বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় তিন ধাপ এগিয়ে এখন ৯৭তম স্থানে বাংলাদেশ। গত বছর এই তালিকায় বাংলাদেশ ছিল ১০০ তম স্থানে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।তবে র্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ এগোলেও বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে একই কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ। এ তালিকায় উত্তর কোরিয়ার অবস্থানও ৯৭তম।প্রকাশিত সূচকে বরাবরের মতো এবারও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে সিঙ্গাপুরের পাসপোর্ট। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে এশিয়ার আরও তিন দেশ— জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ১৮৮টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন এ তিন দেশের পাসপোর্টধারীরা।সূচকে তৃতীয় অবস্থানে আছে ইউরোপের দেশ সুইডেন। দেশটির পাসপোর্টধারীরা ১৮৭টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।চতুর্থ অবস্থানে আছে মোট ১১টি দেশ। সব কয়টিই ইউরোপের। দেশগুলো হলো- বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও স্পেন। দেশগুলোর পাসপোর্টধারীরা ১৮৬টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।এবারের সূচকে পঞ্চম অবস্থানে আছে পাঁচটি দেশ। অস্ট্রিয়া, গ্রিস, মাল্টা, পর্তুগাল ও সুইজারল্যান্ড—এ পাঁচ দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৫টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।হাঙ্গেরি, পোল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য—এ তিন দেশ আছে ষষ্ঠ অবস্থানে। এসব দেশের পাসপোর্টধারীরা ১৮৪টি দেশে আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন।সূচকে সপ্তম অবস্থানে থাকা আটটি দেশ অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, চেক প্রজাতন্ত্র, লাটভিয়া, মালয়েশিয়া, নিউজিল্যান্ড, স্লোভাকিয়া ও স্লোভেনিয়ার পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন ১৮৩টি দেশে।অষ্টম অবস্থানে থাকা ক্রোয়েশিয়া ও এস্তোনিয়ার পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ১৮২টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। সূচকে নবম অবস্থানে আছে দুটি দেশ—লিচেনস্টেইন ও লিথুনিয়া। দেশ দুটির পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন ১৮১টি দেশে।সূচকে দশম অবস্থানে থাকা আইসল্যান্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের পাসপোর্টধারীরা আগাম ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করতে পারেন ১৮০টি দেশে। অন্যদিকে তালিকার সর্বশেষ অবস্থানে রয়েছে আফগানিস্তান।হেনলি অ্যান্ড পার্টনার্সের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, কোনো দেশের পাসপোর্ট দিয়ে আগাম ভিসা ছাড়া কিংবা ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে কতটি দেশে যাওয়া যায়, তার ওপর ভিত্তি করে শক্তিশালী পাসপোর্টের এই সূচক তৈরি করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বিশ্বের ১৯৯টি দেশের পাসপোর্ট ও ২২৭টি ভ্রমণ গন্তব্য।সূচকে প্রকাশিত তথ্য বলছে, এখন বাংলাদেশ ও উত্তর কোরিয়ার পাসপোর্টধারী ব্যক্তিরা আগাম ভিসা ছাড়া কিংবা ভিসামুক্ত সুবিধা নিয়ে বিশ্বের ৩৫টি দেশে ভ্রমণ করতে পারেন। গত বছর বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ছিল ৩৭।
৫ ঘন্টা আগে
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও বলেছেন, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে যখনই তেহরান কোনো জাহাজে গুলি চালাবে, তখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে বোমা হামলা চালাবে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।বুধবার (২২ জুলাই) ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল নেটওয়ার্কে লিখেন, ‘এখন থেকে যখনই ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান হরমুজ প্রণালিতে কোনো জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন বা অন্য কোনো ডিভাইস বা অস্ত্র দিয়ে গুলি চালাবে, তখনই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি সেতু বা বিদ্যুৎ কেন্দ্র বোমা মেরে ধ্বংস করবে।’ট্রাম্প বলেন, এর মধ্যে রাজধানী তেহরানের পাশে বা ভেতরে অবস্থিত ইরানি স্থাপনাগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।উপসাগরে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানি হামলায় নিহত তিন মার্কিন সেনার দেহাবশেষ ফিরিয়ে আনার জন্য একটি বিমান ঘাঁটিতে যাওয়ার ঠিক আগে ট্রাম্পের এই হুমকি এলো।মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আমাদের বীরদের সম্মান জানাতে যাচ্ছি, তারা সত্যিই মহান বীর।’ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের সবাই খুব দৃঢ়ভাবে বলেছিল যে, আমরা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দিতে পারি না, তাই আমরা তাদের সম্মান জানাতে যাচ্ছি... প্রেসিডেন্ট হিসেবে এটি করা আমার জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি, তবে এটি করতেই হবে।’এদিকে, নভেম্বরে হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ মার্কিন ভোটারদের কাছে তিনি জনপ্রিয় নন এবং তেলের দাম বৃদ্ধি জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়াতে ইন্ধন জোগাচ্ছে—এমন জনমত জরিপগুলো প্রত্যাখান করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।ইরান যুদ্ধে ওয়াশিংটনের ইতিমধ্যে ৩৭.৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। এ প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমেরিকানরা গ্যাসের উচ্চ মূল্য চায় না তবে তারা যুদ্ধের বিরুদ্ধে নয়, এটি বেশ স্পষ্টভাবেই প্রকাশ পেয়েছে।’হরমুজ প্রণালি নিয়ে লড়াইয়ের মধ্যেই যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে সমঝোতা চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ইসলামি প্রজাতন্ত্রটির ওপর টানা ১১ দিন ধরে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। জবাবে ইরান উপসাগরে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে।মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ডেলাওয়্যারের ডোভার বিমান ঘাঁটিতে বুধবারের মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানটি ছিল জর্ডানের ঘাঁটিতে ইরানি হামলায় নিহত দুই সেনা সদস্য এবং ইরাকে ড্রোন নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণে নিহত এক সেনা সদস্যের জন্য। তাছাড়া, জর্ডান হামলায় তৃতীয় এক সেনাসদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মার্কিন সেনাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ বহুগুণে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন এবং ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করার হুমকি জোরদার করেছেন। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নিহত মার্কিন সেনার সংখ্যা ১৮তে পৌঁছেছে।মার্কিন প্রেসিডেন্ট পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন (ইরানিরা একে কোলাং পর্বত বলে ডেকে থাকে) নামে ইরানের একটি গোপন পারমাণবিক কমপ্লেক্সে হামলা চালানোর হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। ইরান এই স্থানে কোনো পারমাণবিক স্থাপনা থাকার কথা অস্বীকার করেছে।
৫ ঘন্টা আগে
আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ৫ মে’র নৃশংসতা দেখে মানুষ গুমরে মরেছে। মা-বোনেরা ঘরে বসে কেঁদেছে, দোয়া করেছে। কিন্তু ৫ আগস্টের বীভৎসতার বিরুদ্ধে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই রাস্তায় নেমেছে। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তুলে তাদের পালিয়ে যেতে বাধ্য করেছে; এটাই হলো বাস্তবতা এবং গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য। বুধবার (২২ জুলাই) এবি পার্টির জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ২য় বার্ষিকীতে ‘আলেম, ওলামা ও মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ: রক্তবিধৌত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের জয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহাদাতুল্লাহ টুটুলের সঞ্চালনায় সকালে দলের বিজয়নগরস্থ দলীয় কার্যালয়ে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।আলোচনা সভায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর আহমদ আলী কাসেমী, ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ, ইসলামি যুব সমাজের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মাসুদ খান, খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি জাহিদুজ্জামান, জুলাই যোদ্ধা মাওলানা সাদমান ফুয়াদ, মো. আলিফ প্রমুখ।মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, ৭১-এ পরাজিত শক্তি আত্মসমর্পণ করে এবং পাকিস্তানে পালিয়ে যায়। কিন্তু তাদের দালাল ও প্রেতাত্মা রাজাকার আলবদরেরা আবার সংগঠিত হয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নেয়। তালিকা অনুযায়ী তাদের বড় অংশ ছিল আওয়ামী লীগের। এবারও ফ্যাসিবাদ পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের কিছু দালাল ও প্রেতাত্মা এ দেশে রয়ে গেছে। তারা এখন ইনিয়ে-বিনিয়ে ফ্যাসিবাদকে প্রাসঙ্গিক করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি আলেম-ওলামারাও দলে দলে রাজপথে নেমে এসেছিলেন। সাধারণত আলেম সমাজ সক্রিয় দলীয় রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও জাতির সংকটময় মুহূর্তে তারা বারবার নেতৃত্ব ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, ১৯৪৭, ভাষা আন্দোলন, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে আলেম সমাজের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রয়েছে।