প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দেশ যখন দ্রুত উন্নত ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তখন সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য জামায়াতে ইসলামী ষড়যন্ত্রমূলকভাবে শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধানের অপহরণ নাটক সাজিয়েছে বলে মতামত ব্যক্ত করেছেন দাউদকান্দি উপজেলা ও পৌর বিএনপি'র নেতৃবৃন্দ। শনিবার (১৩ জুন) শিবির নেতা জিসান মিয়ার দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি ও জামায়াতের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এম.এ জলিল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে উপজেলা বিএনপি এবং দাউদকান্দি পৌর সদরে পৌর বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব পৃথক প্রতিবাদ সভাগুলোতে বক্তব্যে সিনিয়র নেতারা এইসব কথা বলেন। শহীদনগরে অনুষ্ঠিত প্রতিবাদ সভায় দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এম.এ লতিফ ভুঁইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব জসিমউদ্দিন আহমেদ এবং সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বানোয়াট নিখোঁজের পরদিন শিবির নেতাকে লাকসাম থেকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। শিবির নেতা জিসান মিয়া প্রধানের (২৮) বিরুদ্ধে দাউদকান্দি থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক বিধবা দুই সন্তানের মা'কে ধর্ষণ ও জোরপূর্বক গর্ভপাত ঘটিয়ে ভ্রূণ নষ্ট করার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করা হয়। নারীঘটিত জঘন্য কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার এই দায় থেকে বাঁচতে শিবির নেতা জিসান মিয়া মূলত: স্বেচ্ছায় গা ঢাকা দিয়েছে। স্বেচ্ছায় পালিয়ে বেড়ানোর ঘটনাকে অপহরণ হিসাবে 'জামায়াতের অপপ্রচার, সুস্থ ধারার রাজনীতির পরিপন্থী'। বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিপ্রায়ে তারা ষড়যন্ত্রমূলক এই অপহরণ নাটক সাজিয়েছে। জামায়াতের দুরভিসন্ধিমূলক রাজনৈতিক অপতৎপরতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং শিবির নেতা জিসান মিয়ার দৃষ্টান্তমূলক শান্তি দাবি করছি।বিএনপি'র সিনিয়র নেতারা বলেন, অপহরণ নাটকের অভিনেতা শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়া প্রধান দাউদকান্দি উপজেলার বীরবাগ গোয়ালী গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর এই অপকর্মের কারণে এলাকার সর্বস্তরের মানুষ তীব্র ক্ষোভ ও ঘৃণা প্রকাশ করছে। জিসানের কঠোর শাস্তির দাবি করছেন।দাউদকান্দি সদরে মিছিলপূর্ব প্রতিবাদ সভায় পৌর বিএনপির আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার ও সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতে নিরলসভাবে কাজ করছেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনার রেখে যাওয়া ধ্বংসস্তুপ থেকে দেশকে দ্রুতই উন্নয়নের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ছলচাতুরী আর মিথ্যা নাটক সাজিয়ে বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এবং সুনাম নষ্ট করতে জামায়াতে ইসলামী নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। জিসানকে কেউ অপহরণ করেনি, তিনি স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে ছিলেন। আমরা এই অপহরণ নাটকের তীব্র ঘৃণা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করছি। শহীদনগরে দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আবদুস সাত্তার,এনামুল হক সফর তালুকদার,বিএনপি নেতা আরিফ মাহামুদ, সালাহউদ্দিন ভুইয়া, দাউদকান্দি উপজেলা যুবদলের আহবায়ক শাহ আলম সরকার, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্র দলের আহবায়ক আসিফ কবির,দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আবদুল বাসেদ, সদস্য সচিব রিমন খন্দকার এবং দাউদকান্দি পৌর বিএনপির প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন, আয়োজক সংগঠনের সদস্য সচিব কাউসার আলম সরকার, পৌর যুবদলের আহবায়ক শরীফ চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব মো.রোমান খন্দকার, যুবদল নেতা আসাদুজ্জামান লিমন, শ্রমিক দল নেতা মজিবুর রহমান ও জামাল হোসেন প্রমুখ। এদিকে শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা জিসান মিয়ার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এবং জামায়াতের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে দাউদকান্দি উপজেলার বিটেশ্বর ইউনিয়নের নৈইয়ারে বিএনপি ও ছাত্রদল, ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন এবং ইলিয়টগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠন বিক্ষোভ মিছিল বের করেছে।
৯ মিনিট আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেটকে জনকল্যাণমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর, আত্মনির্ভর ও মানবিক বাংলাদেশের রূপরেখা হিসেবে আখ্যায়িত করে বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছে বিএনপির জার্মানি শাখা। দলটির নেতারা বলেছেন, সরকারপ্রধান হিসেবে তারেক রহমানের প্রস্তাবিত এই বাজেট প্রমাণ করেছে যে তিনি বাংলাদেশ ও প্রবাসীদের একজন অকৃত্রিম দেশবন্ধু।শুক্রবার (১২ জুন) জার্মানির মানহাইমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বাজেটের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির জার্মানি শাখার সাবেক সভাপতি এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যাডভাইজারি কমিটির সদস্য দেওয়ান শফিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, “দেশবন্ধু তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত নতুন বাজেট কেবল একটি আর্থিক পরিকল্পনা নয়; এটি একটি আধুনিক, উন্নত, আত্মনির্ভরশীল ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গঠনের সুস্পষ্ট রূপরেখা। এই বাজেটে তরুণদের চাকরিপ্রার্থী হিসেবে নয়, বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার দিকনির্দেশনা রয়েছে।”তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ, স্টার্টআপ সহায়তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে প্রণোদনা, বিনিয়োগ সহায়তা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ রাখা হয়েছে। এর ফলে দেশের মেধাবী ও উদ্ভাবনী তরুণরা নতুন নতুন শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে প্রযুক্তিনির্ভর, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনসমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য এই বাজেটে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল অবকাঠামো, গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপকে তিনি সময়োপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।দেওয়ান শফিকুল ইসলাম বলেন, “জাতীয় উন্নয়নের এই যাত্রায় দেশের প্রতিটি নাগরিককে অংশীদার হতে হবে। ঐক্য, উদ্ভাবন, সুশাসন ও পরিশ্রমের মাধ্যমে আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব, যা হবে জনকল্যাণমূলক, প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর, অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদাশীল।”অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতারা নতুন বাজেটকে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও প্রবাসীদের সঙ্গে রাষ্ট্রের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন।
৩৭ মিনিট আগে
শরীয়তপুরে পূর্ব শত্রুতার জেরে মনি আক্তার (৩৫) নামের দুই সন্তানের জননীকে মারধর ও চুল কেটে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বেঁধে রাখার অভিযোগ ওঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। শনিবার (১৩জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এই নারী নির্যাতনের ২মিনিট ৪৮ সেকেন্টের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। পরে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।এ সময় ভিডিওতে দেখা যায় অভিযুক্তরা ওই নারীকে মেরেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে মুখে আলকাতরা ও জুতার মালা পরিয়ে দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরীয়তপুর পৌর এলাকার উত্তর পালং শাবনূর মার্কেট এলাকার বাসিন্দা মনি আক্তার নামের ওই নারীর স্বামী প্রবাসে থাকেন। সম্প্রতি মনি আক্তারের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় প্রতিবেশী দেলোয়ার দপ্তরি ও তার পরিবারের। শনিবার সকালে ওই নারীকে আপোষ মীমাংসার জন্য বাড়িতে ডেকে নেন দেলোয়ার দপ্তরির পরিবারের সদস্যরা।একপর্যায়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলে মনি আক্তারকে মারধর করে চুল কেটে দেয় দেলোয়ার দপ্তরির ছেলে পলক, মেয়ে মৌসুমী, স্ত্রী আমেনা ও আত্মীয় রহিমা। মারধর ও চুল কাটা শেষে অভিযুক্তরা মনি আক্তারকে মাদক বিক্রির অভিযোগ তুলে মুখে আলকাতরা মেখে ও গলায় জুতার মালা পরিয়ে তাকে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ওই নারীকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করে।ভুক্তভোগী নারী বলেন, আমি কোন মাদক বিক্রি করি না। আপনারা চাইলে আমার মোবাইল চেক করে দেখতে পারেন। যদি কোনো প্রমাণ পান, তাহলে যেই শাস্তি হবে তা আমি মেনে নেব। দেলোয়ার দপ্তরি আমার থেকে টাকা নিয়েছে, সেই প্রমাণ হিসেবে সে নিজেই ঢাকা গিয়ে আমাকে সই করে স্ট্যাম্প দিয়ে এসেছে। এখন সেই টাকার স্ট্যাম্প ফেরত নিতে সে তার পরিবারের লোকজন দিয়ে আমাকে মারধর করেছে, চুল কেটে দিয়ে মুখে আলকাতরা মেখে বেঁধে রেখেছে। আমাকে পলক হকস্টিক দিয়ে পিটিয়েছে। আমি বাঁচতে এক বাড়িতে আশ্রয় নিলে সেখান টেনে টেনে এনে মারধর চালায়। আমি অন্যায় করলে তারা আইনের আশ্রয় নিতো। এভাবে কেন মারল। আমি সুষ্ঠু তদন্ত করে ওদের বিচার চাই।তবে অভিযুক্তদের দাবি, মনি আক্তার মাদক বিক্রি করেন। তাছাড়া মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করে থাকেন।দেলোয়ার দপ্তরির মেয়ে মৌসুমী আক্তার বলেন, আমরা মনি আক্তারকে ছোট থেকেই কাকি বলে ডাকি। সে আমার আব্বুকে ভাই ডেকে পরকীয়া করেছে। আজ তাকে আপোষে ডেকেছিলাম কিন্তু সে গালাগালি করায় মহিলাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়েছে।তাকে কেন বেঁধে রাখা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ও আমার বাবাকে মিথ্যা মামলা দিয়েছে তাই তাকে বেঁধে রেখেছি। সে মাদক বিক্রি করে, তাকে সার্চ করলে মাদক পাওয়া যাবে।বিষয়টি নিয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, আমরা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর পেয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছি। ওনি সুস্থ হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
৪৫ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী’ ও ‘বিদেশি ঋণনির্ভর’ আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, বাজেটে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে।আজ শনিবার দুপুরে ভোলা জেলা জামায়াত কার্যালয়ে আয়োজিত উপজেলা কর্মপরিষদ সদস্যদের শিক্ষাশিবির শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে এখন দ্বিচারিতার সংস্কৃতি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। যারা নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছিলেন, তারাই নির্বাচন শেষে এর বাস্তবায়ন প্রশ্নে নীরবতা বা বিরোধিতার পথ বেছে নিয়েছেন। এ ধরনের অবস্থান পরিবর্তন জনগণের বিশ্বাসের সঙ্গে প্রতারণার সামিল।গোলাম পরওয়ার বলেন, জুলাই সনদ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। নির্বাচনকে সামনে রেখে অনেকেই এ সনদের পক্ষে কথা বললেও এখন তাদের অবস্থান বদলে গেছে। এতে জনগণের মধ্যে হতাশা সৃষ্টি হচ্ছে।গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের মানুষ রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চাই। শুধুমাত্র নির্বাচনী বক্তব্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার দিন শেষ। যারা জুলাই সনদের নামে ভোট চাইবে, তাদের অবশ্যই এর বাস্তবায়নে আন্তরিক হতে হবে।প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট প্রসঙ্গে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, সরকারের প্রস্তাবিত বাজেট বাস্তবতার তুলনায় অতিরিক্ত উচ্চাভিলাষী এবং বিদেশি ঋণের ওপর অত্যধিক নির্ভরশীল। এতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে।জামায়াত নেতা দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী বাজেট ঘোষণার পূর্বেই একটি বিকল্প ছায়া বাজেট উপস্থাপন করেছিল, যেখানে দেশীয় সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার, কর ব্যবস্থার সংস্কার, অপচয় রোধ, দুর্নীতি দমন এবং উৎপাদনমুখী খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু সরকার সেই সুপারিশগুলো আমলে নেয়নি।গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, বর্তমান বাজেটের বিপুল ঘাটতি পূরণ এবং নির্ধারিত রাজস্ব আদায় সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। ফলে অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তিনি আগামী ৩০ জুন বাজেট পাসের আগে সংশ্লিষ্ট মহলের মতামত নিয়ে প্রয়োজনীয় সংশোধনের আহ্বান জানান।ব্যাংকিং খাতের বিষয়ে জামায়াত নেতা বলেন, দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সুশাসনের ঘাটতি ও অনিয়ম উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গ্রাহকের স্বার্থ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ব্যাংককে রাজনৈতিক প্রভাব বা গোষ্ঠীগত স্বার্থের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।ভোলা জেলা জামায়াতের আমির মো. জাকির হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল, জেলা তদারককারী এ কে এম ফখরুদ্দীন উদ্দিন খান রাজী, জেলা নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নজরুল ইসলামসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
১ ঘন্টা আগে