বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মোঃ রনি হোসেন (২৬) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।গ্রেফতারকৃত রনি হোসেন শাজাহানপুর উপজেলার বগুড়া পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভন্ডগ্রাম দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মোঃ নিহাজ উদ্দিনের ছেলে।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয় বগুড়ার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় গন্ডগ্রাম দক্ষিণপাড়ায় তার নিজ দখলীয় বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৭ হাজার ৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয়।গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে শাজাহানপুর থানায় উপ-পরিদর্শক মোঃ শাহ আলম বাদী হয়ে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন।মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এই চালানের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে আটকে রাখা নারী ও পুরুষসহ ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে র্যাব-১৫ তাদের উদ্ধার করে। ১ এপ্রিল বুধবার দুপুরের দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার র্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার আ.ম. ফারুক।উদ্ধারকৃতদের মধ্যে ৬ জন বাংলাদেশি পুরুষ, ৪ জন রোহিঙ্গা পুরুষ এবং ৩ জন রোহিঙ্গা নারী রয়েছেন।পুলিশ সুপার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, সদর দক্ষিণ লম্বরী এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র কয়েকজন নারী-পুরুষকে জোরপূর্বক একটি বাড়িতে আটকে রেখেছে। তাদের সাগরপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাচার এবং মুক্তিপণ আদায়ের পরিকল্পনা ছিল। এ তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে র্যাব সদস্যরা ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় পাচারকারীরা। পরে বাড়ি থেকে ১৩ জন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।তিনি জানান, ঘটনায় জড়িত পলাতকরা হলেন মো. সাইফুল (৩৮), মো. মালবিক কামাল (৪৬), মো. ফাইসাল (২৭), মো. জাফর (৩৬) ও মো. সাইফুল ইসলাম (২৪)। তারা সবাই টেকনাফ থানার বাসিন্দা।সহকারী পুলিশ সুপার আ.ম. ফারুক আরও জানান, উদ্ধারকৃতদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় টেকনাফ মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে তিনি জানায়।
১ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ০২:৪৭:৪৩
পাংশায় ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১
রাজবাড়ীর পাংশায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাশেদ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার ভুক্তভোগী নারী পাংশা মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।মামলার আসামিরা হলেন—পাংশা পৌর তরুণ দলের সভাপতি হাসিবুর রহমান অন্তর, রাশেদুজ্জামান ওরফে রাশেদ এবং মো. বরকত মুন্সী। এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ৩০ মার্চ বিকেলে কুষ্টিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলেন ভুক্তভোগী। এ সময় একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে করে তিনজন ব্যক্তি এসে তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়।পরে চলন্ত গাড়ির ভেতরেই তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয় এবং কুষ্টিয়া সদর এলাকায় একটি নির্জন স্থানে ফেলে রেখে যায় অভিযুক্তরা। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই নারী কুষ্টিয়া সদর থানায় পৌঁছালে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।চিকিৎসা শেষে কিছুটা সুস্থ হলে তিনি পাংশা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পাংশা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মঈনুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”
১ এপ্রিল ২০২৬ দুপুর ০১:৫২:৩৭
এক-এগারোর আরেক কুশীলব আফজাল নাছের গ্রেফতার
এক-এগারোর আরেক কুশীলব বরখাস্ত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রোববার গভীর রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির যুগ্ম কমিশনার মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলাম।তিনি জানান, রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে রোববার গভীর রাতে বরখাস্ত হওয়া লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের কারণ ও বিস্তারিত বিষয়ে তাৎক্ষণিক কিছু জানাননি ডিবির এই কর্মকর্তা।সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গেছে।