শফিকুজ্জামান সোহেল, গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৮ মে ২০২৬ বিকাল ০৩:২৮:৫৬
টানা বৃষ্টিতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু সড়কে ধস, ঝুঁকিতে যোগাযোগ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রংপুর-দ্বিতীয় তিস্তা সেতু-কাকিনা সড়কটি বুড়িরহাট-মহিপুর হয়ে লালমনিরহাটের কাকিনা, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও তুষভান্ডার অতিক্রম করে বুড়িমারী স্থলবন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহনে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও নিত্যপ্রয়োজনে এ সড়ক ব্যবহার করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়কের বিভিন্ন অংশে খোয়া উঠে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও নিচের মাটি সরে গিয়ে সড়কের অংশ ধসে পড়েছে। ফলে বিশেষ করে রাতে যান চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
সেতু এলাকার দোকানদার জয়নাল আবেদীন বলেন, “সড়কটি বালুর ওপর নির্মাণ করায় বৃষ্টির পানি জমে বালু সরে গিয়ে ধস নামছে। কিছু দূর পরপর ড্রেনেজব্যবস্থা থাকলে ক্ষয়ক্ষতি কম হতো।” তিনি দ্রুত সংস্কারের পাশাপাশি পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
কালীগঞ্জ থেকে আসা অ্যাম্বুলেন্সচালক হামিদু নয়া মিয়া বলেন, “কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় সড়কের এমন অবস্থা হয়েছে। রোগী নিয়ে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গুরুতর রোগী থাকলে ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাতে হয়।”
স্থানীয় বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, “মাত্র কয়েক দিনের বৃষ্টিতেই সড়কের অবস্থা ভয়াবহ হয়ে গেছে। আরও বৃষ্টি হলে সড়কের বড় অংশ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।”
লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, এটি রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক। দ্রুত সংস্কার না করলে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হতে পারে।
এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, সড়ক ধসের খবর পেয়ে জনপ্রতিনিধি ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।