ক্যাটাগরি

সামাজিক মাধ্যম

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন

এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেন সামান্তা শারমিন


জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির নেত্রী সামান্তা শারমিন। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) নিজের এক ফেসবুক পোস্টে দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে দল ছাড়ার কারণ ও এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নিজের আপত্তিগুলো তুলে ধরেন। জুলাই অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা সামান্তা শারমিন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।গত শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) এনসিপি ঘোষিত নতুন কমিটিতে তাকে শুধু যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রাখা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে এনসিপির এই নেত্রীর পদাবনতি হয়েছে বলা যায়। পদত্যাগের কারণ জানিয়ে সামান্তা শারমিন বলেন, আজ থেকে প্রায় এক বছর আগে আমি জাতীয় নাগরিক পার্টির জোট গঠনের প্রশ্নে একটা আলাদা অবস্থান নিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম জামায়াত ইসলামী নীতিগত বা কৌশলগত কোন ক্ষেত্রেই মিত্র হওয়ার যোগ্য না এবং তাদের সাথে জোট করার জন্য এনসিপিকে কঠিন মূল্য চুকাতে হবে। তিনি বলেন, গত ১১ মাস যাবত আমার রাজনৈতিক বোঝাপড়া অনুযায়ী এনসিপির অতীত কর্মকান্ড বিশ্লেষণ ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়ে যখনই সুযোগ পেয়েছি তখনই দলের বিভিন্ন পর্যায়ে লিখিত অভিযোগ ও প্রস্তাব প্রদান এবং তর্ক-বিতর্ক বা আলাপ-আলোচনা করেছি। দলের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে হতাশা জানিয়ে সামান্তা শারমিন বলেন, আজ প্রায় এক বছরের এই সংগ্রামের ইতি ঘোষণা করলাম কারণ এনসিপির পক্ষে তার দলের প্রারম্ভের মূল্যবোধের প্রতি আর আন্তরিক হওয়া সম্ভব বলে মনে করি না। জামায়াতের সঙ্গে জোটের বিরোধিতার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী প্রকৃত অর্থে সংস্কারের রাজনীতি ধারণ করে না। সংগঠনটির দার্শনিক ভিত্তি ও প্রস্তাবিত রাষ্ট্রপ্রকল্প গণতান্ত্রিক রাষ্টপ্রকল্প নয়। তিনি আরও বলেন, এনসিপি যখন জামায়াতকে সংস্কারের পথে বন্ধু মনে করেছে তখন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ, যারা স্বভাবজাত কারণেই উদার, গণতান্ত্রিক, যারা সংস্কারের প্রকৃত শক্তি, তারা সংস্কারের রাজনীতি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছে।২০২৬ সালের নির্বাচন নিয়ে নিজের মূল্যায়ন তুলে ধরে সামান্তা শারমিন বলেন, এনসিপির সুযোগ ছিল ঐকমত্য কমিশন, নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার কার্যক্রমের ব্যর্থতা ইত্যাদির পরেও যারা এই পুরোনো ব্যবস্থাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলা করতে চায় তাদের সাথে জোট করা অথবা একা হলেও একটা রাজনৈতিক নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাওয়া। এই কাজটি করতে পারলে এখনকার ফলাফলের চেয়ে আরো ভালো ফলাফল পেতে পারতো এনসিপি।তিনি বলেন, কিন্তু এনসিপি ইতিহাসের এই শিক্ষাকে গুরুত্ব না দিয়ে 'বড়' রাজনৈতিক দলের লেজুড় হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে এনসিপির নিজস্ব রাজনীতি আর অভ্যুত্থানোত্তর নতুন রাজনীতির সম্ভাবনাকে নিঃশেষ করেছে।গণঅভ্যুত্থানে নারীদের ভূমিকা ও অধিকার প্রসঙ্গে সামান্তা শারমিন বলেন, কিন্তু এনসিপি সেই পথ বেছে নেয়নি বরং দলটির ভূমিকা নারীবিরোধী রক্ষণশীল রাজনৈতিক প্রবণতার সঙ্গে মিলে গেছে। এর মধ্য দিয়ে ২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের বৈষম্যবিরোধী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্রের অবনমন ঘটেছে।তিনি বলেন, এনসিপি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের এগিয়ে আসার যে সম্ভাবনা গণঅভ্যুত্থান তৈরি করেছিল, তা ধারণ করতে চায়নি। বরং পুরোনো দলগুলোর মতোই নারীদের কোণঠাসা করেছে, তাঁদের প্রতিবাদকে যথাযথ গুরুত্ব দেয়নি এবং পুরুষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। সামান্তা শারমিন বলেন, দলের কাউন্সিল না করে পুনরায় আহবায়ক কমিটি 'রিস্ট্রাকচার' দলের অভ্যন্তরের গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে, যেই প্রবণতা পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আছে। বিরোধীমতকে দমন করার পুরোনো প্রক্রিয়া অবলম্বন করেছে এনসিপি।নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে আজ নানা বিভাজনের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। অথচ অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন ছিল এমন একটি রাজনৈতিক স্বপ্ন ও সম্ভাবনা তৈরি করা, যা মানুষকে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড় করাবে না বরং ভিন্নমত, ভিন্ন বিশ্বাস ও ভিন্ন পরিচয় সত্ত্বেও একটি অভিন্ন জাতীয় আকাঙ্ক্ষার জায়গায় ঐক্যবদ্ধ করবে। বিবৃতির শেষাংশে সামান্তা শারমিন বলেন, আমি এই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে, কাজ করতে অংগীকারাবদ্ধ যারা আমার সাথে এবিষয়ে বিস্তারিত মতবিনিময় করতে চান সকলকে আহবান করছি, যোগাযোগ করুন। আমি আপনাদেরকে সাথে নিয়েই গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ তৈরির প্রকল্পকে এগিয়ে নিতে চাই।

