গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২ অক্টোবর ২০২৬ রাত ০৭:৩২:০৫
গঙ্গাচড়ায় বিএনপি কার্যালয়ে হামলা আহত ৩
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় বিড়ির বাজার নিয়ে বিরোধ ও মাদকবিরোধী অবস্থানকে কেন্দ্র করে মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের করা হয়। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মীর কাসেম মিঠুসহ তিনজন আহত হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে উপজেলার মর্নেয়া ইউনিয়নের কামদেব শেখপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মীর কাসেম মিঠু আফিজ, আকিব ও নিবিড় ব্র্যান্ডের বিড়ির স্বত্বাধিকারী। অন্যদিকে, ফ্রেশ বিড়ির স্বত্বাধিকারী রমজান আলী জিকুর সঙ্গে তার বিড়ির বাজার নিয়ে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। এর মধ্যে এলাকায় মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে বিরোধ আরও জোরালো হয়। এরই জেরে বিএনপির কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে ।
এ ঘটনায় মীর কাসেম মিঠু, ছোট আসাদ ও তৌফিক হোসেন বাবলু মারধরের শিকার হন। হামলার সময় কার্যালয়ের চেয়ার, ব্যানার এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছবি ভাঙচুর করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।
মীর কাসেম মিঠুর অভিযোগ, এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম পরিচালনা এবং মাদক ব্যবসায়ীদের তৎপরতা বন্ধের উদ্যোগ নেওয়ায় তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে রমজান আলী জিকুর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া হামলার সঙ্গে মাদকবিরোধী কার্যক্রমের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন করেন দলীয় নেতাকর্মীরা। এতে সভাপতিত্ব করেন গঙ্গাচড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ সরকার।
এ সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব আলী, মর্নেয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মাবুদ এবং জাতীয়তাবাদী প্রচার দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রুহুল আমীনসহ প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন দলীয় নেতাকর্মী ।
সংবাদ সম্মেলনে চাঁদ সরকার হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। একই সঙ্গে ঘটনার জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর ছবুর বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।