আফজাল নাছের ২০০৬ সালের মার্চ থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইতে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর তিনি বরখাস্ত হন। তার বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগে। সেনাবাহিনীর চাকরিতে যোগদান করেন ১৯৮৪ সালের ৪ জুলাই। তিনি মিরপুর ডিওএইচএসের ২ নম্বর এভিনিউয়ের ১২ নম্বর রোডের ৮৬৪ নম্বর বাসায় থাকেন।এর আগে, গত সোমবার রাতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে ঢাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। পল্টন থানার একটি মামলায় তাকে প্রথমে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। পরে নতুন করে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর গত বুধবার ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিরপুর থানার একটি হত্যা মামলায় আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
৩০ মার্চ ২০২৬ সকাল ১১:৪২:২৬
পিছিয়েছে টিউলিপ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলার গেজেট
অবৈধভাবে রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় একটি ফ্ল্যাট গ্রহণের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও রাজউকের সাবেক সহকারী আইন উপদেষ্টা সরদার মোশাররফ হোসেনকে আদালতে হাজির হতে গেজেট প্রকাশের তারিখ পিছিয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল গেজেট প্রকাশের তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।দুদকের প্রসিকিউশন বিভাগের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত ৮ মার্চ আসামিদের আদালতে হাজির করতে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ে (বিজি প্রেস) গেজেট প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ঈদের ছুটি থাকায় নির্ধারিত সময়ে এটি প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।এর আগে, গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আদালত দুদকের অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। আসামিরা আদালতে উপস্থিত না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনো টাকা পরিশোধ না করেই অবৈধভাবে ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের গুলশান-২ এর ফ্ল্যাট (ফ্ল্যাট নং বি/২০১, বাড়ি নং ৫এ ও ৫বি (পুরোনো), বর্তমানে- ১১৩, ১১বি (নতুন), রোড নং ৭১) দখল নেন ও পরে রেজিস্ট্রি করেন। পরে গত বছরের জুলাই মাসে আসামি শাহ খসরুজ্জামান মামলার তদন্ত স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিট করেন।তার রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট খসরুজ্জামানের তদন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করে। পরে চেম্বার আদালতে গেলেও দুদক ‘নো অর্ডার’ আদেশ পায়। তদন্ত শেষে গত ১১ ডিসেম্বর দণ্ডবিধির ১৬১/১৬৫(ক)/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারায় এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় টিউলিপ রিজওয়ানা সিদ্দিক ও সরদার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।
২৯ মার্চ ২০২৬ বিকাল ০৩:১৩:১৩
পল্লবীতে যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যায় গ্রেপ্তার ২
ঢাকার মিরপুরের পল্লবীতে যুবদল নেতা গোলাম কিবরিয়াকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে র্যাব। তাদের বিদেশি রিভলবার, গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে।২৭ মার্চ শুক্রবার র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।র্যাব জানায়, পল্লবীর যুবদল নেতা কিবরিয়া হত্যা মামলার কিলিং মিশনে অংশগ্রহণকারী শুটারকে বিদেশি রিভলবার ও গুলিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আজ র্যাব-৪ এর সদরদপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।নিহত কিবরিয়া ছিলেন পল্লবী থানা যুবদলের সদস্যসচিব। পাশাপাশি তিনি চিকিৎসা সরঞ্জাম কিনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিক্রি করতেন বলে জানা যায়। গত বছরের ১৭ নভেম্বর সন্ধ্যায় মুখোশধারী তিন সন্ত্রাসী মিরপুর ১২ নম্বরের বি ব্লকে ‘বিক্রমপুর হার্ডওয়্যার অ্যান্ড স্যানিটারি’ নামের একটি দোকানে ঢুকে খুব কাছ থেকে গুলি করে তাকে হত্যা করে। ঘটনার পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যাওয়ার সময় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন এবং দ্রুত না চালানোয় চালককে কোমরে গুলি করে আহত করে। হত্যাকাণ্ডে ঘটনায় কিবরিয়ার স্ত্রী সাবিহা আক্তার দীনা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি হিসেবে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাত পরিচয় আরও সাত-আটজন এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয়ে ভুয়া গেজেট প্রকাশ করে প্রতারণার অভিযোগে ড. আরিফ চৌধুরী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।রোববার (২২ মার্চ) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।তিনি জানান, নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পরিচয় দিয়ে ভুয়া গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে প্রতারণা করে আসছিলেন ওই ব্যক্তি। এ অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানাতে রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত শেষে এ বিষয়ে আরও তথ্য জানানো হবে।