১ দিন আগে

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ

গ্যাস-বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে রাজধানীতে জামায়াতের বিক্ষোভ


দফায় দফায় জ্বালানি গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় উত্তর বাড্ডা ব্রিজের নিচে সমাবেশ শেষে মিছিলটি বের হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমীর ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়রপ্রার্থী মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। মিছিলে শত শত নারী হাড়ি-পাতিল ও এলপিজি গ্যাসের ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন।সমাবেশে মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আমরা রাজপথে নেমেছি। মানুষের আয় ও দ্রব্যমূল্যের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য নেই। জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও সেই অনুপাতে মানুষের আয় বাড়ছে না। অবিলম্বে বাজারের সিন্ডিকেট ভেঙে ন্যায্যমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।তিনি বলেন, শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধির দাবি ন্যায্য। তাদের ওপর নির্যাতন, হয়রানি ও চাকরিচ্যুতি বন্ধ করে যথাসময়ে বেতন পরিশোধ করতে হবে। ন্যায্য আন্দোলনের নামে গাড়ি ভাঙচুর বা কারখানায় অগ্নিসংযোগ গ্রহণযোগ্য নয়। কোনো তৃতীয় পক্ষ যেন শ্রমিকদের আন্দোলনকে ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান, মাহফুজুর রহমান, ইয়াসিন আরাফাত ও আতাউর রহমান সরকার। এ সময় জামাল উদ্দিন, ইঞ্জিনিয়ার নোমান আহমেদি, মাওলানা কুতুবউদ্দিন, ফজলে আহমেদ ও মিজানুর রহমান খানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিলটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বাড্ডা ইউলুপের সামনে গিয়ে শেষ হয়।

১ দিন আগে

শ্রমিকের অধিকার ও শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে দায় সরকারকেই নিতে হবে: মজিবুর রহমান মঞ্জু

শ্রমিকের অধিকার ও শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে দায় সরকারকেই নিতে হবে: মজিবুর রহমান মঞ্জু


বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পকে কেন্দ্র করে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ, আন্দোলন, সংঘাত ও সংকটের স্থায়ী সমাধানে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিল্পের উৎপাদন ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা রক্ষা করতে হবে এবং শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে সরকারের ব্যর্থতা শিল্প খাতকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে বলে জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)।বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর বিজয়নগরে এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু এ আহ্বান জানান।শ্রম বিষয়ক সম্পাদক শাহ আব্দুর রহমানের সঞ্চালনায় এবি পার্টির পক্ষে কিছু দাবি পেশ করেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান। মঞ্জু বলেন, শ্রমিকের অধিকার এবং পোশাকশিল্পের স্বার্থ পরস্পরবিরোধী নয়। শ্রমিককে ন্যায্য মজুরি দিতে হবে, একই সঙ্গে শিল্পের কর্মসংস্থান ও উৎপাদন সক্ষমতাও রক্ষা করতে হবে। তবে শ্রমিকের অধিকার ও শিল্পের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে এর দায় সরকারকেই নিতে হবে। মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, দেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে। প্রায় ৪০ লাখ শ্রমিক সরাসরি এ শিল্পের সঙ্গে যুক্ত। কাজেই পোশাকশিল্পের সংকট শুধু মালিকদের ব্যবসায়িক সমস্যা নয়, এটি জাতীয় অর্থনীতি ও লাখ লাখ পরিবারের জীবিকার প্রশ্ন। দ্রব্যমূল্য, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াত ব্যয় যেভাবে বেড়েছে, তাতে বর্তমান মজুরিতে শ্রমিকদের জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে। শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিকে তাই গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্প তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে রয়েছে। উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি ও অর্থায়নের খরচ বাড়লেও আন্তর্জাতিক ক্রেতারা অনেক ক্ষেত্রে পণ্যের ন্যায্য মূল্য দিচ্ছে না। ফলে শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধির পুরো চাপ শুধু কারখানার মালিকদের ওপর ছেড়ে দিলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কারখানাগুলো সংকটে পড়তে পারে। আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ও ক্রেতাদেরও শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করার দায় নিতে হবে।শ্রমিক অসন্তোষ মোকাবিলায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ভূমিকার সমালোচনা করে এবি পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা কোনো রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব নয়। দেশে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী থাকা সত্ত্বেও বিএনপির নেতাকর্মীদের লাঠিসোঁটা নিয়ে রাজপথে নামতে দেখা যাচ্ছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতির খবরও এসেছে। রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা কেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবেন? এই একই ভুল আওয়ামী লীগও করেছিলো। শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণের নামে রাজনৈতিক কর্মীদের মাঠে নামানো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে এবং নতুন সংঘাতের ঝুঁকি তৈরি করে। বিএনপি বিরোধী দলে থাকার সময় যে নিরপেক্ষ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি করেছিল, এখন তাদের সেই রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে হবে।তিনি আরও বলেন, বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় বিএনপি গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৩ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছিল। অন্যদিকে এর আগে গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বর্তমান পরিকল্পনা প্রতি মন্ত্রী জোনায়েদ সাকি ২৫ হাজার টাকা মজুরির দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।