বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেছেন, দলের সুদিনে অনেকেই কাছে আসেন, কিন্তু দুর্দিনে যারা সব ভয়-ভীতি ও বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে রাজপথে টিকে থাকেন, তারাই দলের আসল প্রাণ। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের উত্তর চর আইরকান্দি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে পুনর্বাসন গৃহ হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।এসময় বিএনপির কঠিন ও সংকটময় সময়ে দলকে সুসংগঠিত রাখা এবং নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে অসামান্য ভূমিকা রাখায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলামের প্রশংসা করেন আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার। এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম, কালকিনি উপজেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বেপারী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব হোসেন মুন্সী সহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।সংসদ সদস্য আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার বলেন, বিগত দিনে যখন দলের নেতাকর্মীরা মামলা, হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন, তখন শহিদুল ইসলাম নিজের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও স্বার্থের কথা না ভেবে তৃণমূলে দলকে আগলে রেখেছেন। নেতাকর্মীদের আর্থিক ও আইনি সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি আন্দোলনের মাঠ সচল রাখতে তিনি যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন, তা দলের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। আগামী দিনেও দলীয় ঐক্য বজায় রেখে দেশের সার্বিক কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
১ মিনিট আগে
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় কুমার নদীতে নিখোঁজের ১৮ ঘন্টা পর কৃষক মিঠু খলিফার (৬০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে আটটার সময় মোকসুদপুর উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের মনিরকান্দা এলাকার কুমার নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মরদেহটি । কৃষক মিঠু খলিফার বাড়ি ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ইউনিয়নের বিবিরকান্দি গ্রামের মৃত রশিদ খলিফার জ্যেষ্ঠ পুত্র । স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে পাট ধোয়া শেষ করে মিঠু খলিফা সাতার কেটে পাড়ের কাছাকাছি এসে একটি বাঁশের খুঁটি ধরে লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এরপর হঠাৎ করেই নিখোঁজ হন তিনি । এরপর স্থানীয় গ্রামের লোকজন নৌকা নিয়ে এবং ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসে সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে ফরিদপুর থেকে ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে এসে কুমার নদীতে নিখোঁজ কৃষক মিঠু খলিফাকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চালায়। দীর্ঘ ৬ ঘন্টা নদীতে তল্লাশি চালিয়েও তার কোন সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত করে উদ্ধারকর্মীরা। এদিকে মিঠু খলিফা নদীতে নিখোঁজের ঘটনায় তার পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়- স্বজনসহ হাজারো গ্রামবাসী নদীর দুই পাড়ে অবস্থান করে। পরে আজ সকালে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।এ ব্যাপারে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবু জাফর বলেন, আজ রবিবার সকালে তার মরদেহ মনির কান্দা এলাকায় কুমার নদী থেকে উদ্ধার করি। এর আগে শনিবার দুপুরে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নদীতে উদ্ধার কার্যক্রম চালাই। দীর্ঘ ছয় ঘণ্টার মধ্যেও মিঠু খলিফার সন্ধান না পেয়ে অভিযান সমাপ্ত করি।
৮ মিনিট আগে
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন বলেছেন, 'প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ,দাউদকান্দি মডেল পদ্ধতি পুনরায় চালু করলে জাতীয় অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা আসবে। এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ। কৃষিবান্ধব এই মৎস্য চাষ কর্মসূচি বিগত বিএনপি সরকারের সময়ে ব্যাপক সাড়া জাগিয়ে ছিল। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকার কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়। যা খুবই দূর্ভাগ্যজনক। রোববার (১৬ আগস্ট) 'মৎস্য পক্ষ-২০২৬' উদযাপন উপলক্ষে দাউদকান্দি উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।ড. খন্দকার মারুফ বলেন, এই মৎস্য চাষ কর্মসূচি নতুন করে চালু করা হলে মৎস্য ঘাটতি পূরণ হবে,জাতি উপকৃত হবে। এটি সমাজভিত্তিক মৎস্য চাষ পদ্ধতি। বর্ষাকালে প্লাবিত কৃষি জমিতে ৬ মাসের জন্য এই পদ্ধতিতে মৎস্য চাষ করা হয়। বর্ষা শেষে কৃষকরা সমুদয় মাছ ধরে বিক্রি করে দেন।