শাহপরান, কসবা-আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৬ জুলাই ২০২৬ রাত ০৮:৩৭:১৯
কসবায় মসজিদের মাইকে ঘোষণার পর দুই গ্রামের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৪০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
সোমবার (৬ জুলাই) বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের শ্যামবাড়ি ও বাদৈর ইউনিয়নের হাতুড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে গ্রামের অভ্যন্তরীণ সড়কে পড়ে থাকা একটি গাছ সরানোকে কেন্দ্র করে সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকদের দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে বিরোধে রূপ নেয়। এ নিয়ে গ্রাম্যভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও বিরোধের অবসান হয়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সোমবার বিকেলে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দেওয়ার পর দুই গ্রামের শত শত মানুষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের দাবি, সংঘর্ষে অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতের সুনির্দিষ্ট সংখ্যা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি।
খবর পেয়ে কসবা থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করেন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাসেদ বলেন, “খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংঘর্ষের কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।