মৌলভীবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৯ মার্চ ২০২৬ রাত ০৯:২৫:০৩
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় শেগুফতা রাব্বানী
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এসেছে শেগুফতা রাব্বানীর নাম। তাকে ঘিরে মৌলভীবাজারের স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনা চলছে।
জানা যায়, শেগুফতা রাব্বানী সাবেক সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য বেগম খালেদা রব্বানীর বড় মেয়ে। পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রয়েছেন এবং ইতোমধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলেছেন।
জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দুঃসময়ে দলকে সুসংগঠিত রাখতে শেগুফতা রাব্বানী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাদের মতে, তিনি তরুণ, শিক্ষিত ও সাংগঠনিকভাবে দক্ষ হওয়ায় সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী।
সূত্র জানায়, তিনি মৌলভীবাজার সরকারি কলেজে পড়ালেখার সময় থেকেই ছাত্ররাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৮৯ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (এমএ) সম্পন্ন করেন। ইংরেজির পাশাপাশি রাশিয়ান, উর্দু ও হিন্দি ভাষায়ও তার দক্ষতা রয়েছে।
বর্তমানে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশায় তিনি তৃণমূল পর্যায়ে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ করছেন। তার সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা তাকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে এগিয়ে রাখবে।
নেতাকর্মীরা আরও বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনে এমন একজন নেত্রীকে মনোনয়ন দেওয়া প্রয়োজন, যিনি দলীয় আদর্শে বিশ্বাসী এবং তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত। তারা আশা করছেন, দলীয় হাইকমান্ড বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।
এ বিষয়ে শেগুফতা রাব্বানী বলেন, “দলের নেতাকর্মীরা আমাকে যে ভালোবাসা ও আস্থা দেখাচ্ছেন, তা আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে দায়িত্ব দেয়, তাহলে আমি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে তা পালন করব।”
তিনি আরও বলেন, তৃণমূলসহ সব স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। “মানুষের প্রয়োজনে আমি সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করি। দিন-রাত যে কোনো সময় কেউ যোগাযোগ করলে সাধ্যমতো সহায়তা করি,”—যোগ করেন তিনি।
তবে সংরক্ষিত নারী আসনে চূড়ান্ত মনোনয়ন দলীয় উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।