২২ মার্চ ২০২৬ দুপুর ০২:২৫:৩৭
ভারতীয় বিড়ি ইয়াবার চালান সহ তাহিরপুরে গ্রেফতার ৪
এক অভিযানে ভারতীয় বিড়ি ইয়াবার চালান মাদক সহ সুনামগঞ্জের
তাহিরপুরে চার পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।মঙ্গলবার (১০) মার্চ সকালে উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিনের
কাউকান্দি গ্রামে থানা পুলিশ ওই অভিযান চালায়।পুলিশী অভিযানে গ্রেফতারকৃতরা হলেন, উপজেলার কাউকান্দি
গ্রামের শফিকের ছেলে জানু মিয়া, মধুয়ার চর গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে কামাল মিয়া, উপজেলা
সদরের রতনশ্রী গ্রামের রুহুল মিয়ার ছের শাওন মিয়া, কুতুব উদ্দিনের ছেলে বাদশা মিয়া।মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেফতারকৃতদের মামলা দায়ের পুর্বক সুনামগঞ্জ
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত(তাহিরপুর যোন) সোপর্দ করা হয়েছে। মামলা সুত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কাউকান্দি
গ্রামের পেশাদার মাদক কারবারি জানু মিয়ার বসত বাড়িতে থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালায়।
ওই অভিযানে জানুর বসত ঘরের একটি কক্ষে অবস্থান রত জানু, কামাল, শাওন, বাদশার হোফাজত
থেকে আমদানি নিষিদ্ধ ১৪ হাজার শলাকা ভারতীয় সেখ নাসিরউদ্দিন বিড়ি, ১২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট,
একটি চোরাই মোটরসাইকেল, মাদক বিক্রয়ের নগদ টাকা জব্দ করে থানা পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে তাহিরপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই নাজমুল
ইসলাম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইন সহ সংশ্লিষ্ট ধারায় চার মাদক কারবারির নামে
থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
১১ মার্চ ২০২৬ সকাল ১০:২৯:৪৯
কুলাউড়ায় নকল প্রসাধনীসহ ৬ জন আটক, উদ্ধার প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকার পণ্য
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন নামী ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনীসহ ছয়জনকে আটক করেছে কুলাউড়া থানা পুলিশ। এ সময় প্রায় ৫ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কুলাউড়া পৌরশহরের কয়েকটি দোকান ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নামী ব্র্যান্ডের নকল প্রসাধনী বিক্রি করা হচ্ছে—এমন অভিযোগ আসছিল। এসব পণ্য ব্যবহারে সাধারণ মানুষের ত্বক ও স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলেও বিভিন্ন মহল থেকে অভিযোগ ওঠে। এর প্রেক্ষিতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে কুলাউড়া পৌরশহরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।অভিযানে নেতৃত্ব দেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন। এ সময় কয়েকটি দোকান ও গুদামে তল্লাশি চালিয়ে বিভিন্ন দেশি-বিদেশি ব্র্যান্ডের নামে তৈরি নকল কসমেটিকস সামগ্রী উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত পণ্যের মধ্যে ছিল ফেস ক্রিম, লোশন, ফেসওয়াশ, পাউডার, লিপস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের প্রসাধনী। এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ।অভিযানের সময় নকল প্রসাধনী বিক্রি ও সংরক্ষণের অভিযোগে ছয়জনকে আটক করা হয়। তবে তদন্তের স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সচেতন নাগরিকরা পুলিশের এ ধরনের অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, বাজারে দীর্ঘদিন ধরে নকল প্রসাধনী বিক্রি হচ্ছিল। এতে সাধারণ ক্রেতারা প্রতারিত হচ্ছিলেন এবং স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছিলেন। নিয়মিত অভিযান চালালে এসব অবৈধ ব্যবসা বন্ধ হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমল হোসেন বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা অভিযান পরিচালনা করি। বেশ কিছু দোকানে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নকল প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। এসব পণ্য মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। যারা এ ধরনের অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”তিনি আরও বলেন, “ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং বাজারে ভেজাল ও নকল পণ্যের বিস্তার রোধে পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”পুলিশ জানিয়েছে, জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় বাজারে নকল ও ভেজাল পণ্যের বিরুদ্ধে কুলাউড়াসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
