গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গবিপ্রবি) নতুন ভাইস-চ্যান্সেলর (ভিসি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাত। আজ রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১ (সংশোধিত-২০২৫)’র ১০ (১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. নাজমুস সাদাতকে নিয়োগ প্রদান করা হলো।এতে উল্লেখ করা হয়, ভাইস-চ্যান্সেলর পদে তার নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে ৪ বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে, যা আগে ঘটে সেই সময় পর্যন্ত। এ পদে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতনভাতাদি প্রাপ্য হবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করবেন।রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়
১ দিন আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অন্যতম অ্যালামনাই সংগঠন ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডের ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, এমপি। সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. ওবায়দুল ইসলাম।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল, এমপি, বাংলাদেশ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান এ.এস.এম. আব্দুল হালিম, স্নোটেক্স গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস.এম. খালেদ, জায়ান্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক হাসান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম।অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ রেজাউল বিল্লাহ শিমুল। পরে সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ নজমুল ইসলাম ক্লাবের গত পাঁচ বছরের কার্যক্রম, অর্জন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেড একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি শিক্ষা, মানবিক সেবা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক দায়বদ্ধতামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বর্তমানে সংগঠনটির সদস্যসংখ্যা ৬৪০-এর বেশি এবং এটি দেশের অন্যতম সক্রিয় অ্যালামনাই সংগঠনে পরিণত হয়েছে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাকারিয়া তাহের বলেন, দেশের উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ক্লাবের শিক্ষা সহায়তা, বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক কল্যাণমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, একটি দক্ষ, উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এ ধরনের অ্যালামনাই সংগঠন সরকারের উন্নয়ন অভিযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে।সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ.বি.এম. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা তখনই পূর্ণতা লাভ করে যখন প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা সমাজ ও দেশের উন্নয়নে নেতৃত্ব দেয়। তিনি ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সফল ও সক্রিয় অ্যালামনাই সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করেন এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাবের স্কলারশিপ কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্লাবের মধ্যে ভবিষ্যতে আরও নিবিড় সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।বিশেষ অতিথিরাও তাঁদের বক্তব্যে ক্লাবের পাঁচ বছরের সাফল্য, সামাজিক দায়বদ্ধতা, নেতৃত্ব এবং সদস্যদের ঐক্যের প্রশংসা করেন। তাঁরা বলেন, পেশাগত নেটওয়ার্কিংয়ের পাশাপাশি মানবিক ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে সংগঠনটি একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।অনুষ্ঠানে ক্লাবের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের জন্য স্থায়ী বৃত্তি কর্মসূচি, বন্যাদুর্গত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ‘ক্যাম্পাস টু করপোরেট’সহ বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন উদ্যোগ, শিল্পকলা ও আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা এবং মহান স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন।এছাড়া ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্থায়ী ক্লাব কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা, স্কলারশিপ ফান্ড সম্প্রসারণ, আন্তর্জাতিক অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গঠন, ক্যারিয়ার উন্নয়ন কর্মসূচি এবং সদস্যসেবার পরিধি বৃদ্ধির পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দাতা সদস্য, স্পন্সর ও কর্পোরেট পার্টনারদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেড ছিল অনুষ্ঠানের টাইটেল স্পন্সর। অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে ওয়ার্দা রিহাব ও ধৃতি নর্তনালয়ের নৃত্য পরিবেশনা এবং জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘সোলস’-এর সঙ্গীত পরিবেশনা অতিথিদের মুগ্ধ করে। পরে র্যাফেল ড্র এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
২ দিন আগে
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। তবে ফল প্রকাশের নতুন তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানিয়েছে তারা। তবে চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশের চেষ্টা চলছে। ১৮ জুলাই শনিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।তিনি জানান, শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ২০ জুলাই ফল প্রকাশের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলেন। সে অনুযায়ী শিক্ষা বোর্ডগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও নিয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক প্রশাসনিক ব্যস্ততার কারণে ফল প্রস্তুতের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে ফল প্রকাশে কয়েকদিন বিলম্ব হচ্ছে।চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ সম্ভব হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ চলতি মাসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করতে পারব বলে আশা করছি।’এর আগে গত ১৫ জুন এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার ফলও পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে প্রকাশের লক্ষ্য রয়েছে।বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে নিবন্ধন করেছিলেন ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ছাত্র ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং ছাত্রী ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ২০৮ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২ দিন আগে
বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণ এবং প্রশ্নপত্রে ভুলের অভিযোগে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হকের পদত্যাগের দাবিতে সরকারকে দ্বিতীয় দফায় আলটিমেটাম দিয়েছে।তাদের দাবি, আজ বুধবার রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। অন্যথায় বৃহস্পতিবার রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে আবারও অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। পরে সেখান থেকে সচিবালয়ের উদ্দেশে ‘লংমার্চ’ করা হবে।বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা। ঘোষণার পর তারা শাহবাগ ছেড়ে চলে গেলে সেখানে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসে।আন্দোলনকারীদের পক্ষে ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থী রাহাত আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাস্তা আটকে থাকায় জনগণের ভোগান্তি হচ্ছে। আমরা মানুষের ভোগান্তি চাই না। তাই আজকের মতো কর্মসূচি স্থগিত করছি। আমাদের দাবি একটাই, শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। আজ (বুধবার) রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে। তা না হলে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড় থেকে ‘লংমার্চ টু সচিবালয়’ কর্মসূচি পালন করব।অন্যদিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী জুনায়েদ বলেন, রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করলে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে ‘ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করা হবে। পরে সেখান থেকে সচিবালয়ের দিকে অগ্রসর হবেন শিক্ষার্থীরা।তিন দফা দাবিতে বুধবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। এতে শাহবাগ হয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং আশপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।এর আগে পূর্বঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুরে শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সায়েন্স ল্যাবরেটরি মোড়ে প্রায় আধাঘণ্টা অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেন। পরে ‘লংমার্চ টু শিক্ষা মন্ত্রণালয়’ কর্মসূচি নিয়ে সচিবালয়ের উদ্দেশে রওনা দেন।বিকেল ৪টার দিকে তারা শিক্ষা ভবনের সামনে পৌঁছালে পুলিশের ব্যারিকেডের মুখে পড়েন। সেখানে প্রায় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা অবস্থান নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ ও স্লোগান দেন। পরে বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে শিক্ষা ভবনের সামনে থেকে শাহবাগের উদ্দেশে রওনা হয়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন।
৫ দিন আগে