দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬ বিকাল ০৩:২৪:২২
দিরাইয়ে পুলিশের বিশেষ অভিযানে হত্যা ও নিয়মিত মামলার ১০ আসামি গ্রেফতার
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলার এজাহারনামীয় ২ জন এবং বিভিন্ন মেয়াদের পরোয়ানাভুক্ত ৮ জনসহ মোট ১০ জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে থানার বিভিন্ন চৌকস দল উপজেলার পৃথক পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দিরাই থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আসাদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল ১ মে, ২০২৬ তারিখের একটি মারামারি ও চুরির মামলার (জিআর নং-৯৩) এজাহারনামীয় আসামি বিজয় তালুকদারকে (৪০) নোয়াগাঁও গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। সে মৃত গিরেন্দ্র তালুকদারের ছেলে।
পৃথক আরেকটি অভিযানে এসআই মোঃ আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে পুলিশ দল গত ১৭ মে, ২০২৬ তারিখের একটি হত্যা মামলার (জিআর নং-১০৪) এজাহারনামীয় আসামি তুহিন আলী ওরফে তুহিন মিয়াকে (৩০) তার নিজ বাড়ি আলীনগর (ভাটিপাড়া) থেকে গ্রেফতার করে। তুহিন মৃত রিজিক আলীর ছেলে।
এদিকে থানার এসআই শাহ আলম, এএসআই মোঃ আব্দুল মোতালিব, এএসআই প্রদীপ চন্দ্র বর্মন, এএসআই দিবাস চন্দ্র দাস, এএসআই মোঃ টিপু সুলতান, এএসআই সুমন চন্দ্র মোদক, এএসআই কাজী মমিন হোসেন ইমন এবং এএসআই দীপক দাস দিপুর সমন্বয়ে গঠিত একটি বিশেষ টিম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আরও ৮ আসামিকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন: কবির মিয়া (৫৫), ইকবাল হোসেন (২৫) ও সোহাগ মিয়া (৩০): শরিফপুর গ্রামের বাসিন্দা। সুনামগঞ্জ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতের একটি নন-জিআর মামলার (নং-৬৯/২৫) পরোয়ানাভুক্ত আসামি তারা।
ময়না মিয়া (২৫): আকিলনগর (হাতিয়া) গ্রামের মৃত মতলিব উল্লার ছেলে। তিনি ২০১৫ সালের একটি মারামারি ও ভাঙচুর মামলার (জিআর নং-১১) পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
বজলুর রহমান (৫০): কাজাউড়া গ্রামের মৃত আফতাব উদ্দিন তালুকদারের ছেলে। তিনি আদালতের নন-জিআর (৭১/২৫) মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি।
কৃপেন্দ্র দাস (৫২), অখিল দাস (৫৮) ও অভিনয় দাস (২৫): দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা। তারা প্রত্যেকেই আদালতের একটি নন-জিআর (১৪/২৫) মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি।
থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত সকল আসামিকে যথাযথ পুলিশি পাহারায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধ দমনে পুলিশের এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।