৮ মার্চ ২০২৬ দুপুর ১২:১৮:৪৯
ছাতকে নিয়মিত মামলা ও ওয়ারেন্টভুক্ত ২ আসামি গ্রেফতার
সুনামগঞ্জের ছাতক থানার পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার এক আসামি ও ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামিসহ মোট দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শনিবার (৭ মার্চ) ছাতক থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন—ছাতক থানার এফআইআর নং-০৬, তারিখ ২ মার্চ ২০২৬ ইং, পেনাল কোডের ১৪৩/১৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৩০২/৫০৬(২)/১১৪/৩৪ ধারার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ফয়জুর রহমান ওরফে আব্দুল কাদির (৩৫)। তিনি ছাতক উপজেলার বৈশাকান্দি গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।অপরদিকে সিআর-৫২৭/২৫ (ছাতক) মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি মোছাঃ মিনা বেগম (৫৫) কে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি মৃত রজব আলীর মেয়ে ও শফিক মিয়ার স্ত্রী। তার বাড়ি ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের মিত্রগাঁও গ্রামে।ছাতক থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত দুই আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান।
৭ মার্চ ২০২৬ বিকাল ০৪:০৩:১০
সোনারগাঁয়ে পিস্তল ও গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার
নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে অভিযান চালিয়ে বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন ও দুই রাউন্ড গুলিসহ এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহিবুল্লাহ'।বৃহস্পতিবার (৫ই মার্চ) রাত সাড়ে আটটার দিকে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।গ্রেপ্তারকৃত মোঃ ফারুক (৩৬) নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার ব্রাহ্মন্দী গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে।পুলিশ জানায় , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মহিববুল্লাহ'র নেতৃত্বে তালতলা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আবদুল হক, এসআই সেলিম, এসআই আরিফ ও এসআই পারভেজের সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস টিম মহজমপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে,এসময় উক্ত এলাকার মোতালেব মিয়ার বাড়ির সামনের পাকা রাস্তা থেকে ফারুককে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
৬ মার্চ ২০২৬ সকাল ১১:৪৭:২১
আখাউড়ায় ১০০ পিস ইয়াবা সহ আটক একজন
মঙ্গলবার (২ মার্চ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়া থানা পুলিশের
বিশেষ অভিযানে গত ২৪ ঘন্টায় থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০
পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার পুলিশ সুপার শাহ মোঃ আব্দুর
রউফের নির্দেশে, সহকারী পুলিশ সুপার জনাব মোঃ নাজমুস সাকিব, কসবা সার্কেল মহোদয়ের
দিক-নির্দেশনায় এবং আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ জাবেদ উল ইসলাম এর সার্বিক
নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।অভিযানকালে এস.আই পুষন সাহা সঙ্গীয় ফোর্সসহ আখাউড়া থানা
এলাকায় নিয়মিত রাত্রীকালিন মোবাইল-৮ নাইট রাত
০২:১০ ঘটিকার সময় আখাউড়া থানাধীন মনিয়ন্দ ইউপিস্থ শিবনগর রেল ক্রসিংয়ের দক্ষিণ পাশে
ইব্রাহীম ভুইয়ার দোকানের সামনে পাকা রাস্তার উপর হইতে মাদকদ্রব্য ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ
মোঃ ইউনুছ(৫০), পিতা- মৃত মোঃ আলীকে হাতে নাতে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা যায় উপরোক্ত আলামত জব্দ তালিকা মূলে
জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়ের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে অদ্যই বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
৩ মার্চ ২০২৬ দুপুর ০২:২৪:২০
গুলিস্থানে রাস্তায় কাটা দুই হাত উদ্ধার
রাজধানীর গুলিস্তানে স্টেডিয়াম মার্কটের এক এবং ৪ নম্বর গেটের মাঝামাঝি মার্কেটের সামনের রাস্তার পাশ থেকে এক যুবকের দুটি কাটা হাত উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগীর দেহের বাকি অংশ উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ। উদ্ধার দুই হাতের আঙুলের ছাপ নিয়ে ওই ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর নাম ওবায়দুল্লাহ (৩০), বাড়ি নরসিংদীতে।শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) পল্টন মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল খান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন,আজ গুলিস্তানে স্টেডিয়াম মার্কটের সামনের রাস্তার পাশ থেকে দুটি কাটা হাত উদ্ধার করা হয়। আঙুলের ছাপ থেকে তার পরিচয় শনাক্ত হয়েছে। বাকী দেহ উদ্ধারের অভিযান চলছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ০২:১৮:৫৪
বায়তুল মোকাররমের পাশ থেকে কাটা হাত-পা উদ্ধার
রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের পাশ থেকে দুটি কাটা হাত
এবং স্কাউট ভবনের পাশ থেকে একটি কাটা পা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে
পুলিশ জানতে পেরেছে, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এগুলো।২৭ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার রাত ২টার দিকে পা এবং শনিবার সকালে
কাটা দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ।পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা কামাল
খান জানান, বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ ও উত্তর গেটের মাঝামাঝি এলাকায় রাস্তায় বিচ্ছিন্ন
অবস্থায় দুটি হাত পাওয়া যায়। এছাড়া স্কাউট ভবনের সামনের রাস্তা থেকে উদ্ধার করা
হয় একটি বিচ্ছিন্ন পা।
তিনি জানান, পরে হাতের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহ করে জানা
যায়, ওবায়দুল্লাহ নামে এক ব্যক্তির দেহের অংশ এই হাত ও পা। তার বাড়ি নরসিংদীর শিবপুর
উপজেলায়। দেহের অংশ বিশেষ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল (ঢামেক) কলেজ হাসপাতালের
মর্গে পাঠানো হয়েছে। দেহের বাকি অংশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ০২:০৯:২৬
মব কালচার দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে: আইজিপি
রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ক্রমবর্ধমান মব কালচার
দমনে পুলিশের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন
ফকির বলেছেন, ‘মব কালচার’
বা গণপিটুনির মতো আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না এবং এই সমস্যা
সমাধানে পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। অপরাধী চক্রগুলোকে চিহ্নিত করে
আইনের ভেতরে থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি প্রয়োগ করতে পুলিশ পিছুপা হবে না।২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে রাজধানীর বিভিন্ন
গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের নিরাপত্তাব্যবস্থা সশরীরে পরিদর্শনে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সাথে
এই বিষয়ে আলাপ করেন। আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির বলেন, মব কালচার সমাধান করা
পুরোপুরি সম্ভব, তবে এর জন্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সমাজের একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী
এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চায় না, বরং তারা বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি করে মব থেকে নিজেদের
স্বার্থ হাসিল করতে চায়। তরুণ প্রজন্ম ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে
তিনি বলেন, যে কারো যেকোনো অভিযোগ থাকতে পারে, তবে তা অবশ্যই আইনের কাঠামো এবং আলোচনার
টেবিলের মাধ্যমে সমাধান করতে হবে। নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া দেশের স্থিতিশীলতার জন্য
বড় হুমকি।দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে স্থিতিশীল
আইনশৃঙ্খলার গুরুত্ব তুলে ধরে আইজিপি বলেন, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি না হলে দেশে বৈদেশিক
বিনিয়োগ আসবে না এবং উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে। তাই একটি নিরাপদ পরিবেশ গড়ে তোলা কেবল
পুলিশের একার দায়িত্ব নয়, বরং এটি একটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। বিশেষ করে শহর অঞ্চলে
শান্তি বজায় রাখতে নাগরিকদের আইন মেনে চলার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ
করেন।
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নগরবাসীর নিরাপত্তায় বিশেষ
পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। আইজিপি জানান, ঈদযাত্রায় বা কেনাকাটার সময় সাধারণ
মানুষ যাতে ছিনতাইকারীর কবলে না পড়েন এবং ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে
পারেন, সে জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে শপিং মল এবং ব্যাংকিং
এলাকাগুলোতে বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে। কাউকে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সুষ্ঠু ও নিরাপদ
পরিবেশে উৎসব উদযাপনের সুযোগ করে দিতে পুলিশ ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে।