নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৬ মার্চ ২০২৬ রাত ০৭:০০:৩১
জ্বালানি তেল কেনার সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দিল সরকার
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশের পাম্পগুলো থেকে জ্বালানি তেল কেনার সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার।
শুক্রবার (৬ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।
এতে বলা হয়, দিনে একটি মোটরসাইকেল ২ লিটার পেট্রোল বা অকটেন, ব্যক্তিগত গাড়ি ১০ লিটার পর্যন্ত তেল, স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিক্যাল বা এসইউভি (যা জিপ নামে পরিচিত) ও মাইক্রোবাস ২০ থেকে ২৫ লিটার, পিকআপ বা লোকাল বাস ৭০ থেকে ৮০ লিটার ডিজেল, আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারবে।
নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, দেশের ব্যবহৃত জ্বালানি তেলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিদেশ হতে আমদানি করতে হয়। বৈশ্বিক সংকটময় পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ব্যবস্থাপনা মাঝেমধ্যে বাধাগ্রস্ত/বিলম্বিত হয়। চলমান বৈশ্বিক সংকট পরিস্থিতিতে বিভিন্ন গণমাধ্যম/সামাজিক মাধ্যমে জ্বালানি তেলের মজুত পরিস্থিতি নিয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রচার হওয়ায় ভোক্তা/গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাহিদার প্রবণতা লক্ষ্যে করা যাচ্ছে। অতিরিক্ত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ডিলাররা বিগত সময়ের চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণ জ্বালানি তেল ডিপো থেকে সংগ্রহের চেষ্টা করছেন।
বিপিসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফিলিং স্টেশন থেকে ভোক্তাকে তেলের ধরন, পরিমাণ ও দাম উল্লেখ করে রসিদ দিতে হবে এবং প্রতিবার তেল কেনার সময় আগের রসিদ দেখাতে হবে বলে উল্লেখ করা হয় নির্দেশনায়। ডিলারেরা বরাদ্দ ও ভোক্তার ক্রয় রসিদ গ্রহণ করে তেল সরবরাহ করবে। ফিলিং স্টেশনগুলো জ্বালানি তেলের মজুত ও বিক্রির তথ্য ডিপোতে প্রদান করে জ্বালানি তেল গ্রহণ করবে।
ডিলারদের জ্বালানি তেল সরবরাহের আগে বর্তমান বরাদ্দ ও মজুতের তথ্য পর্যালোচনা করে সরবরাহ করা হবে এবং কোনো অবস্থায় বরাদ্দের চেয়ে বেশি তেল দেওয়া যাবে না বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।