এখন শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকার দাবির বিষয়ে তাদের অবস্থান কী, তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন। বিরোধী দলে থাকলে শ্রমিকের অধিকারের পক্ষে কথা বলা আর ক্ষমতায় এসে সেই প্রশ্নে ভিন্ন অবস্থান নেওয়া উচিত নয়।মজুরি বোর্ড গঠন ও সরকারের উদ্যোগের বিলম্বের সমালোচনা করে মঞ্জু বলেন, ১৫ অক্টোবর মজুরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও আনুষ্ঠানিকভাবে বোর্ড গঠন করতে ১ নভেম্বর পর্যন্ত সময় লেগেছে। প্রথম সভা হয়েছে ৪ নভেম্বর। শ্রমিক অসন্তোষ বাড়তে থাকার মধ্যে এতদিন কার্যকর আলোচনা ও সমাধানের উদ্যোগ না নেওয়া সরকারের সংকট মোকাবিলার প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। শ্রমিকদের দাবি ও অসন্তোষকে শুধু আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না; এটি অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায্যতার প্রশ্ন।গাজীপুরে শ্রমিক তৌফিক হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করে তিনি বলেন, এই মৃত্যুর জন্য কারা দায়ী, শ্রমিকদের ওপর হামলার ঘটনায় কারা জড়িত এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ দায়িত্ব পালন করেছে কি না, তা তদন্ত করে জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে। আন্দোলনে কোনো রাজনৈতিক দলের অনুপ্রবেশ, উসকানি, ভাঙচুর বা নাশকতার অভিযোগ থাকলে সেগুলোও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। কোনভাবেই নৈরাজ্য, গাড়ী ভাঙচুর, প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর গ্রহনযোগ্য নয়। এর সাথে যারা জড়িত তাদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির পক্ষ থেকে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান বর্তমান মজুরি বোর্ডকে কার্যকর করে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামোর সুপারিশ চূড়ান্ত করা ও শ্রমিকদের ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির দাবিকে গুরুত্ব দিয়ে আলোচনার ভিত্তিতে বাস্তবায়নযোগ্য মজুরি বৃদ্ধির রোডম্যাপ ঘোষণা করা। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি করা হলেও প্রতিটি ধাপের পরিমাণ ও কার্যকর হওয়ার তারিখ নির্ধারণ করার দাবি জানানো হয়। ব্যারিস্টার নোমান আরো বলেন,শ্রমিকের মজুরি কমিয়ে কিংবা আন্দোলন দমন করে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পকে দীর্ঘমেয়াদে টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। আবার ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতার মধ্য দিয়েও শ্রমিকের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে না। প্রয়োজন ন্যায়ভিত্তিক মজুরি, দায়িত্বশীল মালিকানা, দক্ষ ও উৎপাদনশীল শ্রমশক্তি এবং জবাবদিহিমূলক সরকার।এবি পার্টি সংকট তৈরি হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া দেখানোর রাজনীতি নয়, সংকট তৈরি হওয়ার আগেই সমাধানের রাজনীতি চায়। শ্রমিকের মর্যাদা, শিল্পের সুরক্ষা এবং জাতীয় অর্থনীতির স্বার্থে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত জাতীয় পোশাকশিল্প ও শ্রমনীতি প্রণয়ন করতে হবে।সংবাদ সম্মেলনে এবি পার্টির নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল মামুন রানা, এবিএম খালিদ হাসান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ক জামাল শেখ,ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব বারকাজ নাসির আহমদ,সহকারী দপ্তর সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নু, মোহসীনুল হক চৌধুরী, মশিউর রহমান মিলু, শ্রমিক নেত্রী বেবি পাঠান গাইবান্ধা জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক তাজুল ইসলাম,রমনা থানার আহ্বায়ক আব্দুল কাদের মুন্সী এবং পল্টন থানার সদস্য আব্দুল কুদ্দুস।

