নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সকাল ১১:৪৮:৫৯
ভেনিসে বাঁধনের ওপর হামলা নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ: এবি পার্টি
ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তাঁর পরিবারের ওপর আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মী-সমর্থকদের হামলা, শারীরিকভাবে হেনস্তা, পানির বোতল নিক্ষেপ এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ, নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।
এক যৌথ বিবৃতিতে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ও সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, একজন নারী শিল্পী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিদেশে বেড়াতে গিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন,এ ঘটনা শুধু নিন্দনীয় নয়, এটি নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভয়ংকর বহিঃপ্রকাশ।
তারা বলেন, দেশে ক্ষমতা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে বিরোধী মত দমন, হামলা, হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের যে সংস্কৃতি আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিল, ভেনিসের ঘটনা তারই আন্তর্জাতিক বহিঃপ্রকাশ। দেশ ছাড়লেও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী মানসিকতা তাদের ছাড়েনি। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে একজন নাগরিক ও তাঁর পরিবারের ওপর বিদেশের মাটিতে হামলা কোনো সভ্য সমাজেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
মঞ্জু ও ফুয়াদ বলেন, আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের চরিত্র হারিয়ে সহিংসতা, দমন-পীড়ন ও ভয়ভীতির রাজনীতির প্রতীকে পরিণত হয়েছিল। বিদেশের মাটিতে গিয়েও একজন স্বনামধন্য অভিনয়শিল্পীর ওপর হামলার ঘটনা তাদের সেই সহিংস ও অসহিষ্ণু রাজনৈতিক সংস্কৃতির ভয়াবহতাই প্রকাশ করে।
তারা আরও বলেন, ইতালিতে বসবাসরত কিংবা সফররত কোনো বাংলাদেশি রাজনৈতিক মতপার্থক্যের কারণে অন্যের ওপর হামলা, হুমকি বা শারীরিকভাবে হেনস্তা করলে তার পরিচয়, সে একজন সন্ত্রাসী। ভেনিসের ঘটনাটি ইতালির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দ্রুত তদন্ত করে হামলায় জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে হবে।
এবি পার্টির নেতৃদ্বয় বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সহিংসতা ও ফ্যাসিবাদী আচরণ প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন বিদেশের মাটিতেও তাদের সেই সন্ত্রাসী আচরণকে বাংলাদেশি প্রবাসীসহ বিশ্ববাসী ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করবে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, ব্যক্তির মর্যাদা ও পরিবারের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে এবি পার্টি সোচ্চার থাকবে।
তারা অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন ও তাঁর পরিবারের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে বলেন, হামলায় জড়িত ব্যক্তিরা যতো বড় সন্ত্রাসীই হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত এগিয়ে এসে বাঁধন ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তারা।