বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড ও বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড শাওমি সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে উন্মোচন করতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত রেডমি নোট ১৭ সিরিজ। স্মার্টফোনপ্রেমীদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে নতুন এই সিরিজে থাকছে রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি, রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি এবং রেডমি নোট ১৭ তিনটি শক্তিশালী স্মার্টফোন, যা দৈনন্দিন স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও শক্তিশালী, নির্ভরযোগ্য ও বুদ্ধিদীপ্ত করে তুলতে তৈরি করা হয়েছে।এই সিরিজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় সংযোজন রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি। ডিভাইসটিতে রয়েছে ১০,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি ও ১০০ ওয়াট হাইপার চার্জ , যা দীর্ঘসময় ধরে ভিডিও দেখা, গেম খেলা, ছবি ও ভিডিও তৈরি এবং সারাদিনের বিভিন্ন কাজে ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত রাখতে সক্ষম হবে। অন্যদিকে, রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি-তে রয়েছে ৮,৩৪০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার সিলিকন-কার্বন ব্যাটারি ও ৬৭ ওয়াট হাইপার চার্জ , আর রেডমি নোট ১৭-এ রয়েছে শক্তিশালী ৭,৭০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি ও ৪৫ ওয়াট হাইপার চার্জ । বিশাল এই ব্যাটারি সক্ষমতা ব্যবহারকারীদের বারবার চার্জ দেওয়ার চিন্তা কমিয়ে নিজেদের পছন্দের কাজে আরও বেশি সময় দেওয়ার সুযোগ করে দেবে।রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি এবং রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি-তে রয়েছে অত্যাধুনিক ৬.৮৩ ইঞ্চি ১.৫কে ক্রিস্টালরেজ অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যা প্রাণবন্ত রঙ, সূক্ষ্ম ডিটেইলস ও চমৎকার স্বচ্ছতার মাধ্যমে দেবে আরও মনোমুগ্ধকর ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা। অন্যদিকে, রেডমি নোট ১৭-তে রয়েছে বড় ৬.৯৯ ইঞ্চি ফুল এইচডি প্লাস আই-কেয়ার অ্যামোলেড ডিসপ্লে, যা উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত ছবি প্রদানের পাশাপাশি দীর্ঘসময় ব্যবহারে আরামদায়ক দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। রেডমি নোট ১৭ সিরিজের তিনটি স্মার্টফোনেই রয়েছে ইন-স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, যা দ্রুত ও নিরাপদ আনলকিং সুবিধা নিশ্চিত করবে।ব্যাটারির পাশাপাশি কর্মক্ষমতার দিক থেকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি-তে থাকছে স্ন্যাপড্রাগন ৬ জেন ৫, রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি-তে স্ন্যাপড্রাগন ৬এস জেন ৪ এবং রেডমি নোট ১৭-এ স্ন্যাপড্রাগন ৬এস ৪জি জেন ২ প্রসেসর। এর মাধ্যমে দৈনন্দিন ব্যবহার, একসঙ্গে একাধিক কাজ, বিনোদন ও গেম খেলার অভিজ্ঞতা আরও সাবলীল ও শক্তিশালী হবে।ব্যবহারকারীদের দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরতা নিশ্চিত করতে স্থায়িত্বের দিকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। রেডমি নোট ১৭ প্রো ম্যাক্স ৫জি ও রেডমি নোট ১৭ প্রো ৫জি-তে রয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ভিকটাস ২, পরীক্ষিত ৩ মিটার উচ্চতা থেকে পড়ে যাওয়ার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং আইপি৬৬, আইপি৬৮, আইপি৬৯ ও আইপি৬৯কে ধুলা ও পানি প্রতিরোধ ব্যবস্থা। অন্যদিকে, রেডমি নোট ১৭-এ রয়েছে কর্নিং গরিলা গ্লাস ৭আই এবং আইপি৬৫ ধুলা ও পানি প্রতিরোধ ক্ষমতা, যা প্রতিদিনের ব্যবহারে ব্যবহারকারীদের আরও আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে।প্রতিদিনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো আরও প্রাণবন্তভাবে ধারণ করতে পুরো সিরিজেই রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ব্যবস্থা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ছবি তোলার প্রযুক্তি। ফলে ছবি তোলা থেকে শুরু করে ছবি ও ভিডিও তৈরি সব ক্ষেত্রেই ব্যবহারকারীরা পাবেন আরও উন্নত ও সৃজনশীল অভিজ্ঞতা।আরও বেশি শক্তি, আরও শক্তিশালী কর্মক্ষমতা, আরও বেশি স্থায়িত্ব এবং আরও বুদ্ধিদীপ্ত প্রযুক্তি, সবকিছুর সমন্বয়ে রেডমি নোট ১৭ সিরিজ নিয়ে আসছে নতুন এক উত্তেজনা। বাংলাদেশে বহুল প্রতীক্ষিত এই সিরিজের আনুষ্ঠানিক উন্মোচনের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে, স্মার্টফোনপ্রেমীদের আগ্রহ ও প্রত্যাশাও ততই বাড়ছে। রেডমি নোট ১৭ সিরিজের হাত ধরে রেডমি নোটের যাত্রায় শুরু হতে যাচ্ছে আরও একটি নতুন, শক্তিশালী ও আকর্ষণীয় অধ্যায়।