১ দিন আগে

এই সংবিধান ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সম্ভব নয়: মজিবুর রহমান মঞ্জু

এই সংবিধান ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের পরিবর্তন সম্ভব নয়: মজিবুর রহমান মঞ্জু


গণ-অভ্যুত্থানের এক বছর পেরিয়ে গেলেও তরুণদের রাষ্ট্র সংস্কারের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়িত হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তারা বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ও অর্জনকে রাজনৈতিক বিভাজনের ঊর্ধ্বে রেখে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অন্যথায় দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়তে পারে।বৃধবার (৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) আয়োজিত ‘বছর পেরিয়ে জুলাই সনদ: গণ-অভ্যুত্থানের তরুণ অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময়’ শীর্ষক সভায় বক্তারা এ সব কথা বলেন।এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জুর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন দৈনিক আমার দেশ-এর সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। এবি যুব পার্টির সদস্যসচিব হাদীউজ্জামান খোকন সভাটি সঞ্চালনা করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম, দৈনিক ওয়াদা’র সম্পাদক ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান। সভাপতির বক্তব্যে মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, এই সংবিধান এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়ে বাংলাদেশের কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। এবার আমাদের নতুন করে রাষ্ট্র মেরামতের সনদ তৈরি করতে হবে। সেই সনদে চার কোটি মানুষের স্বাক্ষর গ্রহণের উদ্যোগ নিতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে জনগণকেই প্রকৃত অংশীজন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি বলেন, অদক্ষতা ও অনভিজ্ঞতার জন‍্য ড. ইউনূস সরকারকে উপহাস করে বলা হতো এনজিওগ্রাম সরকার। অব‍্যবস্থাপনা ও অযোগ্যতার জন্য বর্তমান সরকারকে অনেকে ‘লন্ডনী-গো’ সরকার বলছে।তিনি আরও বলেন, মাহমুদুর রহমান অনেক আগেই বলেছিলেন, ফ্যাসিবাদ রুখতে হলে গণ-অভ্যুত্থান প্রয়োজন, পাশাপাশি প্রয়োজন সাংস্কৃতিক বিপ্লব। সৈনিকদের এক যুদ্ধের পর আরেক যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে হয়, আমাদের সেই প্রস্তুতি নিতে হবে। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েও সব সমস্যার সমাধান হয়নি, নির্বাচনেও হয়নি। বরং সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সীমান্তের ওপার থেকে ফ্যাসিবাদী শক্তি উল্লসিত হচ্ছে।প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, আমাদের জেন-জি সফল হয়েছে। তারা ফ্যাসিবাদের আইকনকে পরাজিত করেছে। কিন্তু তাদের স্বপ্ন,রাষ্ট্র মেরামতের আকাঙ্ক্ষা,এখনো পূরণ হয়নি। জুলাই সনদ প্রণয়নের প্রক্রিয়া ও পদ্ধতিই ভুল ছিল। রাজনৈতিক পরিপক্বতা থাকলে জুলাই সনদের আগে নির্বাচন দেওয়া হতো না।তিনি বলেন, নোট অব ডিসেন্ট দিয়ে স্বাক্ষরের প্রক্রিয়াটিই প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। যারা এতে নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছে, তারা কার্যত জুলাই সনদের চেতনাকেই স্বীকার করতে চায় না। তারা বিপ্লব শব্দটি উচ্চারণ করতেও অস্বস্তি বোধ করে। অধ্যাপক ইউনূস সরকারের অগ্রাধিকারের জায়গায় সমস্যা ছিল। তরুণরা রাষ্ট্র সংস্কার চেয়েছিল, কিন্তু সেই আকাঙ্ক্ষা যথাযথভাবে অনুধাবন করা হয়নি। তারপরও ওই সরকার ছিল জুলাইয়ের বন্ধু সরকার। অনভিজ্ঞতার কারণে সরকার অনেক চাপের মুখে পড়েছিল। জুলাইয়ের অনেক তরুনদের সংগঠন সরকারকে সহযোগিতা করার পরিবর্তে অনেক ক্ষেত্রে অসহযোগিতা করা হয়েছে। বিএনপিও সরকারকে সহযোগিতা করেনি। সব মিলিয়ে সেটি ছিল একটি দুর্বল সরকার।নির্বাচনের পর জুলাইয়ের পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে বিভাজনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর আমরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গেছি। কে দেশের ভেতর থেকে, কে দেশের বাইরে থেকে মাস্টারমাইন্ড ছিল,এখন চলছে সেই কৃতিত্ব নেওয়ার প্রতিযোগিতা। অথচ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হলে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। বিভাজনমূলক বক্তব্যের দায় সরকারকেই নিতে হবে।