নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ দুপুর ০২:৩৬:০১
কুমিল্লা-১: ৬০ হাজার ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন ড. মোশাররফ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও দলের মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। বিশাল ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি ৫ম বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।
১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ৫৯,৮০৬ ভোট বেশী পেয়ে তিনি
জয়ী হলেন। দাউদকান্দি উপজেলার ১০৭ টি কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারী ফলাফলে বিএনপির ড.খন্দকার
মোশাররফ হোসেনের (ধানের শীষ) প্রাপ্ত ভোট ১,০১,৩৯৪ এবং দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মনিরুজ্জামান
বাহলুলের প্রাপ্ত ভোট (দাড়িপাল্লা) ৭৩,৩৩৯ ।
মেঘনা উপজেলায় মোট ৩৮ কেন্দ্রের প্রাপ্ত বেসরকারী ফলাফলে
বিএনপির ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেনের (ধানের শীষ) প্রাপ্ত ভোট ৩৮,৯১১ এবং দাঁড়িপাল্লা
প্রতীকের মনিরুজ্জামান বাহলুলের প্রাপ্ত ভোট ১৭,১৬০। মেঘনা উপজেলায় ২১,৭৫১ ভোটের ব্যবধানে
ধানের শীষ প্রতীক এগিয়ে ছিলেন। ড.মোশাররফ দুই উপজেলায় মোট ১৪৫টি কেন্দ্রে সর্বমোট ভোট
পেয়েছেন ১,৪০,৩০৫। অপরদিকে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত জামায়াতে
ইসলামীর প্রার্থী মনিরুজ্জামান বাহলুল পেয়েছেন ৯০,৪৯৯ ভোট।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সিনিয়র সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ
হোসেন এই আসন থেকে ১৯৯১, ১৯৯৬, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল
ভোটে চার বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
তিনি (১৯৯১-৯৬) মেয়াদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ
মন্ত্রী, একই বছরে স্বল্প মেয়াদে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এবং (২০০১-২০০৬) মেয়াদে স্বাস্থ্য
ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী হিসাবে সফল দায়িত্ব পালন করেছেন।
ড. মোশাররফ দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষার আন্দোলনে নায়কোচিত
ভূমিকা রেখেছেন। ফলে তিনি আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের সবচেয়ে বেশি জুলুম ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার
শিকার হয়েছেন। ড. মোশাররফ আওয়ামী সরকারের দায়েরকৃত মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় প্রায় ৫
বছর কারাবন্দী ছিলেন।
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য, বীর মুক্তিযোদ্ধা ড.খন্দকার মোশাররফ
হোসেনের এই বিশাল বিজয় অর্জন করতে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন,
নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন, তিনি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সুপ্রীম
কোর্টের আপীল বিভাগের এডভোকেট ড.খন্দকার মারুফ হোসেন।