বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের সাধারণ মানুষ নানা সংকটে দিশেহারা। কৃষকের সার নেই, পেটে ভাত নেই। যুবকের কাজ নেই, বাড়িতে নিরাপত্তা নেই। অন্যদিকে ব্যাংকে টাকা নেই, অথচ একদল লোক এখনো ‘খাই খাই’ জিকিরে ব্যস্ত।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ৮ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত কর্মসূচির পথসভায় বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সাধারণ মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চমূল্য, বেকারত্ব ও সামাজিক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কৃষি খাত সংকটে পড়েছে, যুবসমাজ কর্মসংস্থানের অভাবে হতাশ এবং আর্থিক খাত নিয়েও মানুষের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে।তিনি বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নসহ ৮ দফা দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, শিল্পকারখানার চাকা সচল রাখা এবং চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধের দাবিও তুলে ধরেন তিনি।জামায়াত আমির বলেন, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্যই রাজপথের এই কর্মসূচি। সরকার ৮ দফা দাবি মেনে নিলে আন্দোলন প্রত্যাহারের পথে যাওয়া হবে। আর দাবি বাস্তবায়ন না হলে ৮ দফা এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।তিনি আরও বলেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে থাকার আহ্বান জানান তিনি।
২০ ঘন্টা আগে
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ১১ দলের গণদাবি আদায়ের জন্য রাজপথে নেমেছি। এই রাজপথ থেকে আমরা আদায় করে ঘরে ফিরবো। গণভোটের গণরায়কে কার্যকর করা ছাড়া বর্তমান সরকারের বিকল্প কোন পথ নাই। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার দেশ থেকে পালিয়ে গিয়েছিল। তারেক জিয়া সরকারকে গণভোটের রায় কার্যকর করেই ক্ষমতা ছাড়তে হবে ইনশাল্লাহ।শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সাড়ে ৯টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া-বাইপাসের টাঙ্গাইল রোডে লংমার্চের পথসভার বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি আরো বলেন, আধিপত্যবাদী শক্তিগুলো বাংলার মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। ১১ দল দ্ব্যর্থহীন ভাষাই বলে বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য তারা নিজেরাই নিজেদের হাতে গড়বে। তিস্তা ব্যারেজ নিয়ে সরকারের লুকোচুরি আর বরদাস্ত করা হবে না। শহীদ শরীফ ওসমান হাদীসহ দেশ প্রেমিক ইলিয়াস আলীসহ যাদেরকে গুম, খুন, হত্যা করা হয়েছে তাদের হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলার মানুষ আদায় করে ছাড়বে, ইনশাআল্লাহ। শহীদ ওসমান হাদীর হত্যাকারীদেরকে যারা এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশের বিচার বিভাগের কাছে হস্তান্তর না করে বাংলাদেশের মানুষের সেন্টিমেন্ট নিয়ে খেলার চেষ্টা করছে আমরা ভিনদেশীয় অপশক্তিগুলোকে আজকের এই লংমার্চ থেকে স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই আন্দোলন সংগ্রামে আমরা সফল হব ইনশাআল্লাহ।
১ দিন আগে
আট দফা দাবি আদায়ে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করেছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে যাত্রা শুরু করে লংমার্চটি গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাসে পৌঁছায়। সেখানে অনুষ্ঠিত পথসভায় বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণের প্রয়োজনেই আট দফা দাবি যেকোনো সময় এক দফায় রূপ নিতে পারে। এ সময় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পাশাপাশি গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসন, শিল্পকারখানার চাকা সচল রাখা এবং চাঁদাবাজি-দুর্নীতি বন্ধের দাবি জানান তিনি।লংমার্চের উদ্দেশ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, জনগণের ঘরে ঘরে গ্যাস পৌঁছে দেওয়া, শিল্পকারখানার চাকা সচল রাখা এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিতে তাদের এই কর্মসূচি।একই সঙ্গে সর্বস্তরে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধের দাবি জানান তিনি। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নেও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানান জামায়াত আমির।বক্তব্যে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন নিয়েও কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা। তার দাবি, জনগণের রায়কে যারা অপমান করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতেই এই কর্মসূচি।এ সময় তিনি বলেন, জনগণের দাবি আদায়ে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি বলেন,পানি খাব, তবে পানি গোলা করে খাবে।লংমার্চের পথসভায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
১ দিন আগে
বিএনপি ক্ষমতায় এসে জনগণের অধিকার হরণ এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছে। যারা অতীতে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, তাদের স্থান হয়েছে ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে। তারেক রহমানকে নির্ধারণ করতে হবে, তিনি কীভাবে ক্ষমতা থেকে চলে যাবেন-এমনটাই মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক (এনসিপি) নাহিদ ইসলাম।নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তিনি (তারেক রহমান) কি হেলিকপ্টারে করে দেশ থেকে পালিয়ে যাবেন, নাকি সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করবেন, সে সিদ্ধান্ত তাকে নিতে হবে। এরশাদও সম্মানের সঙ্গে পদত্যাগ করেছিলেন। তারেক রহমানকে তার যাওয়ার রাস্তা নিজেকে বাছাই করে নিতে হবে।’শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢাকা টু রংপুরমুখী লংমার্চের উদ্বোধনী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।গণজোয়ার প্রতিরোধ করতে গতকাল রাত থেকে লংমার্চের পথে থাকা ১১–দলীয় ঐক্যের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে অভিযোগ করে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, বিএনপির নেতা-কর্মীদের সঙ্গে এই কাজে যোগ দিয়েছে সিটি করপোরেশন। ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ে লংমার্চের গণজোয়ার বন্ধ করা সম্ভব হবে না।এসময় শেখ হাসিনার সরকার যেসব আইন ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনগণের অধিকার হরণ করেছে, বর্তমান সরকারও একই আইন ও প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করা শুরু করেছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির এই নেতা।তিনি বলেন, ঢাকা টু চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক লং মার্চ সফল করার পরে আজকে আমরা শুরু করতে যাচ্ছি ঢাকা থেকে রংপুরের আমাদের সেই ঐতিহাসিক লং মার্চ। রংপুরের আজকের এই ঐতিহাসিক লং মার্চ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতৃত্বে, আট দফা দাবিতে।সমাবেশে সমাপনী বক্তব্য দেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।জামায়াতের ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি রেজাউল করিম ও দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন- লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম।
১ দিন আগে