২০ ঘন্টা আগে
নেপালে প্রলয়ংকরী আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৯৪ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও ঘটনার চার দিন পরও অন্তত ২ হাজার ৫০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। এতে প্রাণহানি আরও বাড়ার আশঙ্কা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে দেশটির পুলিশের দেওয়া সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে প্রাণহানির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।পৃথক আরেকটি তথ্যে জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, ৭৮১ জন নিহত হয়েছেন এবং দুই হাজার ৫০২ জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।মূলত, গত কয়েকদিন ধরে নেপালের একাধিক সংস্থা থেকে নানা ধরনের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে এবং সরকারি পরিসংখ্যানের সাথে সবসময় সেই তথ্যের মিল থাকে না। এছাড়াও নিখোঁজের তালিকায় একই ব্যক্তির নাম একাধিকবার থাকা, উদ্ধার হওয়ার পরও তালিকা থেকে নাম বাদ না পড়া এবং দুর্গম এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে বিভিন্ন সংস্থার হিসাবেও পার্থক্য দেখা যাচ্ছে। ফলে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত নিহত ও নিখোঁজের চূড়ান্ত সংখ্যা নিশ্চিত করা কঠিন।এদিকে শত শত উদ্ধারকৃত মরদেহের অবস্থা অত্যন্ত বিকৃত ও পরিচয়হীন হওয়ায় গণকবর দেওয়া শুরু করেছে প্রশাসন। তবে পরিচয় শনাক্তকরণের সুবিধার্থে সমাহিত করার আগে প্রতিটি মরদেহের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে রাখা হচ্ছে।এনডিআরআরএমএ আরও জানিয়েছে, ভয়াবহ এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭১৫ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়াও প্রতিকূল আবহাওয়ার মাঝেই উদ্ধারকারী দলগুলো এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ১৮৬ জনেরও বেশি মানুষকে উপদ্রুত এলাকা থেকে সফলভাবে উদ্ধার করতে পেরেছে।এদিকে রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলার জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাদা ও ধ্বংসস্তূপে নিমজ্জিত টানেলগুলোর ভেতর ডিলিং ও বিস্ফোরক ব্যবহার করে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এখনও প্রায় শতাধিক শ্রমিক সেখানে আটকা আছেন।চীনের তিব্বত অংশে আরও ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার ফলে সামগ্রিক মৃত্যুর সংখ্যা ৮১০ জনে পৌঁছেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, তিব্বতের ভূমিধসে ১৬ জন নিহত হয়েছে। এছাড়াও তিব্বতে ৫৪৬ জন এখনও নিখোঁজ আছেন, যাদের মধ্যে ২৩ দেশের ২৬১ জন বিদেশি নাগরিক রয়েছেন। তবে চীনের কঠোর নিয়ন্ত্রণের কারণে সেখানকার প্রকৃত পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র: সিএনএন, বিবিসি
১১ ঘন্টা আগে
দেশের বাজারে কমলো সোনার গহনার দাম। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম কমানো হয়েছে ৭ হাজার ১১৫ টাকা। এতে ভ্যাটসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমায় এই দাম কমানো হয়েছে। শনিবার (২৯ অগস্ট) সকাল ১০টা থেকে এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে গত ২০, ২২ ও ২৫ আগস্ট তিন দফায় ভালো মানের এক ভরি সোনার গহনার দাম সবমিলিয়ে বাড়ানো হয় ১০ হাজার ৯৬৪ টাকা। এই দাম বাড়ানোর পর এখন দাম কমানো হলো।এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৬২৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ৬ হাজার ৮২৩ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৭৮১ টাকা।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম ৫ হাজার ৮৩২ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৯৭ হাজার ৩৫৫ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম ৪ হাজার ৭২৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে এক লাখ ৬১ হাজার ১৯৬ টাকা।