রুহুল আমিন কিবরিয়া, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ৯ জুলাই ২০২৬ রাত ০৯:৩৪:১৫
দেশের ৫৫ ও ৫৬তম অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর হিসেবে স্বীকৃতি পেল বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও ধুনট
দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের তালিকায় যুক্ত হয়েছে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি ও ধুনট। বুধবার (৮ জুলাই) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপন জারি করে নদীবন্দর দুটির সীমানা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্য দিয়ে দেশের ৫৫ ও ৫৬তম অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি পেল সারিয়াকান্দি ও ধুনট।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এর আগে দেশে অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের সংখ্যা ছিল ৫৪টি। নতুন দুটি নদীবন্দর যুক্ত হওয়ায় এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৬টিতে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সারিয়াকান্দি নদীবন্দর যমুনা নদীর উভয় তীরজুড়ে নির্ধারিত সীমানার মধ্যে পরিচালিত হবে। এর আওতায় দিঘাপাড়া ঘাট, কালিতলা ঘাট, মথুরাপাড়া (দেবডাঙ্গা) ঘাট, জামথল ঘাট, শোনপচা ঘাটসহ সংশ্লিষ্ট খাল ও নৌঘাট অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
অন্যদিকে ধুনট নদীবন্দর মথুরাপাড়া ঘাটের দক্ষিণাংশ থেকে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার ঢেকুরিয়া হাটসংলগ্ন এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এ বন্দরের আওতায় চন্দনবাইশা ও শহরাবাড়ি ঘাটসহ সংশ্লিষ্ট খাল ও নৌঘাট অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দুই নদীবন্দরের ক্ষেত্রেই নদীর পূর্ব ও পশ্চিম তীরে সাধারণ ভরা পানির সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূ-ভাগের দিকে ৫০ গজ পর্যন্ত এলাকা বন্দরসীমার অন্তর্ভুক্ত থাকবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে আরও বলা হয়, বন্দর এলাকায় নৌপথ উন্নয়ন, জেটি নির্মাণ, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে বন্দরসীমার মধ্যে থাকা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব কার্যকর থাকবে না। নতুন দুটি নদীবন্দরের সংরক্ষকের দায়িত্ব পালন করবে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সারিয়াকান্দি ও ধুনট নদীবন্দর চালুর ফলে যমুনা নদীকেন্দ্রিক নৌযোগাযোগ আরও গতিশীল হবে। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষিপণ্য বিপণন এবং স্থানীয় অর্থনীতির বিকাশে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।