এই একই জমিতে নতুনভাবে ইরি বোর ধান চাষ করা হয়।জাতীয় মৎস্য পক্ষ ২০২৬ উদযাপনে প্রতিপাদ্য ছিল, 'রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ'। এই উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালিতে নেতৃত্ব দেন প্রধান অতিথি ড.খন্দকার মারুফ হোসেন। আলোচনায় ড.খন্দকার মারুফ বলেন, প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ পদ্ধতি, 'দাউদকান্দি মডেল' হিসেবে ২০০৪ সালে সরকারী স্বীকৃতি পেয়েছে। মৎস্য অধিদপ্তর এটি দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেন। এই মৎস্য চাষ পদ্ধতির উপর গবেষণা চালিয়ে ইতোমধ্যে বহু শিক্ষার্থী পি.এইচডি ডিগ্রী অর্জন করেছেন।বিএনপি নেতা খন্দকার মারুফ বলেন, মৎস্য চাষের এই নয়া পদ্ধতির উদ্ভাবক বর্ষীয়ান রাজনীতিক ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তাঁর রচিত 'প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ,দাউদকান্দি মডেল' নামের গ্রন্থ মৎস্য অধিদপ্তরে 'গাইড বই' হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষক পরিবারে সচ্ছলতা ও কৃষি উৎপাদন বাড়াতে কৃষক কার্ড প্রদান করছেন। মৎস্য চাষ, হাঁসমুরগি পালন ও কৃষি কাজে সহায়তা দিতে অধিকতর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তিনি উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতিতে বিশ্বাসী। 'প্লাবণ ভূমিতে মৎস্য চাষ' পদ্ধতি আবারও চালু করা হলে জাতীয় অর্থনীতিতে অসামান্য অবদান রাখবে, কৃষক পরিবারে আনন্দ বার্তা যাবে, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। মৎস্য চাষ পদ্ধতিটি আবারও পুরোদমে চালু করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা দাবি করছি। ড.খন্দকার মারুফ বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশকে এগিয়ে নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে কাজ করছেন। স্বাবলম্বী করতে দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করার পরামর্শ দেন।ড.খন্দকার মারুফ মৎস্য চাষে উৎপাদন বাড়াতে উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা এবং মৎস্য চাষীদের মধ্যে মেলবন্ধন সৃষ্টির উপর গুরুত্বারোপ করেছেন। 'যারা কারেন্ট ও চায়না জাল দিয়ে যারা অবৈধভাবে মাছ ধরছে' তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য তিনি (ড.মারুফ) স্থানীয় প্রশাসনকে অনুরোধ জানান। পরে উপজেলা কমপ্লেক্স পুকুরে ড.খন্দকার মারুফ হোসেন মাছের পোনা অবমুক্ত করেন। তিনি সফল মৎস্য উদ্যোক্তা ও চাষীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।দাউদকান্দির ইউএনও নাহিদ আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসার সাবিনা ইয়াসমিন চৌধুরী, দাউদকান্দি মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একেএম শামসুল হক, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, পৌর যুবদলের আহবায়ক শরীফ চৌধুরী ও দাউদকান্দি উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রোমান খন্দকার প্রমুখ।
৪৫ মিনিট আগে
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় বিউটি ও পার্সোনাল কেয়ার প্ল্যাটফর্ম সাজগোজ এবার নতুন জুয়েলারি ও অ্যাকসেসরিজ বিভাগ চালুর মাধ্যমে তাদের পণ্যের পরিসর আরও বাড়িয়েছে। নতুন কালেকশনটি মূলত সাজগোজকে গিফট ও ব্যক্তিগত স্টাইলের জন্য একটি ওয়ান-স্টপ শপ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই আনা হয়েছে। এখানে বিভিন্ন উপলক্ষ ও বাজেটের জন্য থাকছে নানা ধরনের পণ্য। কালেকশনটি এখন শুধু অনলাইনে shop.shajgoj.com-এ পাওয়া যাচ্ছে। গত বছর সাজগোজের মুক্তার গহনার পাইলটটি গ্রাহকদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া পাওয়ার পর, সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি এবার উৎকৃষ্ট মানের মুক্তা, ট্রেন্ডি ফ্যাশন জুয়েলারি এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন অ্যাকসেসরিজ নিয়ে তাদের পণ্যের সংগ্রহ আরও সম্প্রসারিত করেছে। নতুন এই ক্যাটাগরিতে বিশেষ অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সাজসজ্জার জন্য সব ধরনের গহনা একত্রে রাখা হয়েছে। গ্রাহকরা ‘দ্য রয়্যাল পার্ল’ এবং ‘অপেরা’-র মতো মুক্তার সেটের পাশাপাশি বাটারফ্লাই ও হার্ট স্টাড, ঝুমকা, ঝাড়বাতি কানের দুল, আংটি এবং চুড়ি থেকে বেছে নিতে পারেন। এই কালেকশনে হেয়ার ক্লিপ, স্ক্রাঞ্চি এবং নেইল আর্ট স্টিকারের মতো দৈনন্দিন ব্যবহারের অ্যাক্সেসরিজও রয়েছে। ৭৫ টাকা থেকে শুরু হওয়া দামে এই কালেকশনে প্রিমিয়াম মুক্তার নজরকাড়া গহনার পাশাপাশি সহজলভ্য বিকল্পও রয়েছে, যা এটিকে বিভিন্ন উপহারের উপলক্ষ ও বাজেটের জন্য উপযুক্ত করে তোলে।
১ ঘন্টা আগে