ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে এআই'র ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ

যানবাহনের হর্ন নিয়ন্ত্রণে এআই'র ব্যবহারে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইটভাটার কারণে সৃষ্ট বায়ু দূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন । এছাড়া রাজধানী ঢাকায় যানবাহনের হর্নের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আরও কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।১৮ জুলাই শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিবেশ দূষণবিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে গুরুত্বরোপ করেন।বৈঠকে বায়ু ও শব্দ দূষণ প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে, ইটভাটার কারণে সৃষ্ট বায়ু দূষণ রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। পরিবেশবান্ধব বিকল্প প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইট উৎপাদনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় ব্যবহৃত এআই ক্যামেরার মতো হর্ন নিয়ন্ত্রণেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর সড়ক থেকে ফিটনেসবিহীন, মেয়াদোত্তীর্ণ এবং পরিবেশ দূষণকারী বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন দ্রুত অপসারণে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এ ছাড়া রাজধানীতে আরও অন্তত ৫০টি পয়েন্টে অটোমেটিক ট্রাফিক লাইট সিস্টেম দ্রুততম সময়ের মধ্যে চালুরও নির্দেশ দেন তিনি।সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. সাইমুম পারভেজ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিসুর রহমানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

২ দিন আগে

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী

প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী


প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে জনপ্রশাসন সভাকক্ষে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন বলে এমন তথ্য দিয়েছেন তাঁর উপপ্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌল্লা (সুজন মাহমুদ)।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একটি প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধিরা তাঁদের বিভিন্ন সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করেছেন। তিনি অধীর আগ্রহে তাঁদের বক্তব্য শুনেছেন।সুজন মাহমুদ বলেন, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীকে দেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তিনি এবং তাঁর সরকার এমন একটা দেশ গড়ে তুলতে কাজ করছেন, যেখানে কোনো জাতি-গোষ্ঠীর বৈষম্য থাকবে না। সবার জন্য প্রত্যাশিত বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চান তিনি। কাউকে আলাদা মনে করেন না।বৈঠকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে সমতলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভূমির মালিকানা সমস্যা সমাধানে ভূমি কমিশন গঠন, আদিবাসী অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী শব্দের পরিবর্তে গোত্রভিত্তিক পরিচয় প্রদান, আদিবাসী হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি, কেন্দ্রীয় কালচারাল সেন্টার, বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বা রিজার্ভ বনাঞ্চল থেকে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসতি উচ্ছেদ বন্ধ করা এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জন্য ঋণসুবিধা প্রদানের দাবি উপস্থাপন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। দেশের সব প্রতিষ্ঠান, দেশের অর্থনীতি ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে গেছে। প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো। এভাবে যদি অর্থ পাচার না হতো, তাহলে আপনাদের (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী) অনেক সমস্যা সমাধান হয়ে যেত। আমাদের সরকার পর্যায়ক্রমে যেগুলো সমাধানযোগ্য, সেগুলো আগে সমাধান করার চেষ্টা করছে।উপপ্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এখনকার যুদ্ধটা অনেক বড়। এখানে টিকে থাকতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।দেশের বিরাজমান সমস্যার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে এত এত সমস্যা এখনো বিরাজমান দেখে এখনো বিস্মিত হই। কেননা ১৭ বছর তো এগুলো অ্যাড্রেস হওয়ার কথা ছিল। সে সময় এগুলো যদি অ্যাড্রেস করা হতো, তাহলে অনেক সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। আগে এত উন্নয়নের গল্প শুনতাম, সেগুলো আসলে কোথায়? এখন সব চাপটা এসেছে আমাদের সরকারের ওপরে। এই সরকারের ওপরে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। আমরা চেষ্টা করছি, সেই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে।দেশের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে ফ্যাসিস্ট সরকার ধ্বংস করে দিয়েছে, এই অবস্থা থেকে উত্তরণে সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলো প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেছেন বলে জানান উপপ্রেস সচিব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওরা একটা জেনারেশনকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যাত্রা শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তাঁর সময়ে ৩১ বেডের হাসপাতাল স্থাপিত হয়েছে। তারপর আমাদের সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই সেটার উন্নয়ন হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর সেটা ৫০ বেডে উন্নীত করা হয়েছে। এখন আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১০১ বেডে উন্নীত করার। অথচ আগের সরকার ইউনিয়নভিত্তিক কমিউনিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। কিন্তু সেগুলোর কোনো কার্যক্রম নেই।২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধিসহ কিডনি ডায়ালাইসিস ও হার্টের রিং-প্রভৃতি জরুরি মেডিকেল যন্ত্রাংশের ওপর আরোপিত কর হ্রাস করার কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী।বৈঠকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, সংসদ সদস্য আন্না মিনজ, সংস্কৃতিকর্মী সঞ্জীব দ্রংসহ ১৭ জেলার ১৮টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

৪ দিন আগে

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী

অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ফ্রি করার সিদ্ধান্ত: প্রধানমন্ত্রী


দেশের নারী শিক্ষায় মা ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদান স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, তিনি যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন আমাদের মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থাকে ফ্রি করেছিলেন। আমরা অনার্স পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষাব্যবস্থা ইনশাআল্লাহ ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। একই সঙ্গে প্রাইমারিতে যেরকম স্টাইপেন দিচ্ছি, একইভাবে উচ্চ শিক্ষায় যারা ভালো রেজাল্ট করবে সেই সব মেয়েদের আমরা স্কলারশিপ দেব। বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২৬’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ সময় প্রাথমিক শিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও শিক্ষার উন্নয়নে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার অবদান নিয়ে একটি ভিডিওচিত্র উপস্থাপন করা হয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সরকার থেকে পর্যায়ক্রমিকভাবে বাংলাদেশের প্রাইমারি স্কুলের প্রথম শ্রেণি থেকে থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিশুকে নতুন স্কুল ড্রেস দেব ইনশাআল্লাহ। তিনি বলেন, আমরা মিডডে মিলের ওপর কাজ করছি। যেন বাচ্চারা আরো ভালো খাবার খেতে পারে।শিক্ষকদের প্রতি শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়ে সারা দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিশুদের মানুষ করার কারিগর আপনারা। তাই খেয়াল রাখতে হবে কোনো শিশু যেন নির্দয় হয়ে বেড়ে না ওঠে সেটি প্রাণী হোক বা পশু-পাখির প্রতি হোক। কারো প্রতি যেন তারা নির্দয় না হয়। তাই শিশুদের মানবিকভাবে গড়ে তুলবেন আপনারা। দেশ গড়তে মানবিক সৈনিক দরকার । আর এই মানবিক সৈনিক আপনারা গড়ে তুলবেন। আর শিশুরা মানবিক মানুষ হিসেবে বেড়ে উঠলে মানবিক বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন। সূচনা বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সাখাওয়াৎ হোসেন। সারা দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে অসংখ্য শিশু শিক্ষার্থী অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। এ সময় দেশ জুড়ে প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে নির্বাচিত সেরা শিক্ষার্থী এবং শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানসমূহকে পদক দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানের মাঝেই খুদে শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের মধ্যে ‘মোবাইল শিক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক' এর পক্ষ-বিপক্ষ নিয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর শুরু হয় শিশুদের মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অতিথি সারিতে বসে অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। শিশুদের লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলার ওপরও জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া তাদের প্রতি বছর একটি করে গাছ রোপণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, 'তোমরা প্রতি বছর বর্ষাকালে একটি করে গাছ লাগাবে। গাছটা ও বড় হবে, সঙ্গে তোমরাও বড় হবে। গাছই হবে তোমাদের বন্ধু । গাছের নিচে বসে ক্লান্তি দূর হবে, শান্তি পাবে।স্কুল পরিষ্কার রাখতে শিশুদের প্রতি আহ্বান শিশুদের নিজেদের স্কুল পরিষ্কার রাখতে ও ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে একে অপরকে সাহায্য করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 'সবুজ বিদ্যালয়' কর্মসূচির অধীনে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্ৰে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর স্থাপিত স্টল পরিদর্শনকালে তিনি এ আহ্বান জানান। এর আগে সেখানে একটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে 'গ্রিন স্কুল' বা সবুজ বিদ্যালয় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে প্রদর্শনীটি ঘুরে দেখেন তিনি।

