রুহুল আমিন কিবরিয়া, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২ জুলাই ২০২৬ রাত ১০:৩২:১৯
জলাবদ্ধতা থেকে স্বস্তি, খাল খননের সুফলে শেরপুরের কৃষিতে ফিরেছে প্রাণ
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব এখন চোখে পড়ছে। একসময় বর্ষা এলেই জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যেত বিস্তীর্ণ কৃষিজমি। তবে খাল খননের ফলে এখন বৃষ্টির পানি দ্রুত নিষ্কাশিত হচ্ছে, ফলে কৃষকরা নতুন উদ্যমে আমন মৌসুমের চাষাবাদ শুরু করেছেন।
সরেজমিনে উপজেলার চকসিংড়া, লক্ষীকোলা ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আগে দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকা জমিগুলো এখন চাষের উপযোগী হয়ে উঠেছে। কৃষকরা জমিতে হালচাষ, মই দেওয়া এবং আমন রোপণের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
চকসিংড়া গ্রামের কৃষক সেলিম ও শামিম বলেন, গত বছরের বর্ষায় জমি পানিতে ডুবে থাকায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল। এবার খাল খননের কারণে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় সময়মতো জমিতে চাষাবাদ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে।
লক্ষীকোলা এলাকার বাসিন্দা জহুরা বেগম জানান, আগে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার কারণে বাড়িঘর পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে যেত। এবার খাল দিয়ে পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় বাড়িঘর ও কৃষিজমি দুটিই জলাবদ্ধতার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
স্থানীয় কৃষক রফিক ও হাফিজা বলেন, খনন করা খালে এখন স্বাভাবিকভাবে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এতে মাছ ধরার সুযোগও বেড়েছে, যা পরিবারের খাদ্য চাহিদা পূরণে বাড়তি সহায়তা করছে।
স্থানীয়দের আশা, খাল খনন ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চললে জলাবদ্ধতা আরও কমবে, কৃষি উৎপাদন বাড়বে এবং শেরপুরের কৃষিনির্ভর অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।