিভাগের ১৫টি ফায়ার স্টেশনের পরিদর্শন প্রতিবেদন তৈরির কাজ চলছিল। এ সময় এক নারী ও সাময়িকভাবে বরখাস্ত হওয়া চালক সাখাওয়াত হোসেনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। সরকারি আদেশে বলা হয়েছে, ওই ঘটনায় মহিউদ্দীনও জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে সেখানে মারামারির ঘটনা ঘটে। দুদকে অভিযোগ২০২৬ সালের ১১ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) দায়ের করা অভিযোগপত্রে মহিউদ্দীনের বিরুদ্ধে নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগপত্রে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তৎকালীন পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) হাবিবুর রহমানের স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মহিউদ্দীন নিয়োগ ও বদলি প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করতেন।অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত কয়েক হাজার ফায়ার ফাইটার ও চালক নিয়োগকে কেন্দ্র করে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন হয়েছে এই মহিউদ্দিনের হাত ধরে। বিশেষ করে বগুড়া, পাবনা ও সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় ফায়ার ফাইটার ও চালক নিয়োগের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অভিযোগও আনা হয়েছে। অভিযোগপত্রে সেসময়ে সর্বমোট ৩ হাজার ৫০০ জন নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের দাবি, এসব নিয়োগের ক্ষেত্রে মহিউদ্দীন অন্যতম পরিকল্পনাকারী বা মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছেন। একই সময়ে ফায়ার সার্ভিসের বদলি শাখায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বদলিকে কেন্দ্র করেও আর্থিক লেনদেনের যোগসূত্র ছিল বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।এছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বরাবর দেওয়া একটি অভিযোগপত্রে মহিউদ্দীন ও তার কথিত সিন্ডিকেটের বিষয়ে একই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।অভিযোগকারীদের জোড়ালো দাবি, ফায়ার সার্ভিসের গত কয়েক বছরের নিয়োগ ও বদলি সংক্রান্ত নথি, আর্থিক লেনদেন, মহিউদ্দীনের সম্পদ বিবরণী এবং তার বিরুদ্ধে করা মামলার বর্তমান অবস্থা যাচাই করা হলে অভিযোগগুলোর প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসবে।সম্পদ অর্জনের অভিযোগমহিউদ্দীনের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী হয়েও অল্প সময়ে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে। অভিযোগপত্রে ঢাকার উত্তরায় প্রায় তিন কাঠা জমি, কয়েকটি ট্রাক এবং বিভিন্ন এলাকায় জমি কেনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ঘটনা সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে তদন্ত করে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হোক।মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলাএদিকে, ২০২২ সালে বগুড়ার শিবগঞ্জে দুলালী বেগমের মৃত্যুর ঘটনায় করা হত্যা মামলায় মহিউদ্দীনকে ৩ নম্বর আসামি করা হয়েছে।মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ২০২২ সালের ২৪ মার্চ ওই বিরোধের জের ধরে দুলালী বেগমকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। বাদীর অভিযোগ অনুযায়ী, রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টার মধ্যে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়।মামলার নথিতে আরও বলা হয়েছে, দিবাগত রাত ১টার দিকে দুলালী বেগমের ছোট ছেলে মমিন খন্দকার মায়ের মৃত্যুর খবর পান। ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত্যু অস্বাভাবিক মনে হওয়ায় ৯৯৯-এ ফোন করা হয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করা হয়েছিল বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় লাশ উত্তোলন, সুরতহাল ও ময়নাতদন্তের আবেদনও করা হয়।মহাপরিচালকের বক্তব্যএদিকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল নাগরিক প্রতিদিনকে বলেন, ১ জুলাইয়ের ওই ঘটনার সঙ্গে মহিউদ্দীনের জড়িয়ে পড়ার বিষয়টি নজরে আসার পরপরই তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।মহাপরিচালক আরও বলেন, মহিউদ্দীনের বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগের তদন্তও বর্তমানে চলমান রয়েছে। তদন্তে আনীত অভিযোগ সত্য বলে প্রমাণিত হলে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে মহিউদ্দীন খন্দকারের সঙ্গে কয়েকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। প্রথমে তিনি রিসিভ না করলেও পরে কলটি গ্রহণ করেন। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে উগ্র আচরণ করেন। পরবর্তী সময়ে জানান, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আগে প্রমাণ করুন, তারপর আমি মন্তব্য করব। আমি এখন হসপিটালে আছি।’ এরপর তিনি ফোন কেটে দেন।

৩ দিন আগে

আনোয়ারায় ‘মাদকের ভয়াবহ বিস্তার’ নিয়ে উদ্বেগ

আনোয়ারায় ‘মাদকের ভয়াবহ বিস্তার’ নিয়ে উদ্বেগ


চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মাদকের ভয়াবহ বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অবাধে বিক্রি হচ্ছে ইয়াবা, গাঁজা, মদসহ নানা ধরনের মাদকদ্রব্য। দিনদুপুরে প্রকাশ্যেই চলছে মাদক বেচাকেনা ও সেবন। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদক সহজে পাওয়া যাওয়ায় স্কুল-কলেজপড়ুয়া কিছু শিক্ষার্থীও এর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ছে। অনেকে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে মাদক সেবন করছে। তবে অনেক অভিভাবকই জানেন না, তাদের সন্তান ধীরে ধীরে মাদকের ভয়াবহ ছোবলে বিপথগামী হচ্ছে।বিশেষ করে কিশোর গ্যাংরা বিভিন্ন স্থানে মাদক সেবনের আস্তানা গড়ে তুলেছে। ফলে এলাকায় চুরি, ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জ্যামিতিক হারে বাড়ছে। মাদকের এমন ভয়াবহ বিস্তারে অতিষ্ঠ ও আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ।স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ও সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে, আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জন বড় মাদক কারবারি সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তাদের মাধ্যমে উপজেলার অন্তত ৪০টি স্পটে ইয়াবা, গাঁজা, মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয়দের দাবি।মাদক কারবারিরা বিভিন্ন মহলকে ম্যানেজ করে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে। কক্সবাজারসহ বিভিন্ন জেলা থেকে নৌপথ ও সড়কপথে আনোয়ারায় মাদক পরিবহন করা হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।খুচরা ও পাইকারি মাদক কারবারিরা নানা কৌশলে এসব মাদকদ্রব্য আনা-নেওয়া করে থাকে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার, টং দোকান, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট এবং কিছু বাড়িঘরে মাদক বিক্রি হচ্ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।স্থানীয়দের অভিযোগ, একাধিকবার পুলিশের হাতে আটক হওয়া চিহ্নিত মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের কেউ কেউ দূর থেকে উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণী এবং বয়স্ক নারীদের ব্যবহার করে মাদক পরিবহন করছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সন্দেহ এড়ানো সহজ হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।এ উপজেলার একাধিক মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগী অতীতে একাধিকবার গ্রেফতার হলেও জামিনে বা কারামুক্ত হয়ে পুনরায় মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। মাদক কারবারিরা বিভিন্ন প্রভাবশালী ও ভদ্রবেশী ব্যক্তিকে চাঁদা দিয়েও ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে মাদক ব্যবসা ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু ভয়ে অনেকেই এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না। অথচ এলাকার অধিকাংশ মানুষই জানেন, কারা মাদক কারবারি এবং কারা সেবনের সঙ্গে জড়িত।স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদকবিরোধী অভিযানে অনেক সময় সেবনকারী ও খুচরা বিক্রেতারা গ্রেফতার হলেও মাদক ব্যবসার মূলহোতা ও বড় কারবারিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যাচ্ছে। তাদের মতে, এভাবে ছোট কারবারিদের গ্রেফতার করা হলেও মাদকের মূল সরবরাহব্যবস্থা বন্ধ হচ্ছে না।মাদকাসক্তদের অনেকেই মাদকের টাকা জোগাড় করতে পরিবারের সদস্যদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। মা-বাবা, স্ত্রী-সন্তানকে মারধর করার পাশাপাশি বিভিন্ন বাড়িঘর, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, মসজিদ ও মন্দিরে চুরির ঘটনাতেও মাদকাসক্তদের জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।স্থানীয়দের আশঙ্কা, মাদক কারবারি ও সেবনকারীর সংখ্যা এভাবে বাড়তে থাকলে ভবিষ্যতে সামাজিক ও পারিবারিক অস্থিরতা আরও তীব্র হতে পারে। তাই মাদকের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে কোনো আপোষ নেই। আমরা প্রতিনিয়ত মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছি।এ বিষয়ে আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান বলেন,মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূল ও মাদকমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।স্থানীয়দের প্রত্যাশা, শুধু খুচরা বিক্রেতা বা সেবনকারীদের গ্রেফতার নয়, মাদকের মূল কারবারি ও নেপথ্যের পৃষ্ঠপোষকদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করা হবে।

