বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত হঠাৎ করে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট, রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন।রোববার (১৭ মে) বেলা ১১টার দিকে তিনি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রামানাথ পূজারী।পরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে প্রকল্পের সার্বিক বিষয় নিয়ে একটি উপস্থাপনা এবং বিআইএফপিসিএলের বিভিন্ন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।মতবিনিময় সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক রামানাথ পূজারী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার মো. জাকির হোসেন, বিপিডিবির (উৎপাদন) সদস্য মো. জহিরুল ইসলাম, এপিএসসিএলের পরিচালক মোহাম্মদ সোলায়মান, বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব অভিষেক কুমার, প্রকল্প পরিচালক মুহা. আলাউদ্দিন, উপপ্রকল্প পরিচালক অংকুর আগারওয়ালসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা।এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তামান্না ফেরদৌসি, রামপাল থানার ওসি মো. রাজিব আল রশিদ, বাগেরহাট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার এটিএম আকরাম হোসেন তালিম, সদস্যসচিব মুজাফফর রহমান আলম, সদস্য অহিদুল ইসলাম পল্টু, রামপাল উপজেলা বিএনপির সভাপতি হাফিজুর রহমান তুহিন, কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরদার জাহিদ হোসেন এবং মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি জুলফিকার আলী প্রমুখ। মতবিনিময় সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী প্ল্যান্টের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের মূল কেন্দ্র, কয়লা শেড, কয়লা মজুদের স্থান, জেটি, কয়লা আমদানি ও খালাস কার্যক্রমসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
৩ সপ্তাহ আগে
ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি তিন দিনের সরকারি সফরে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ময়মনসিংহ ও নান্দাইল উপজেলা সফরে যাচ্ছেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়-এর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ সফরসূচি নিশ্চিত করা হয়েছে।বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে তিনি ঢাকা থেকে সড়কপথে নান্দাইলের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। সেখানে পৌঁছে ডাকবাংলোয় তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হবে। এরপর তিনি পর্যায়ক্রমে নান্দাইল প্রেসক্লাব, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়, উপজেলা হাসপাতাল এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তর পরিদর্শন করবেন। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎ শেষে তিনি নিজ বাসভবনে রাত্রিযাপন করবেন।সফরের দ্বিতীয় দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) তিনি স্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বিকেলে আশরাফ চৌধুরী কামিল মাদরাসায় আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ করবেন।সফরের শেষ দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকালে নান্দাইলে স্থানীয় সুধীজনের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে তিনি ময়মনসিংহের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন। ময়মনসিংহে পৌঁছে প্রথমে ময়মনসিংহ প্রেসক্লাব পরিদর্শন করবেন। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মিলিত হবেন। সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ প্রেসক্লাবে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ এবং স্থানীয় মসজিদে তারাবি নামাজ আদায় শেষে তিনি সড়কপথে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।প্রতিমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে নান্দাইল ও ময়মনসিংহে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।সফরকালে তাঁর সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা এবং স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
৩ মাস আগে
ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় বেহালদশা ও খানাখন্দে ভরা একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংস্কার করা হয়েছে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির নির্দেশে।বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কালেঙ্গা বাজারের পশ্চিম ও উত্তর পাশের দীর্ঘদিনের জনভোগান্তির এই সড়কটি কংক্রিট ও বালু দিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে মেরামত করা হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালেঙ্গা বাজারের দুই পাশের সড়ক দীর্ঘদিন ধরে খানাখন্দে ভরা থাকায় যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে প্রতিদিনই চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীদের।বিষয়টি প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপির নজরে আসার পরপরই তিনি সংশ্লিষ্টদের দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। তার নির্দেশে দ্রুত সড়ক সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করে তা চলাচলের উপযোগী করা হয়।খানাখন্দে ভরা সড়কটি সংস্কার হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা স্বস্তি প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
২ মাস আগে
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার আউটশাহী ইউনিয়নের পশ্চিম আউটশাহী গ্রামের এবাদুল মাদবরের ছেলে রুবেল মিয়া বাংলাদেশ পুলিশে ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) পদে পুনরায় নিয়োগ পেয়েছেন।জানা যায়, ২০০৬ সালে এসআই পদে তার নিয়োগ চূড়ান্ত হলেও দলীয়করণের অভিযোগে তৎকালীন সরকার তার নিয়োগ বাতিল করে দেয়। দীর্ঘ প্রায় দুই দশকের প্রতীক্ষার পর অবশেষে ২০২৬ সালে তিনি পুনরায় এই পদে নিয়োগ লাভ করেন।রুবেল মিয়ার এ সাফল্যে তার পরিবারসহ এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহীতে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য তাকে আগামী ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এ উপলক্ষে টঙ্গীবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুল হক (ডাবলু) রুবেল মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন এবং মিষ্টিমুখ করিয়ে শুভেচ্ছা জানান।এসময় তিনি রুবেল মিয়ার উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং দায়িত্ব পালনে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।থানার অন্যান্য পুলিশ সদস্যরাও এসময় উপস্থিত ছিলেন এবং নবনিযুক্ত এই সহকর্মীর সার্বিক সফলতা কামনা করেন।
১ মাস আগে