তিনি জুলাইয়ের পক্ষের রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে এবি পার্টিসহ সব বাংলাদেশপন্থী দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। এ লক্ষ্যে একটি জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের প্রস্তাব দিয়ে তিনি বলেন, এভাবে বিভাজন চলতে থাকলে দেশের স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। আবু সাঈদ শুধু বাংলাদেশের আইকন নন, তিনি গোটা পৃথিবীর আইকন। জুলাই বিপ্লব এক দিনের কোনো ঘটনা নয়; বিপ্লব একটি চলমান প্রক্রিয়া। জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ ছাড়া আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি হতো না। আমাদের আরও একটি বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তরুণদের বলা হচ্ছে, তোমরা বিপ্লব করেছ, এখন রাষ্ট্র নিয়ে আর ভাবার দরকার নেই, পড়ার টেবিলে ফিরে যাও। কোনো কোনো রাজনীতিবিদ বিপ্লবীদের ফার্মের মুরগির সঙ্গে তুলনা করছেন। যারা তরুণদের অবদানকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন, তারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেননি।তিনি বলেন, ১৭ বছর ধরে যে জগদ্দল পাথর সরানো যায়নি, আমাদের তরুণরা সেটি সরিয়েছে। লক্ষ্মণ সেনের মতো দুপুরের খাবার ফেলে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল ফ্যাসিবাদী শাসকগোষ্ঠী। এটি ছিল ইতিহাসের অন্যতম সেরা পলায়ন। যারা তরুণদের অবদান অস্বীকার করছেন, তারা অজ্ঞতাপ্রসূত কাজ করছেন।জুলাই সনদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, সংবিধান ও প্রচলিত আইনের মাপকাঠিতে জুলাই বিপ্লব হয়নি। এটি ছিল সব আইনি সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে জনগণের অভ্যুত্থান। এখন ভাড়াটিয়া লোক দিয়ে নানা ধরনের ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা চলছে। আইন ও সংবিধানের দোহাই দিয়ে জুলাই সনদ অমান্য করা যাবে না। জুলাই সনদ আমাদের রেড লাইন।দৈনিক ওয়াদা’র সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, জুলাই এখনো হারিয়ে যায়নি। জুলাইকে শুধু রাজনীতির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না; শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতেও জুলাইকে ছড়িয়ে দিতে হবে। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ যেন কোনোভাবেই আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে জন্য সাংস্কৃতিক আন্দোলন জোরদার করতে হবে।তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদ কীভাবে তৈরি হয়, এর পেছনে কারা রসদ জোগায়, তাদের চিহ্নিত করতে হবে। হিটলারের উত্থানের পেছনেও নানা ধরনের শক্তি ও উপাদান কাজ করেছিল। আমাদেরও ফ্যাসিবাদ তৈরির পেছনের শক্তিগুলো চিহ্নিত করতে হবে। জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করতে হবে।মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন তারুণ্যের জুলাই ফাউন্ডেশনের নেতা সাগর উদ্দিন, পুসাবের সংগঠক তালহা বিন আমীন, জুলাই ঐক্যের নেতা রিয়াদুস ইসলাম জুবা, জুলাই যোদ্ধা লাবিব, স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের সংগঠক সাইয়েদ আহমেদ সরকার, শহীদ সোহেল রানার ভাই আলভী নাবিল, জুলাই রেভ্যুলেশন ওয়াচের সংগঠক সানজিদ হাসান তানভীর, বৈষম্যবিরোধী কওমির সদস্য সচিব মাসুদুর রহমান জুনায়েদ, প্রতিবন্ধী নাগরিক পরিষদের সংগঠক ইফতেখার মাহমুদ,জুলাই সংগঠক নেছার উদ্দিন, শহীদ রাকিবের ভাই আমিন উদ্দিন, মঞ্চ ২৪-এর সংগঠক ইশরাত করিম অর্পিতা, দ্য রেড জুলাইয়ের সংগঠক রাসেল মাহমুদ এবং মুস্তাইন বিল্লাহ হাবীবি।এবি পার্টির সিনিয়র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল,প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী রাজা, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খান, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুল হালিম খোকন, ও খুলনা সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়ামিনুর রহমানসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী।