৫ দিন আগে

দ্বিমত থাকলেও মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

দ্বিমত থাকলেও মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী


সংসদ অধিবেশনে কথা বলছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইস্যুতে দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু দেশের প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের প্রশ্নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও সাধারণ মানুষের কল্যাণ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক মুক্তির প্রশ্নে জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই।বুধবার (১৫ জুলাই) জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ, প্রান্তিক কৃষক এবং পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।’তিনি জানান, বর্তমানে চালু থাকা ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, স্পোর্টস কার্ড, প্রবাসী কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় গুরুদের জন্য বিশেষ কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ডে’র আওতায় আনার পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এর মাধ্যমে নাগরিকরা একক কার্ড ব্যবহার করে সব সরকারি সুবিধা নিতে পারবেন।সরকারপ্রধান বলেন, ‘রাষ্ট্রের দেওয়া এসব সুবিধা কোনো দয়া বা অনুগ্রহ নয়, বরং নাগরিকদের প্রতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। রাষ্ট্র যদি সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়, তবে রাষ্ট্র ও জনগণ- উভয়ই দুর্বল হয়ে পড়ে।’কৃষিখাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাই কৃষকদের অর্থনৈতিক মুক্তি ছাড়া দেশের সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়।’তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, ‘নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ থাকা প্রায় ১৩ লাখ প্রান্তিক কৃষকের সুদসহ সম্পূর্ণ ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং কৃষকরা ইতোমধ্যে এর সুফল পাচ্ছেন।’বিরোধী দলের একজন সংসদ সদস্য নিজ এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড চালুর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করায় সন্তোষ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কল্যাণমূলক কর্মসূচির বিষয়ে জাতীয় ঐকমত্য তৈরি হওয়া ইতিবাচক লক্ষণ।’ এ জন্য তিনি বিরোধী দলীয় নেতাসহ বিরোধী দলের সদস্যদের ধন্যবাদ জানান।তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচার ও বিদেশি নির্ভরতা থেকে দেশকে মুক্ত রাখতে হলে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হবে। সেই শক্তির ভিত্তি হবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’দেশের অর্থনীতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে। দুর্নীতি ও অর্থপাচারের কারণেই দেশের অবকাঠামো ও জনজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমান সরকার যেকোনো মূল্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে এবং দুর্নীতির পথ বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।’তিনি জানান, ‘২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদন সম্প্রসারণ এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তি, ব্লু ইকোনমি, ইকোট্যুরিজমসহ বিভিন্ন খাতে পর্যায়ক্রমে বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়নে ভাষা ও কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ রোপণের কর্মসূচির ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা তৈরি হবে এবং প্রায় আড়াই লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’ তিনি জানান, এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে প্রায় দুই লাখ গাছের চারা রোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের মতামতের ভিত্তিতে প্রণীত ৩১ দফা এখন শুধু একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়, বরং দেশের মানুষের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের রূপরেখায় পরিণত হয়েছে।’ পাশাপাশি ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানান তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও পেশাদার করা, ১০ হাজার নতুন পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ এবং বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, ‘সংসদের সব সদস্য ও দেশের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে শহীদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করে একটি বৈষম্যহীন, উগ্রবাদমুক্ত এবং প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।’

৫ দিন আগে

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

শিক্ষার্থীদের প্রতিবছর একটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৫ জুলাই ২০২৬ সকাল ১১:৫৪:২১

আইসিটি উদ্যোক্তাদের  সরকার  ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী

আইসিটি উদ্যোক্তাদের সরকার ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে: প্রধানমন্ত্রী

১৪ জুলাই ২০২৬ দুপুর ১২:৪২:২৭

বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বরিশালের বিস্তীর্ণ জঙ্গলে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

১৩ জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৩:৩৩:০৯

গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

গাছ লাগালেই দায়িত্ব শেষ নয়, শিশুর মতো যত্ন নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

১৩ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:৩১:৩৭

বরিশাল পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

বরিশাল পৌঁছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৩ জুলাই ২০২৬ সকাল ১০:৫৩:০৮

জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১২ জুলাই ২০২৬ বিকাল ০৫:০৯:৩২

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

হাসপাতালে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ডা. পাভেলকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী

১১ জুলাই ২০২৬ রাত ০৬:১৬:১৪

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

সরকার স্বাস্থ্যখাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী

১১ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০২:৩৩:৪৪

সহধর্মিনীসহ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

সহধর্মিনীসহ ‘ডিএমসি ডে-২০২৬’ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর

১১ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০২:২৫:১৯

ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তুললেন সেলফি

ঢামেকের ৮০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, তুললেন সেলফি

১১ জুলাই ২০২৬ দুপুর ০১:৫৯:১৪

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে প্রশাসন-নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

১০ জুলাই ২০২৬ রাত ১০:১৭:১৮

1–15 / মোট 319টি সংবাদ | পৃষ্ঠা 1 / 22
শিরোনাম
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি করা হচ্ছে মোজাফফরকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে: মেসি ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রতিবাদে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: কাটেনি ট্রমা প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাশিয়ানী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত সরকারি ফি ১১৯০ টাকা, অভিযোগ ৮ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়ের বগুড়ায় বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণ, নকশা অনুমোদনের বাইরে শতাধিক ভবন জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নানা অনিয়মের অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আসামি করা হচ্ছে মোজাফফরকে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ড দ্য পিউরেস্ট সলিউশনস’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু স্বাভাবিক হতে সময় লাগবে: মেসি ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রতিবাদে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির এক বছর: কাটেনি ট্রমা প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কাশিয়ানী থানার ওসি মাহফুজুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত সরকারি ফি ১১৯০ টাকা, অভিযোগ ৮ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায়ের বগুড়ায় বাড়ছে ঝুঁকিপূর্ণ নির্মাণ, নকশা অনুমোদনের বাইরে শতাধিক ভবন জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নানা অনিয়মের অভিযোগে ৪৯ রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স বাতিল