এর আগে গত ২৫ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম এক হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৪৩ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম এক হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৪ টাকা।এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার গহনার দাম এক হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৩ হাজার ১৮৭ টাকা। সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার গহনার দাম এক হাজার ১০৮ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৬৫ হাজার ৯২০ টাকা। আজ সকাল ৯টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত এই দামেই সোনার গহনা বিক্রি হয়।সোনার গহনার দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার গহনার দামও কমানো হয়েছে। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৩০৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৫ হাজার ৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার গহনার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার গহনার দাম ৫৯ টাকা কমিয়ে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ পর্যন্ত ঢাকামুখী লেনে এ তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) দুপুর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত এ যানজট চলছে। এতে যাত্রীদের ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের আষাড়িয়ারচর ব্রিজ সংস্কারের কারণে যানজট সুত্রপাত হয়। এতে মহাসড়কের ঢাকামুখী লেন স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ ৫০ কিলোমিটার যানজটে হাজার হাজার যানবাহনের জটলা সৃষ্টি হয়েছে।সড়ক বিভাগ জানায়, আষাড়িয়ারচর ব্রিজের ঢাকা অভিমুখী লেনের একটি অংশে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল। দিন দিন গর্তটি বড় হয়ে ওঠায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে সেখানে সংস্কারকাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। সংস্কারকাজ চলাকালে মহাসড়কের দুই লেনের একটি লেন বন্ধ রেখে অন্য এক লেন দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয়। ফলে ধীরে ধীরে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়তে থাকে এবং একপর্যায়ে দীর্ঘ যানজটে রূপ নেয়।শনিবার অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এক লেন দিয়ে পার হতে গিয়ে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। এতে মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা পর্যন্ত যানজট ছড়িয়ে পড়ে। এদিকে দীর্ঘ যানজট করে বিদেশগামী যাত্রীরা চরম বিপাকে পড়ে। দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা স্টার লাইন বাসের চালক ইয়াহিয়া জানান, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে যানজটে আটকে আছি। যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। সেন্টমার্টিন পরিবহনের চালক হুমায়ুন আজাদ বলেন, কুমিল্লার চান্দিনা থেকে নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। প্রায় আট ঘন্টা যাবত যানজটে পড়ে আছি। টোলপ্লাজায় আটকে থাকা মাহাবুব নামের এক বাসযাত্রী বলেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও আমরা একই স্থানে আটকে আছি। কী কারণে এত দীর্ঘ যানজট, তা সাধারণ যাত্রীদের জানা নেই।দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি প্রেম দাস রায় বলেন, দাউদকান্দি থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যানজটের মূল কারণ আষাড়িয়ারচর ব্রিজ এলাকায় সড়ক সংস্কার। মহাসড়কের একটি লাইন বন্ধ থাকায় এ দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। হাইওয়ে পুলিশ যানজট নিরসনের চেষ্টা করছে।কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ওসি সফিউল ইসলাম জানান, আষাড়িয়ারচর এলাকায় মহাসড়কের দুই লেনের এক লেনে সড়ক বিভাগ জরুরি সংস্কারকাজ করছে। এতে এক লেন দিয়ে পর্যায়ক্রমে যানবাহন চলাচল করায় এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।তিনি আরও জানান, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশের একাধিক টিম নিরবচ্ছিন্নভাবে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে।
২ দিন আগে