২ দিন আগে

সরকারের প্ল্যান শুধু দফায় দফায় সবকিছুর দাম বাড়ানো: মজিবুর রহমান মঞ্জু

সরকারের প্ল্যান শুধু দফায় দফায় সবকিছুর দাম বাড়ানো: মজিবুর রহমান মঞ্জু

৩ নভেম্বর ২০২৬ রাত ১১:৩৫:৪৯

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের কূটনীতিকদের বৈঠক, আলোচনায় গণভোট

জামায়াত আমিরের সঙ্গে সিঙ্গাপুরের কূটনীতিকদের বৈঠক, আলোচনায় গণভোট

৩ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৩:৫৮:৫৭

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: জামায়াত আমির

যে সাপ আপনারা নাচাচ্ছেন, সেই সাপই একদিন ছোবল দেবে: জামায়াত আমির

৩ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ০২:০৯:৪৩

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের কারামুক্তি

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের কারামুক্তি

৩ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:৩৬:১৩

২৯ দিনে দুই দফায় এলপিজির দাম বৃদ্ধি করে জনগণের ওপর বোঝা চাপানো অযৌক্তিক: এবি পার্টি

২৯ দিনে দুই দফায় এলপিজির দাম বৃদ্ধি করে জনগণের ওপর বোঝা চাপানো অযৌক্তিক: এবি পার্টি

৩ নভেম্বর ২০২৬ সকাল ১০:৪৪:৫৬

"সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে"

"সরকারের ব্যর্থতা ও অব্যবস্থাপনা দেশের অর্থনৈতিক সংকটকে আরও প্রকট করে তুলেছে"

২ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৭:৫৪:১৯

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই

জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের মুক্তিতে বাধা নেই

২ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৫:৫৬:০৭

পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

পোশাকশিল্প ধ্বংসে ষড়যন্ত্রকারীরা উসকানি দিচ্ছে: জামায়াত আমির

২ নভেম্বর ২০২৬ বিকাল ০৪:২১:২২

এনসিপির নতুন উইংয়ের আত্মপ্রকাশ আজ, যোগ দিচ্ছেন দুই নাজমুল

এনসিপির নতুন উইংয়ের আত্মপ্রকাশ আজ, যোগ দিচ্ছেন দুই নাজমুল

২ নভেম্বর ২০২৬ দুপুর ১২:৪০:১০

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল, সদস্যসচিব জাহাঙ্গীর

১ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৯:৫২:২৯

গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা উদ্বেগজনক: জামায়াত আমির

গার্মেন্টস শিল্পে চলমান অস্থিরতা উদ্বেগজনক: জামায়াত আমির

১ নভেম্বর ২০২৬ রাত ০৭:২৩:২৪

1–15 / মোট 843টি সংবাদ | পৃষ্ঠা 1 / 57
শিরোনাম
ডেঙ্গুতে মারা গেছেন সাংবাদিক নাদিম হাসান ধামরাইয়ে নান্নার যুবক্রীড়া সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, টাইব্রেকারে জয় মানিকগঞ্জের মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১৫৩৫ জন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ, আহতরা সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা জনগণের কষ্টগুলো লাঘব করতে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি : আইনমন্ত্রী বুকে তীব্র ব্যথা, হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী সার সংকট কাটাতে তিন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের ফ্যাসিস্ট আ.লীগের আর এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু নদীর দুই পাড়ে অসংখ্য অবৈধ মাছ ধরার ঝাঁকতিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বন্ধ নৌযান চলাচল ডেঙ্গুতে মারা গেছেন সাংবাদিক নাদিম হাসান ধামরাইয়ে নান্নার যুবক্রীড়া সংঘের ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত, টাইব্রেকারে জয় মানিকগঞ্জের মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ডেঙ্গুতে আরও ৩ প্রাণহানি, আক্রান্ত ১৫৩৫ জন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবার পাবে ৫ লাখ, আহতরা সর্বোচ্চ ৩ লাখ টাকা জনগণের কষ্টগুলো লাঘব করতে কাজ করছে সরকার : ত্রাণমন্ত্রী মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি : আইনমন্ত্রী বুকে তীব্র ব্যথা, হাসপাতালে ভর্তি শ্রমমন্ত্রী সার সংকট কাটাতে তিন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের ফ্যাসিস্ট আ.লীগের আর এ দেশে রাজনীতি করার সুযোগ নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাম উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু নদীর দুই পাড়ে অসংখ্য অবৈধ মাছ ধরার ঝাঁকতিন কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বন্ধ নৌযান চলাচল