চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের হরিণা গ্রামে এক বিধবা নারী ও তার দুই মেয়ের ওপর হামলা চালিয়ে স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে মৃত জাহাঙ্গীর প্রধানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে প্রতিবেশী মো. মফিজুল (৫০), কাজল আক্তার (৪৫) ও কুলসুমের নেছার (৭০) সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন বিকেলে বাড়ির আঙিনায় মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লাঠিসোঁটা নিয়ে তাহমিনা সুলতানার বসতঘরে ঢুকে পড়ে।এসময় তারা তাহমিনাকে এলোপাতাড়ি মারধর করলে তার দুই মেয়ে প্রিয়া (১৮) ও মুন্নি (১৬) তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেন। হামলাকারীরা তখন তাদের ওপরও চড়াও হয়ে কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে।মারধরের একপর্যায়ে হামলাকারীরা তাহমিনার কান থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ৪ আনা ওজনের স্বর্ণের দুল এবং তার মেয়ের গলা থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ৮ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। ভুক্তভোগীদের দাবি, মোট প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে।এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল হাসান বলেন, “ঘটনার বিষয়টি জেনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
৩ ঘন্টা আগে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা মহিলা ডিগ্রি কলেজে উৎসবমুখর পরিবেশে ৪৭তম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।বুধবার (৮ এপ্রিল ২০২৬) আয়োজিত এ মেলার উদ্বোধন করেন কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও কলেজের সভাপতি সামিউল ইসলাম। উদ্বোধন শেষে তিনি মেলায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ঘুরে দেখেন এবং বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।মেলায় কসবা উপজেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের অংশগ্রহণে মোট ১৬টি স্টল প্রদর্শিত হয়। শিক্ষার্থীদের তৈরি সৃজনশীল ও উদ্ভাবনী প্রকল্পগুলো দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে।এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিল কবির, কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানা এবং উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ।আয়োজকরা জানান, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানমনস্কতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি বিষয়ে আগ্রহ সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
৪ ঘন্টা আগে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮৮ জনে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বুধবারের (৮ এপ্রিল) নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে। নতুন করে মারা যাওয়া ১০ জনের বেশিরভাগই শিশু। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ জন এবং খুলনা বিভাগে ১ জন মারা গেছে।এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১ হাজার ২৪৮ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহভাজন হাম আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ১৩৩ জনে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নিশ্চিত হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা ২১ জন এবং নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৫৯৯ জন।অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, সন্দেহভাজন রোগীদের নমুনা ঢাকার রেফারেন্স ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়, যা সময়সাপেক্ষ। নিয়ম অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে সন্দেহভাজনদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং পরীক্ষার ফলাফলের পর নিশ্চিত তালিকা হালনাগাদ করা হয়।হামের প্রধান লক্ষণ হলো শরীরে র্যাশ বা লালচে দানা এবং জ্বর। এই লক্ষণ আরও কিছু রোগের ক্ষেত্রেও দেখা যায়। তাই সব সন্দেহভাজন রোগী শেষ পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হন না। এ কারণেই সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত মৃত্যুর পরিসংখ্যানের মধ্যে পার্থক্য দেখা দেয়।
৪ ঘন্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহোদর প্রয়াত আরাফাত রহমানকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ারও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি চেয়েছেন তিনি।আজ বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ–সম্পর্কিত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে গাজীপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান এ দাবি জানান। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।সরকারদলীয় সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান তাঁকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসা করেন। ৩০ বছর পর আসনটি জনগণ বিএনপিকে উপহার দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, এ আসনটি আপনারা উপহার দিলে, দেশনায়ক তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলে, ভাওয়াল মাঠের জনসভায় তিনি অংশগ্রহণ করবেন।’ এই সংসদ সদস্য জানান, ‘সেখানকার জনগণ এখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সদয় আগমনের অপেক্ষা করছে।’এ পর্যায়ে মুজিবুর রহমান বলেন, নির্যাতিত-নিপীড়িত একটি বিপ্লবের নাম তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর যুগশ্রেষ্ঠ উক্তি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে গাজীপুরবাসী উজ্জীবিত। তিনি বলেন, ‘আমার আবেগের একটি কথা, একাত্তর সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী, আমাদের মাতা বেগম খালেদা জিয়া ও তাঁর সহোদর ভাই পাকিস্তানিদের হাতে বন্দী ছিলেন। আমাদের প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) ৯ মাস বন্দী ছিলেন। যদি কোনো দিন সুযোগ হয়, বেগম খালেদা জিয়ার স্বাধীনতাযুদ্ধের যে অবদান, সে জন্য তাঁকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি এবং আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একজন শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে, আর তাঁর সহোদর ভাই—আমাদের ভাইকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতির দাবি করছি।’ মুজিবুর রহমান দাবি করেন, এই প্রস্তাব তিনি প্রধানমন্ত্রীকে খুশি করার জন্য করছেন না।
৪ ঘন্টা আগে