নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১ এপ্রিল ২০২৬ বিকাল ০৫:৪২:৫৬
গ্রামীণফোন ও চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের চুক্তি: মণিপাল হাসপাতালের সেবা এখন হাতের নাগালে
দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সুবিধা আরও সহজলভ্য করতে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সহযোগী প্রতিষ্ঠান চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনাল এবং বাংলাদেশের শীর্ষ টেলিকম অপারেটর গ্রামীণফোনের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর ফলে গ্রামীণফোনের জিপি-স্টার গ্রাহক ও কর্মীরা আন্তর্জাতিক হাসপাতালগুলোতে অগ্রাধিকারভিত্তিক সেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন।
বুধবার চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
চুক্তির আওতায় জিপি-স্টার গ্রাহকরা ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর ও দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে দ্রুত সময়ে আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। পাশাপাশি ভারতের বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত মণিপাল হাসপাতালে চিকিৎসা সেবায় বিশেষ সুবিধা উপভোগের সুযোগ থাকছে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে গ্রামীণফোনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হেড অব পার্টনারশিপ মুনিয়া গনি, পার্টনারশিপ ম্যানেজার মুনমুন খান, নাসের আহমেদ ও খন্দকার হাসান শাহরিয়ার। অন্যদিকে চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন চিফ অপারেটিং অফিসার মুনতাসির মাহমুদ এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. তানভির মোরশেদ। এছাড়া ভারতের মণিপাল হাসপাতাল, বেঙ্গালুরুর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সোয়াতী আগরওয়াল অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে মুনিয়া গনি বলেন, “গ্রামীণফোন সবসময় গ্রাহকদের জন্য সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আন্তর্জাতিক চিকিৎসা সুবিধা প্রদান সেই প্রতিশ্রুতিরই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা দেশের সীমানা পেরিয়ে উন্নত চিকিৎসা সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করবে।”
চিকিৎসা ইন্টারন্যাশনালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. তানভির মোরশেদ বলেন, “চিকিৎসা সেবাকে কোনো দেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ রাখা যায় না। এই সমঝোতা ‘কেয়ার বিয়ন্ড বাউন্ডারি’ ধারণাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক চিকিৎসাকে মানুষের আরও কাছে নিয়ে আসবে।”
মণিপাল হাসপাতাল, বেঙ্গালুরুর সিনিয়র এক্সিকিউটিভ সোয়াতী আগরওয়াল বলেন, “বিশ্বমানের চিকিৎসা সেবা সবার কাছে পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি। আধুনিক প্রযুক্তি ও দক্ষ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে রোগীদের জন্য দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও দুশ্চিন্তামুক্ত সেবা নিশ্চিত করতে চাই।”
এই চুক্তির মাধ্যমে জিপি-স্টার গ্রাহকদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য, কার্যকর ও সাশ্রয়ী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।