তিনি বলেন, আলেম সমাজের মধ্যে মতপার্থক্য থাকতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে তারা আপসহীন। ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতের সমাবেশে আলেম সমাজের পাশে সমাজের বৃহত্তর অংশ দাঁড়াতে পারেনি। এমনকি কিছু রাজনৈতিক দলও শেষ পর্যন্ত তাদের পাশে থাকেনি। এরপর সরকারবিরোধী সব কণ্ঠ দমন করে, যা দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী শাসনের পথকে আরও সুগম করে।তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, পরে কলেজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যুক্ত হয়। এরপর নারী-পুরুষ, সাংস্কৃতিক কর্মী এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ রাজপথে নামলে গণঅভ্যুত্থান সফল হয়। বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী এবং আলেম-ওলামারা জাতির শ্রেষ্ঠ বীর। তিনি তাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। একই সঙ্গে যারা শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তাদের ভূমিকারও সমালোচনা করেন।খেলাফত মজলিসের সিনিয়র নায়েবে আমীর আহমদ আলী কাসেমী বলেন, আলেম-ওলামারা সবসময় সাহসিকতার সঙ্গে আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন। দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের ফলেই শেখ হাসিনার পতন ঘটেছে। দেশপ্রেমিক সব শক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, কাঠামোগত সংস্কার ছাড়া ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদ প্রতিরোধ সম্ভব নয় এবং জুলাই সনদের বাস্তবায়নের দাবিতে তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।ন্যাশনাল ওলামা অ্যালায়েন্সের সদস্যসচিব মাওলানা সানাউল্লাহ বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বর থেকেই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীজ রোপিত হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, জঙ্গিবাদের অভিযোগ ব্যবহার করে তৎকালীন সরকার ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করেছে।ইসলামি যুব সমাজের মহাসচিব মাওলানা আব্দুল আল মাসুদ খান বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের কোনো প্রত্যক্ষ স্বার্থ না থাকলেও তারা আবাবিল পাখির মতো ঝাঁকে ঝাঁকে আন্দোলনে অংশ নিয়েছিল।খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি জাহিদুজ্জামান বলেন, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনে আলেম-ওলামাদের ঐতিহাসিক অবদান রয়েছে।সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমান, গণশিক্ষা ও পাঠাগারবিষয়ক সম্পাদক আনোয়ার ফারুক, মহানগর দক্ষিণের সদস্যসচিব বারকাজ নাসির আহমদ, সহকারী প্রচার সম্পাদক আজাদুল ইসলাম আজাদ, রিপন মাহমুদ, সহকারী অর্থ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিক, সহকারী দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান মিলু, মহানগর দক্ষিণ যুব পার্টির আহ্বায়ক মাসুদুর রহমান এবং রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী।
৫ ঘন্টা আগে
জামালপুরে বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। (২২ জুলাই) বুধবার সন্ধ্যায় জামালপুর-ময়মনসিংহ সড়কের রানাগাছা মুদিরমোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ জানায়, ময়মনসিংহ থেকে জামালপুরগামী একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশার সঙ্গে জামালপুর থেকে ঢাকাগামী রাজিব সার্ভিসের একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজি চালিত অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালকসহ সব যাত্রী আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে ২৫০ শয্যার জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুইজনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য চারজন বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি মাদারগঞ্জ উপজেলার আমড়ীতলা গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে বিল্লাল হোসেন। অপর নিহতের পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।জামালপুর সদর থানার ওসি মোহাম্মদ নাজমুস সাকিব দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৫ ঘন্টা আগে