৪ দিন আগে

নওগাঁয় ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

নওগাঁয় ১৫০ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী আটক

১২ আগস্ট ২০২৬ রাত ০৮:২১:০৯

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ডনের জামিন নামঞ্জুর

১২ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:৫৫:২৯

চাঁদাবাজি মামলায় ডেভিড ইমন পাঁচদিনের রিমান্ডে

চাঁদাবাজি মামলায় ডেভিড ইমন পাঁচদিনের রিমান্ডে

১২ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:৫২:১৮

রাজধানীর পল্লবীতে গুলি করে হত্যা চেষ্টার ঘটনায়  সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলসহ ৫ জন গ্রেফতার

রাজধানীর পল্লবীতে গুলি করে হত্যা চেষ্টার ঘটনায় সন্ত্রাসী ল্যাংড়া রুবেলসহ ৫ জন গ্রেফতার

১২ আগস্ট ২০২৬ সকাল ১০:৩৩:৩১

ট্রাইব্যুনালে ফোনালাপ উপস্থাপন: বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুনের নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা

ট্রাইব্যুনালে ফোনালাপ উপস্থাপন: বাড়িঘর-ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আগুনের নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা

১১ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২:০৪:৪৫

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, গ্রেফতার ভাইরাল মিজান

অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্নে বাধা, গ্রেফতার ভাইরাল মিজান

৯ আগস্ট ২০২৬ রাত ০৭:৫৮:১৪

নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান

নামে-বেনামে সম্পদের পাহাড় গড়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান

৮ আগস্ট ২০২৬ বিকাল ০৫:২৫:১২

তারেক রহমানকে জেআইসি সেলে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

তারেক রহমানকে জেআইসি সেলে নির্যাতন করা হয়েছিল: চিফ প্রসিকিউটর

৮ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০২:১১:০০

তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান ফের গ্রেপ্তার

তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান ফের গ্রেপ্তার

৮ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ০১:৩০:১১

৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাত, মুখোশধারীর হামলায় নিহত শিক্ষিকা

৩০ সেকেন্ডে ৩৪ বার ছুরিকাঘাত, মুখোশধারীর হামলায় নিহত শিক্ষিকা

৪ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২:২৭:০৯

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শুরু হচ্ছে আজ

ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে যুক্তিতর্ক শুরু হচ্ছে আজ

৪ আগস্ট ২০২৬ দুপুর ১২:১৭:২৪

1–15 / মোট 149টি সংবাদ | পৃষ্ঠা 1 / 10
শিরোনাম
৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ভয়াল দিন আজ মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন দেশে ভূমিকম্প অনুভূত আবারও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ ১৭ বছরে কেউ নজর দেয়নি, তাই স্বাস্থ্যসেবাকে নতুন করে সাজাতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ৩ লাখ ৯ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার শেখ হাসিনা কোন স্ট্যাটাসে ভারতে আছে জানে না বাংলাদেশ, আইনি লড়াইয়ে তাকে ফেরানো হবে: চিফ প্রসিকিউটর দেশব্যাপী সিরিজ বোমা হামলার ভয়াল দিন আজ মোংলায় ৬০ হাজার কর্মসংস্থান, অক্টোবরে শুরু প্রথম ধাপ: মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা, ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু সরকারের ১৮০ দিন পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন দেশে ভূমিকম্প অনুভূত আবারও ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়া কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে ‘মামুন: ইন প্রেইজ অব শ্যাডোজ’ ১৭ বছরে কেউ নজর দেয়নি, তাই স্বাস্থ্যসেবাকে নতুন করে সাজাতে চাই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী