সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন
ইউসুফ হোসাইন, লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৮ মে ২০২৬ দুপুর ০২:৩৮:৩৮
‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’
‘সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগী পর্যালোচনায় কমিটি হয়েছে’ বিগত সরকারের আমলে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় যাদের সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেই তালিকা পর্যালোচনা করতে একটি কমিটি করার কথা জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।
তিনি বলেন, "এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আমাদের কমিটি গঠিত হয়েছে। যত ধরনের ফেইক বেনিফিশিয়ারি লিস্ট ছিল, এই লিস্টগুলোকে রিভিজিট করার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের চতুর্থ ও শেষ দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ সব কথা বলেন।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এ অধিবেশন হয়। তিনি জানান, সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাভোগীদের যে তালিকা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ৩০ দিন সময় বেঁধে দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রক্সিমিটি টেস্টের মাধ্যমে আমরা বেনিফিশিয়ারি সিলেক্ট করছি। যাদের চাহিদা আছে, যারা পাওয়ার যোগ্য, দল-মত সকল কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে সেই যোগ্য মানুষের কাছে যেন তাদের বেনিফিটটা পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিতকরণের জন্য ইতোমধ্যে কমিটি গঠিত হয়েছে। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, "আমরা সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা যেন প্রকৃত সুবিধাভোগীদের কাছেই পৌঁছায়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।প্রান্তিক লেভেল এবং ওপরের লেভেলের যদি সমন্বয়টা ভালোমতো হয়, তাহলে অবশ্যই এটা কার্যকর হবে।নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ফ্যামিলি কার্ডসহ বিভিন্ন ধরনের কার্ড পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি নতুন করে সাজিয়েছে বিএনপি সরকার।
তিনি বলেন, আগে যেসব কর্মসূচি ছিল তাও চালু আছে। তবে নারী প্রধান পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ায় তাদের অন্য যেসব সুবিধা চালু ছিল, তা বন্ধের কথা বলেছিল সরকার। এসব তালিকা পুনর্মূল্যায়ন হলে আদতে সামাজিক সুরক্ষার আওতা বাড়বে কিনা–এমন প্রশ্ন রাখা হয় প্রতিমন্ত্রীর সামনে।ফারজানা শারমীন বলেন, “বাড়ছে তো। ফ্যামিলি কার্ডের মত এত বড় একটা ফ্ল্যাগশিপ প্রোগ্রাম যেটা দেশে এবং বিদেশে সকলে অনেক বেশি প্রেইস করেছেন, একসেপ্ট করেছেন।আমরা বিশ্বাস করতে শুরু করেছি, আসলে আমরা ইকোনমিকে যেভাবে চালাতে চাচ্ছি—এটা কিন্তু বড় বড় প্রকল্পে ইনভেস্ট করার পাশাপাশি যদি আমরা গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর মানুষের ওপর ইনভেস্ট করি, মানুষের জীবনমানের ওপর ইনভেস্ট করি, তাহলে আসলে একটু একটু করে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে।
”সামাজিক সুরক্ষা নিয়ে জেলা প্রশাসকদের তরফে কোনো সমস্যার কথা এসেছে কিনা জানতে চাইলে ফারজানা শারমীন বলেন, "উনারা অনগোয়িং প্রবলেমগুলোকে আইডেন্টিফাই করার চেষ্টা করেছেন। আসলে সময় তো খুব অল্প থাকে, যতটুকু পেরেছেন তারা আমাদের কাছে তুলে ধরেছেন যে এই সেক্টরগুলোতে কাজ করা উচিত। আমরা সেগুলো নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছি।